হূদরোগীরা কি ভাবে নিজের যত্ন নিবেন

6
417
হূদরোগীরা কি ভাবে নিজের যত্ন নিবেন

বান্দা_ ইখতিয়!র

আসসালামু আলাইকুম। স্বাগতম আপনাকে। কেমন আছেন আপনি? আশা করি ভাল আছেন। আমি তথ্য প্রযুক্তিকে ভালবাসি। তাই দীর্ঘ
দিন যাবত এখানে আছি। https://www.facebook.com/amidorunto
হূদরোগীরা কি ভাবে নিজের যত্ন নিবেন

হূদরোগ  থাকলে  চিকিত্সক  দর্শন ঘন  ঘন হলে ভালো। হঠাৎ করে ডাক্তারের চেম্বারে কেন? বারবার গেলে ক্ষতি কি? নিয়মিত ডাক্তার দেখালে ফল হয় ভালো। করোনারি হূদরোগ একবারে নির্মুল হবেনা। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিলে, নিয়মমাফিক চললে রোগকে বেশ মোকাবেলা করা যায়। হার্ট এটাকের ঝুঁকি বা অন্যান্য সমস্যা অনেকটা এড়ানো যায়।

চেকআপ ও টেস্ট :

ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিতে হবে কতবার চেকআপ ও রক্তের পরীক্ষা করাতে হবে। হূদরোগ হয়ে থাকলে রক্তের চাপ ও কোলেস্টেরল বেশ কয়েকবার তো মাপতে হবে। ডাক্তার রোগের ঝুঁকিগুলো নজরদারি করা এবং প্রয়োজনে চিকিত্সা করতে পারে। নিয়মিত চেকআপ ও টেস্ট করে এসব ঝুঁকির অনেকটা জানা যায় যেমন-

  • রক্তের কোলেস্টেরল মান, যেমন ক্ষতিকর এলডিএল ও হিতকর এইচডিএল মান, রক্তের চর্বি অর্থাত্ ট্রাইগ্লিসারাইড মানও জানা প্রয়োজন হয়।
  • রক্তের চাপ, রক্তের সুগার মান, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা জানা।

পরামর্শ চাইতে হবে :

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

ঝুঁকিগুলো যাতে এড়ানো যায়, রোগ যাতে আরো শোচনীয় না হয় সেজন্য স্বাস্থ্যকর অভ্যাস চর্চার পরামর্শ দিতে পারেন ডাক্তার। হূদরোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য জীবনাচরণে পরিবর্তন যা আনা যায় সে সম্পর্কেও থাকবে ডাক্তারের পরামর্শ।

হূদরোগের খাদ্যবিধি :

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরল। সম্পৃক্ত চর্বি পরিহার করা, ট্রান্সফ্যাট ও কোলেস্টেরল পরিহার করা, প্রচুর ফল, শাক-সবজি ও কমচর্বি দুধজাতদ্রব্য গ্রহণ। ডাক্তার ও পথ্যবিদ এ ব্যাপারেও দিতে পারেন পরামর্শ।

নিয়মিত ব্যায়াম করা :

ব্যায়ামের কর্মসূচী শুরু করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। হাঁটা-একটি ভালো ব্যায়াম। হাঁটা শুরু করা যায়। সপ্তাহে অন্তত: ৫ দিন আধ ঘন্টা হাঁটলে অনেক লাভ।

শরীরের বাড়তি ওজন ঝেড়ে ফেলা :

ঠিক ঠিক মত খেলে, নিয়মিত ব্যায়াম করলে স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা সম্ভব।

ধূমপান বর্জন করা :

আর এই রোগে ধূমপানের কথাতো আসতেই পারেনা। অর্থাৎ  ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে সম্পূর্ণভাবে। অন্য যারা ধূমপান করে এদের সংস্পর্শ ত্যাগ করতে হবে। কারণ অন্যের সিগারেটের ধোঁয়াও নিজের স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হতে পারে। ডায়াবেটিস থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মত চলতে হবে। স্বাস্থ্য পরিচর্যাকেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গে মিলে নিজের রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিজের ওষুধ পর্যালোচনা করতে হবে, প্রয়োজনে। হূদরোগ চিকিত্সার জন্য ও কিছু ঝুঁকি কমাবার জন্য অনেকের প্রয়োজন হয় ওষুধ। ডাক্তার ব্যবস্থাপত্র দিতে পারেন এমন সব ওষুধের-

  • রক্তের জমাট পিন্ড প্রতিরোধের জন্য ওষুধ। এগুলোর ঘনিষ্ট তদারকি প্রয়োজন হয়।
  • রক্তের কোলেস্টেরল কমাবার ওষুধ। মাঝে মাঝে এর ও নজরদারি প্রয়োজন। লিভারের কাজ-কর্ম দেখার জন্য টেস্ট (খঋঞ)  করতে হয় মাঝে মাঝে, এসব ওষুধ দিলে।
  • রক্তচাপ কমাবার জন্য ওষুধ। নিয়মিত রক্তচাপ মাপানো হলে একে নিরাপদ পর্যায়ে রাখা সম্ভব। অনেক সময় নতুন ওষুধ যোগ করা প্রয়োজন হতে পারে।
  • হার্টের শ্রমভার হ্রাসকরার জন্য ওষুধ। অনেক হূদরোগীকে তাদের হার্টের কাজকর্ম উন্নত করার জন্য ওষুধ গ্রহণ করতে হয়। নিয়মিত চেকআপ করলে এতে আরও কাজ হয়।
  • বুকে ব্যথা (এনজাইলা) হ্রাস করতে হবে। উপসর্গ প্রশমন করতে হবে।
  • জানতে হবে, ওষুধ বা চিকিত্সা সংক্রান্ত কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে, ত্বরিত্ জেনে নিতে হবে ডাক্তারের কাছ থেকে। পরবর্তী এপয়েন্টেমেন্টের জন্য অপেক্ষা করা যাবেনা।

পরামর্শদাতা : অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী

পরিচালক, ল্যাবরেটরী সার্ভিসেস, বারডেম, ঢাকা

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

6 মন্তব্য

  1. আমার মতো রোগিদের জন্য এটা খুব দরকারী টিউন ! আপনার সবগুলো টিউন আমার কাছে দারুন লাগে !

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

twelve − two =