কী বোর্ডের আদি + অন্ত (+কী বোর্ডের সকল কাজ) [যারা কম্পিউটার চালান অবশ্যই দেখবেন বিফলে যাবে না গ্যারান্টি :P]

1
2213

সবাই আমার সালাম/নমষ্কার গ্রহণ করবেন । আশা করি সবাই ভালো আছেন ????  আজ হাজির হলাম একটি ভিন্নধর্মী পোস্ট পোস্ট নিয়ে :D। আজ কী বোর্ডের সকল কিছু আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব। তো আসুন শুরু করি :P।

 

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

 

কীবোর্ড কি ?

কীবোর্ড হচ্ছে কম্পিউটারের একটি অন্যতম ইনপুট ডিভাইস। কম্পিউটারের অধিকাংশ তথ্য ও নির্দেশ প্রদানের কাজ কীবোর্ডের সাহায্যে করা হয়। আর প্রোগ্রাম তৈরির সমস্ত কাজই কীবোর্ডের সাহায্যে করা হয়।

 

কীবোর্ডের প্রকারভেদঃ

উপাত্ত স্থানান্তরের পদ্ধতি অনুযায়ী কীবোর্ড প্রধানত দু’ভাগে বিভক্ত করা যায়।

১। সিরিয়াল কীবোর্ড ও ২। প্যারালাল কীবোর্ড।

 

 

প্রস্তুতকারক কোম্পানির ওপর ভিত্তি করে কীবোর্ডের প্রকারভেদঃ

প্রস্তুতকারক কোম্পানির ওপর ভিত্তি করে কীবোর্ড সাধারণত দু’ ধরনের হয়ে থাকে। এগুলো হলঃ ১। অ্যাপেল কীবোর্ড ২। আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কীবোর্ড।

আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কীবোর্ড আবার তিন ধরনের হয়ে থাকে। এগুলো হল-

১। ৮৩ বোতাম বিশিষ্ট পিসি বা এক্সটি কীবোর্ড

২। ৮৪ বোতাম বিশিষ্ট এক্সটি কীবোর্ড

৩। বর্ধিত কীবোর্ড।

বর্তমানে বাজারে ১০৪টি কীযুক্ত কীবোর্ড ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারের কীবোর্ডে লেখালেখির কাজে বিভিন্ন ধরনের কী রয়েছে। যেমন-

১। ফাংশন কী

২। টাইপিং কী

৩। টেক্সট কী

৪। কার্সার কী

৫। নিউমেরিক কী

৬। স্পেশাল কী প্রভৃতি।

 

কীবোর্ডের কাজঃ

কম্পিউটার কীবোর্ডের সাথে অনুক্রমিক বা সিরিয়াল ইন্টারফেসের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাধারণত পাঁচ বা ছয় পিনের DIN সংযোজন ব্যবহার করা হয়। এই সংযোজকের মাধ্যমে আট বিট প্রস্থের ডেটা ও সমাপ্তি সূচিতকারী একটি বিশেষ বিট সংযোজন করা হয়। কীবোর্ডের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য যেমন কীবোর্ডের অভ্যন্তরে মাইক্রোপ্রসেসর থাকে, তেমনি কম্পিউটারের অভ্যন্তরে কীবোর্ড সংক্রান্ত কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানের জন্য “কীবোর্ড কন্ট্রোলার” চিপ থাকে। কীবোর্ডে কোন একটি কী চাপ দেবার মুহূর্তের মাঝেই সংশ্লিষ্ট কী চাপ দেওয়ার সময় থেকে মনিটরের পর্দায় অক্ষরটি না দেখা পর্যন্ত কি ঘটে তার প্রতি পর্যায়ক্রমিক বর্ণনা নিচে দেয়া হলো।

 

১। কীবোর্ডের অভ্যন্তরস্থ চিপ প্রথমে যে কীটি চাপ দেয়া হয়েছে, তা নির্ধারণ করে।

২। কীবোর্ডে কন্ট্রোলার চিপ এরপর কীর সাথে জড়িত কীবোর্ডটি কীবোর্ড বাফারে সংরক্ষণ করে এবং একই সাথে কীবোর্ডে ক্যাবল দিয়ে কীবোর্ডটি কম্পিউটারকে পাঠায়।

৩। কীবোর্ড কন্ট্রোলার কীবোর্ডের জন্য নির্ধারিত ইনপুট মুখ (I/OPort) দিয়ে কীবোর্ডটি পড়ে এবং কীবোর্ডের নকশার উপর ভিত্তি করে কী কোডকে স্ক্যান কোডে রূপান্তরিত করে।

৪। কীবোর্ডে কন্ট্রোলার এরপর ৯নং বায়োস ইন্টেরাপ্টের মাধ্যমে কম্পিউটারকে একটি স্ক্যান কোডের উপস্থিতির কথা অবগত করায়। বায়োস এ পর্যায় থেকে সমস্ত নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।

৫। কীবোর্ডের ইন্টেরাপ্ট হ্যান্ডলার স্ক্যান কোডটি পড়ে এবং কোন কী-টি চাপ দেয়া হয়েছে, তা নির্ধারণ করে।

 

কীবোর্ডে বিভিন্ন অংশের বর্ণনাঃ

কী বোর্ডের আদি + অন্ত (+কী বোর্ডের সকল কাজ) [যারা কম্পিউটার চালান অবশ্যই দেখবেন বিফলে যাবে না গ্যারান্টি :P]

টাইপিং কী (Typing Key): কীবোর্ডের টাইপিং কী দিয়ে সাধারণ টাইপের কাজ করা হয়। এ কীতে থাকে ২৬টি বর্ণ (A থেকে Z) পর্যন্ত এবং ১০ টি অংক সংখ্যা (0 থেকে 9) থাকে।

ফাংশন কী (Function Key): কীবোর্ডের একে বারে উপরে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ১২টি কীকে ফাংশন কী বলে।

কন্ট্রোল কী (Control Key): কীবোর্ডের Pause, Esc, Delete, Alt, Control এ ধরনের কীগুলো নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করে সেগুলোকে কন্ট্রোল কী বলে।

নিউমেরিক কী (Numeric Key): কীবোর্ডের সর্বডানে ১৭টি কী সুসজ্জিত থাকে এদেরকে নিউমেরকি কী বলে।

ক্যাপস লক কী (Caps Lock Key): কম্পিউটার অনেক সময় ছোট অক্ষরকে (Small Letter) বড় অক্ষরে (Capital Letter) আবার বড় অক্ষরকে ছোট অক্ষরে লেখার জন্য ক্যাপস লক কী ব্যবহার করা হয়।

কার্সার মুভমেন্ট কী (Cursor Movement Key): কার্সরকে উপরে ↑, নিচে ↓, ডানে →, বামে ← স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত এ কীগুলোকে কার্সার মুভমেন্ট কী বলে।

শিফ্‌ট কী (Shift Key): শিফট কী আছে দুটো। ক্যাপস লক কী অন বা অফ যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন যে কোন একটি শিফট কী টিপে রেখে যদি অন্য কোন কী চাপলে বড় হাতের অক্ষর লেখা যায়। শিফ্‌ট কী ক্যাপস লক কী এর বিপরীতে কাজ করে

এন্টার কী (Enter Key): কীবোর্ডের মধ্যে এন্টার কী সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারকে কোন কমান্ড জানতে হলে এর মাধ্যমে জানাতে হয়। তাছাড়া কমান্ড ওকে করার জন্য এন্টার কী ব্যবহার করা হয়।

টেব কী (Tab Key): কার্সারকে দ্রুত স্থানান্তরের জন্য এ কী ব্যবহৃত হয়।

এস্কেপ কী (Esc): এ কী দ্বারা ক্ষেত্র বিশেষে কমান্ড বাতিল করা হয়।

ডিলিট কী (Delete Key): কার্সারের ডান পার্শ্বের অক্ষর গুলো মুছার জন্য ডিলিট কী ব্যবহৃত হয়।

ব্যাকস্পেস কী (Backspace Bar Key): কার্সারের বাম পার্শ্বের অক্ষর মুছার জন্য ব্যাক স্পেস কী ব্যবহার করা হয়।

স্পেসবার কী (Space Bar Key): কীবোর্ডের সবচেয়ে লম্বা কী টি হল স্পেসবার কী। সাধারণত দুটো শব্দের মধ্যে স্পেস/ফাঁকা তৈরির জন্য এ কী ব্যবহার করা হয়।

 

 

সবাইকে অসংখ্য ধন্যাবাদ ।।।। ভালো থাকবেন ।।।।

{সমাপ্ত}

Advertisement -
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen + fourteen =