নতুন অব-পরমাণু কণিকা আবিষ্কার : শেষ পর্যন্ত কি পাওয়া গেল ‘হিগস বোসন’!বা ‘ঈশ্বর কণিকা’ !!!

26
890
নতুন অব-পরমাণু কণিকা আবিষ্কার : শেষ পর্যন্ত কি পাওয়া গেল 'হিগস বোসন'!বা  'ঈশ্বর কণিকা' !!!

সত্যের খলিফা

প্রথমেই বলে নিচ্ছি আমি মহান আল্লাহর এক ক্ষুদ্র সৃষ্টি ছারা আর কিছু নই।

আর এ ছারা যদি বলতে হয় তবে আমি খুব ছোট একটি ছেলে , যে কিনা এখনো স্কুলে পড়ে । স্কুল পালিয়ে বিভিন্ন বাসার গাছ থেকে ফুল ফল চুরি করেআর নিজে নিজে গান গায়,
“আমাকে আমার মতো পড়তে দাও
আমি পড়াকে নিজের মতো ছোটো করে নিয়েছি
যা পরিনি পরিনি তা না পড়াই থাক”
আর! হ্যাঁ! যে কিনা দুপুর হতে হতেই ব্রম্মাপুত্রের পানিতে গোছোলের জন্য বন্ধুদের নিয়ে ঝাপ দেয় । আর!.....................।
নতুন অব-পরমাণু কণিকা আবিষ্কার : শেষ পর্যন্ত কি পাওয়া গেল 'হিগস বোসন'!বা  'ঈশ্বর কণিকা' !!!

শেষ পর্যন্ত কি পাওয়া গেল ‘হিগস বোসন’!বা “ঈশ্বর কণিকা’ !!!

 

নতুন অব-পরমাণু কণিকা আবিষ্কার : শেষ পর্যন্ত কি পাওয়া গেল 'হিগস বোসন'!বা  'ঈশ্বর কণিকা' !!!
টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

নিউক্লিয়ার গবেষণার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় সংস্থা সার্নের গবেষকেরা নতুন একটি অতিপারমাণবিক কণার খোঁজ পাওয়ার তথ্য জানিয়েছেন।
৪ জুলাই বুধবার যুক্তরাজ্য ও জেনেভায় আলাদা সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এ দাবি করেছেন। এক খবরে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
গবেষকেদের দাবি, এই কণাটি হিগস-বোসন বা ‘ঈশ্বর কণা’র অভিন্ন বৈশিষ্ট্যের। ভূগর্ভস্থ লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে বিগ ব্যাং ঘটিয়ে এ কণার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন সার্ন গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা।
খুঁজে পাওয়া নতুন কণাটির বৈশিষ্ট্য হিগস বোসনের মতো হলেও এটিই হিগস-বোসন কণা কি না, তা জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন তাঁরা।
২০১০ সালে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে মিনি বিগ ব্যাং ঘটানোর পর থেকে অপেক্ষার পালা শুরু। কিন্তু এ কণার অস্তিত্ব আদৌ আছে কি নেই, সে তথ্য জানার অধীর অপেক্ষায় ছিলেন গবেষকেরা। কারণ, এ তথ্য জানতে পারলে মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য জানতে পারবেন তাঁরা।
অবশেষে বস্তুর ভর কীভাবে সৃষ্টি হয়, এ তথ্য জানার ৪৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। গবেষকেরা দাবি করেছেন, প্রাপ্ত উপাত্তে ১২৫-১২৬ গিগাইলেকট্রন ভোল্টের কণার মৃদু আঘাত অনুভূত হওয়ার তথ্য তাঁরা সংরক্ষণ করতে পেরেছেন। এ কণা প্রোটনের চেয়ে ১৩০ গুণেরও বেশি ভারী।
সার্নে এ ঘোষণা দেওয়ার পর হাততালিতে ভরে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। গবেষক হিগস নিজেও এ পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট।
এ প্রসঙ্গে হিগস জানিয়েছেন, ‘আমার জীবদ্দশাতেই যে এর ফল আমি দেখে যেতে পারব, তা কল্পনাও করিনি। আমার জন্য এ এক দারুণ আনন্দের মুহূর্ত।’
যুক্তরাজ্যের সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ফ্যাসিলিটিজ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী জন ওমার্সলি জানিয়েছেন, ‘আমি নিশ্চিত যে এমন একটি কণার খোঁজ মিলেছে, যা হিগস-বোসন কণার অভিন্ন বৈশিষ্ট্যের।’
সার্নের মুখপাত্র জো ইনকানডেলা জানিয়েছেন, ‘যদিও এটি প্রাথমিক ফলাফল। কিন্তু প্রাথমিক ফলে যে প্রমাণ মিলেছে, তা হিগস-বোসনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’
উল্লেখ্য, হিগস-বোসন খুঁজে পাওয়ার বিষয়ে গবেষকেরা সব সময়ই ইতিবাচক ধারণা করে আসছেন। এ ফলাফল ঘোষণা করার আগে ‘ঈশ্বর কণা’র বা হিগস-বোসনের ৯৯.৯৯ শতাংশ সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন গবেষকেরা।
পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ও বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামে নামকরণ করা হিগস-বোসন কণাটি ‘ঈশ্বর কণা’ হিসেবেও পরিচিত। বিজ্ঞানী হিগস ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসেবে এমন একটি কণার ধারণা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে। এর ফলে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এ কণাটিই ‘ঈশ্বর কণা’ নামে পরিচিতি পায়।
কীভাবে পদার্থ তৈরি হয়, বিষয়টি জানতে এই কণার খোঁজে জেনেভার কাছে ভূগর্ভে ২০১০ সালে মিনি বিগ ব্যাং ঘটিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।

 

Advertisement -
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

26 মন্তব্য

  1. বিষয় টি নিয়ে বিশ্বে তোলপাড় চলছে ……… শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ।

  2. পৃথিবীতে সব কিছুই আপেক্ষিক . বিজ্ঞান ও আপেক্ষিক. আজকে বিজ্ঞানের যে বিষয়টি সত্য প্রমানিত, অন্য সময়ে তা হয়ত ভুল প্রমানিত হবে, যেমনটি অতীতে অনেক হয়েছিল. মূলত বিজ্ঞান নির্ভর করে সময়ের উপর! যে সময়ে, যে পরিবেশে, যে প্রযুক্তিতে যে বিষয় টি সঠিক , তা হয়ত অন্য সময় অন্য রকম হতে পারে !এটা শুদুমাত্র আমার ধারণা. যাই হোক, তথ্যটির জন্যে ধন্যবাদ .

    • oooooo আসলেই আপনি মেধাবি মস্তিক …… এমন যুক্তি দিলেন যে এখন তো সবকিছুই উলট-পালোট হইয়া গেছে………

  3. বিজ্ঞান মানেই ভুল নয় ভাই। তবে এমন ও হতে পারে যে। বিজ্ঞান উন্নয়নের ফলে এতা ভুল প্রমানিত হয়ে নতুন কিছু আবিষ্কৃত হতে পারে। এমন অনেক বিজ্ঞানির থিওরি ভুল প্রমানিত হয়েছে

    • হতে পারে ……… তবে তা ভুল প্রমাণিত হলে তা বিজ্ঞান থাকে না তা হয়ে যায় বিজ্ঞানের নামে ভ্রম ………………

  4. এটা আগেই শুনেছি …………..শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ……………. :)

    • ooooo কমেন্টস করার জন্য আপনাকেও ধন্যবাত …………

  5. শাওন ভাই আমি আপনার কাছে আরো কৃতজ্ঞ যে আপনি এটা ফেসবুকে পেজে এ পোস্ট করলেন …………। আর নিশান ভাই বিজ্ঞান কখোনো ভুয়া কিংবা বানোয়াট হয় না বা হতে পারে না যদি হয় তবে তা বিজ্ঞান না ।। বিজ্ঞানের নামধারী ভ্রম ……………।।আর রাহাত ভাই এখানে “ঈশ্বর কণিকা’ বলতে “ঈশ্বর কে বুঝানো হয় নাই বরং বুঝানো হয়েছে যে সকল সৃষ্টির এক প্রাচীন ক্ষুদ্র কনা ………………

  6. দারুন সংবাদ, আপনাকে রেফার করে আমি কি এটা ফেসবুকে পেজে দিলাম, মনে করবেন না :)

  7. “ঈশ্বর কণিকা’ !!! এটা সম্পুর্ন বানোয়াট !!!!! এটা বিশ্বাস করলেও কঠিন পাপ হবে .।.।.।.।

    • এটা শুধুই নাম ! আর স্বয়ং কোরান শরিফেই বিগ ব্যাং এর কথা লিখা আছে যেখানে, সেখানে এটা বানোয়াটের কি হলো ?

  8. দেখি কি হয় ! আজ এ খবর ,কাল হয়তো শুনব ভুয়া কিংবা বানোয়াট ।এটাই কি বিজ্ঞান ?

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

7 − 3 =