ফ্রিল্যান্সব্লগার অনলাইন আয়ের একটি নতুন দিগন্ত-২

1
344

আমরা যারা ফ্রিল্যান্সিং করি তাদের ফ্রিল্যান্সব্লগার হওয়া অনেক অনেক জরুরি।ফ্রিল্যান্সব্লগার যেমন আমাদের আয়ের পথকে প্রশস্থ করে তেমনি এর মাধ্যমে আমরা আমাদের কমুনিকেশন স্কিল বাড়াতে পারি। গত পর্বে আমরা ফ্রিল্যান্সব্লগার এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছি। আজকেও আমি চেষ্টা করব নিতুন কিছু আলোচনা করতে। তাহলে আজকের আলোচনা শুরু করা যাক। প্রথমেই বলতে চেষ্টা করি আমাদের কেন ফ্রিল্যান্সব্লগার হওয়া জরুরী।

ফ্রিল্যান্সব্লগার হওয়া কেন প্রয়োজন?

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

আমিতো মনে করি ফ্রিল্যান্সব্লগার হওয়া অনেক অনেক প্রয়োজন কারন আমি যদি ওয়ার্ডপ্রেস এর উপর ফ্রিল্যান্সিং করি তাহলে আমার একটা ব্লগ থাকা জরুরী কারন এখান থেকেই বায়ার আমার সম্পর্কে জানতে পারবে। এখানে আমার ব্লগটা বিজ্ঞাপন হিসেবে কাজ করবে। আর আমার বিজ্ঞাপন যদি ভাল না হয় তাহলে আমার পন্য যতই ভাল হোক না কেন কোন লাভ নেই। তাই ওয়ার্ডপ্রেস এর উপর কাজ করতে হলেওতো আপনার ইংরেজি জানা লাগবে। আর ইংরেজি জানতে হলে ব্লগার হওয়ার কোন বিকল্প নেই। একদিকে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস থিম তৈরি করলেন অন্যদিকে ব্লগিং করলেন, একসাথে দুই পাখি মারলেন। আর সাথে সাথে তো কমুনিকেশন স্কিল বারতেছেই তাহলে কেন আপনি এই সুযোগ হারাতে চাইবেন।
ফ্রিল্যান্সব্লগার হওয়ার জন্য ৩টি প্রয়োজনীয় যোগ্যতা

ইংরেজিতে দক্ষতা

আমারা যারা নেটিভ না তাদের ইংরেজিতে অনেক সমস্যা রয়েছে। মনে করুন আপনি অনেক কিছু জানেন কিন্তু ক্লায়েন্টকে বুঝাতে পারলেননা যে আপনি জানেন। তাহলে কোন লাভ নেই। আর এই জন্যই আপনার ইংরেজির উপর দক্ষতা বাড়াতে হবেই হবে। ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস

  • নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়ুন
  • ভাল ভাল ব্লগারের ব্লগ পড়ুন
  • নতুন নতুন ইংরেজি শব্দ শিখুন এবং তা ব্যবহার করতে চেষ্টা করুন
  • নিজে একটি ব্লগ খুলে নিয়মিত লিখতে চেষ্টা করুন অবশ্যই ইংরেজিতে
  • কারেন্ট ট্রেন্ড জানা

আপনার সমসাময়িক ফ্রিল্যান্সাররা বা ব্লগাররা কি কি করতেছে, তাঁরা কিভাবে ভিসিটর নিয়ে আসে, তাঁরা কিভাবে কাজ করে তা আপনাকে জানতে হবে। তবে এই বলে তাদেরকে হুবহু অনুকরন করবেন না। সব কিছু নিজের মত করে চিন্তা করতে চেষ্টা করুন। আপনার ভিসিটর বা ক্লায়েন্ট কি চায় তা জানতে চেস্টা করুন মানে এমন কিছু করবেননা যাতে তাঁরা আপনার উপর অখুশি না হয়।

রিসার্চ করার মানসিকতা

এখানে রিসার্চ বলতে কোন কঠিন কিছু বুঝানো হয় নি। রিসার্চ মানেই হল আপনি যে বিষয়ে লিখেন বা যে বিষয় নিয়ে কাজ করেন তার উপর নতুন নতুন বিষয় নিজে থেকেই তৈরি করা। যেমন, আপনি রান্না বিষয় নিয়ে লিখেন, তো রান্নার উপর এমন একটি রেচিপি বানান যেটা একেবারে নতুন। সার্চ ইঞ্জিন উপ্টিমাজেশন করা, ভিসিটর নিয়ে আশা এগুলোও রিসার্চ এর অন্তর্ভুক্ত।

ফ্রিল্যান্সব্লগার হওয়াতে কি কি লাভ আছে?

  • প্রথম কথা হচ্ছে আমি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই তাই আমাকে ফ্রিল্যান্সব্লগার হওয়া দরকার।
  • অনেক সময় আপনার কোন কাজ থাকে না তখন আপনি সময় নষ্ট না করে ব্লগ লিখবেন আর মাস শেষে কিছু বোনাস পেলেন।
  • নিজের যোগ্যতা যাচাই করার সুযোগ পেলেন।
  • যখন অন্য কাজ করতে ভাল লাগবে না তখন লিখালিখি করলেন
  • ইন্টারনেট জগতে আপনার একটা স্থান করে নিলেন

আপনাকে কিছু লোক অনুসরণ করবে এবং আপনি তাদেরকে কিছু শিখাতে পারবেন। এতে করে আপনি জনসেবা করলেন। আরো অনেক কিছু
আমি আস্তে আস্তে সব কিছুই আলোচনা করতে চেষ্টা করব। আশা করি আপনারা আমার সঙ্গেই থাকবেন। আর পোস্টগুলো একসাথে আমার ব্লগ প্রকাশিত হচ্ছে।
আমার ব্লগ

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

seven + seventeen =