রেসলিং আর চরম উত্তেজনার মধ্যে উদযাপিত হল টিউনারপেজ এর আনঅফিসিয়াল মিটআপ

22
935

জমজমাট আয়োজন আর ফাটাফাটি পরিমান উত্তেজনার মাঝে আমরা টিউনারপেজ এর অ্যাডমিনরা এবং টিজে রা পালন করে ফেললাম ৩ দিনব্যাপি এক বিশাল ছোটখাটো আনঅফিসিয়াল মিটআপ। ১৩ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হয়ে গেল এই জমজমাট মিটআপ। আসলেই এইরকম মজাদার মিটআপ আগে কখনই হয়নি। মিটআপ এ যারা উপস্থিত ছিলেন, তারা হচ্ছেন

 


Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

আসুন, আমাদের এই মিটআপ এ আসলে কি হয়েছিল তা আমরা জেনে আসি। আসলেই কিভাবে এত মজা করা সম্ভব মাত্র ৫ জনকে নিয়ে সেটাই আমরা অনুসন্ধান করে আসি চলুন।

১৩ জুন, বিকাল ৬ টা। টান টান উত্তেজনা, সামদানি ভাই এর সাথে আমি দেখা করতে আসছি। উনি কুমিল্লা থেকে এসেছেন আমাদের সাথে দেখা করার জন্য। তাই এত উত্তেজনা। আমাদের স্থান নির্ধারিত হয় রামপুরা আফতাবনগর। প্রথমে সামদানি ও মহা প্লাবন নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে রাজি না হলেও আমার আশ্বাস পেয়ে পরে রাজি হয়। প্রথমেই আমি আর তাল পাতার সিপাহি এসে হাজির হই। তার কিছুক্ষন পরেই সামদানি ভাই রাজকীয় ভাবে হেঁটে আসতে লাগলেন আমাদের দিকে। কিন্তু উনি এসে নিরাপত্তাজনিত কারন দেখালে আমি ইস্ট ওয়েস্ট থেকে আমার বিশ্বস্ত ও এলাকার ২ বন্ধু রায়হান ও অর্ণব কে ডেকে আনার পর উনি কিছুটা আশ্বস্ত হন। তখন আমরা একজায়গাতে বসে মহা প্লাবন ভাই কে ফোন দিলে উনি বলেন উনি পল্টনে। রাস্তা ফাকা এবং ঝড়ের বেগে বাস চলতেছে। উনি খুব দ্রুত এসে পড়বেন। পরে অবশ্য উনি দ্রুত আসতে পারেননাই। আর আমরা গোপন সুত্রে খবর পাই উনি তখন মাত্র ঘুম থেকে উঠলেন। তারপর উনি হাজির হলেন উনার সেই চিরচেনা হাটার ভঙ্গি এবং হাসি উপহার দিয়ে। আর তখনি শুরু হল সিরিয়াস আলোচনা।

 

রেসলিং আর চরম উত্তেজনার মধ্যে উদযাপিত হল টিউনারপেজ এর আনঅফিসিয়াল মিটআপ

 

আর এইসব সিরিয়াস আলোচনা শুনার পর কিছুই বুঝতে না পেরে আমার দুই বন্ধু আমাকে বকা মেরে চলে যায়। তারপর আমরা ভিতরের দিকে হাঁটতে থাকি। তেমন কোন আলোচনা আর তখন মাথায় আসে না। তারপর আমরা গেটের দিকে রওয়ানা দেই এবং চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী পুরির দোকানে যাই। আমাদের তখন যথেষ্ট সন্দেহ হচ্ছিল যে আমাদের ভারে না মাচার উপর গড়ে উঠা পুরির দোকান ভেঙ্গে যায়। অবশ্য কিছুই হয়নি। আমরা ফাও ভয় পাইসিলাম। ৬ জন মিলে মোট ৩৬ টা পুরি চালান করে দিলাম। আমাদের খাওয়া দেখে দেখি দোকানদার খুশি হইল। বহুত দিন পর ব্যাবসা ভালই হল। বিল দিলেন আমাদের প্লাবন ভাই। আর তখনি তাল পাতা ভাব মেরে বলল ” ভাই শেয়ার করতে হবে ? ” যদিও তার শেয়ার করার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু তারপরেও বলল। কারন ভাব তো ফাও। সেদিনকার মত আমাদের প্রথম পর্ব শেষ।

১৪ জুন বিকাল ৫ টা। আবারো একি কাহিনী। তবে ভিন্নতা হছে যে আমাদের চিন্তিত পথিক ওইদিন সকালে ঢাকা আসেন এবং উনিও আমাদের সাথে যোগদান করেন। কিন্তু তাল পাতার ষড়যন্ত্রে আমি আর সামদানি ভাই আর প্লাবন ভাই ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে ভোদাই হয়ে যাই। কিন্তু তারপরেই ৬ টার দিকে তাল আর পথিক ভাই বীরবেশে হেঁটে আসে

রেসলিং আর চরম উত্তেজনার মধ্যে উদযাপিত হল টিউনারপেজ এর আনঅফিসিয়াল মিটআপ

 

কোন সামান্য অনুশোচনা দেখা যায় না তাদের মাঝে। সেলুকাস। ইতিমধ্যে স্বপ্নবাজ রাহাত আমদের মাঝে উপস্থিত হয়। উনার ভাবসাব ও বেশ কড়া।

 

রেসলিং আর চরম উত্তেজনার মধ্যে উদযাপিত হল টিউনারপেজ এর আনঅফিসিয়াল মিটআপ

 

পথিক ভাই কেডস পরে পুরা হিরোর বেশে আসে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে গার্মেন্টস কর্মী ছাড়া ভাল কোন ললনা উনি নাকি দেখতে পায় নাই। আফসোস। অতি আফসোসে উনি আমাদের একটা দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য চ্যালেঞ্জ করে বসেন। মুহূর্তেই মহা প্লাবন ভাই পাকা বাজীগর এর মত বাজির হিসাব ও উনার কমিশন এর কথা বলে আমাদের আর উত্তেজিত করে দেন। তারপরই আমি, রাহাত আর পথিক ভাই দৌড় এর জন্য রেডি হই। আমি স্যান্ডেল, পথিক, রাহাত কেডস। আমি তো পুরাই বাঁশ। তারপরও আমি ভাল করি এবং সম্মানজনক অবস্থান আদায় করে ২য় হই। প্রথম হয় আমাদের রাহাত। আর পথিক ভাই পুরা ফাঁপরে। লাস্ট। কেডস নিয়াও হারসে। কি, দেখতে চান আমাদের দৌড় এর সেই বিখ্যাত ভিডিও???? চলে জান নিচের লিঙ্ক এ।

তারপর আমরা আফতাবনর এ একটা চরম ব্রিজ এর কাছাকাছি গিয়ে চরম একটা ঝালমুড়ি খাই। আর এই ঝালমুড়ি খেতে পথিক ভাই ৪ গ্লাস পানি সপাৎ করসেন। মুড়িটা আসলেই হেব্বি ছিল। তাই আবার ২য় দফা মুড়ি পর্ব হল। তারপর গেলাম এক খোলা ময়দানে। রাত তখন ৮ টা। আমরা বসে শুরু করলাম ফাও প্যাঁচাল। সবাই তার প্রথম প্রেমের কাহিনী বলা শুরু করল। খুব সিরিয়াস আলোচনা এসে পড়ায় এবং ব্যাক্তিগত হবার কারনে আপনাদের বিস্তারিত বলতে পারলাম না। দুক্ষিত। তারপর আমাদের চটপটি খাবার ইচ্ছা হল। তখন আমরা মামাকে ডাক দিলে সে প্রতি প্লেট ৩০ তাকা দাবি করলো। আমাদের তো মাথায় হাত। তারপরে রাহাত দক্ষতার সাথে ২০ টাকায় মামলা মিটিয়ে দিল। আর ততক্ষনে রাত ৯ টা বেজে গেছে। আমরা সবাই যে যার বাড়ীর দিকে রওয়ানা দিলাম। কিন্তু পরবর্তী দিন আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করছে সেটা আমরা তখনি টের পাইনাই।

 

১৫ জুন, বিকাল ৪.৫০, আমি তুরাগ বাসে রামপুরার দিকে। মহাপ্লাবন ভাই আর সামদানি নাকি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আমি তো ডরাইতাসি, আল্লহাই জানে, দেরি করলে আজকে কি আছে কপালে। আমার বাস অবশ্য কুপাকুপি স্পিড এ চলতেছে। ওইদিকে পথিক ভাই বসুন্ধরা বারিধারা এসে দাড়িয়ে আছে তাল পাতার জন্য। কিন্তু সে তেরিবেরি করছে। আর উল্টা আমাদের ফাঁপর মারতেছে। অরা নাকি রামপুরা ব্রিজ দেখতেছে। আমি তো টের পাইসি। আমিও উল্টা ফাঁপর। ও মনে করে আমারে ফাঁপরে কাইত কইরা দিসে। মাগার আমি তো অর বাপ। চাকুনে অরে ফাঁপরে ফালাইসি। হি হিহ হি। যাক, সময়মত আমি নামলাম আফতাবনগর। তারপর উনাদের ফোন দিলে উনারা বলে উনারা ২ নাম্বার পিলারে আছে। ওইদিকে আমি তো দেখি ২ নাম্বার পিলার মেইন রাস্তার উপরে। আবার পড়লাম ভেজালে। পরে দেখি উনারা ২ নাম্বার বৈদ্যুতিক পিলারের সামনে আছে। কথাও কইবার পারেনা ঠিকমত। পিলার তো হাজার পদের আছে। ভাইঙ্গা কইলে কি কষ্ট লাগে। যাক বাদ দেন। তারপর আজকেও অপরাধীর মত এসে আমারে ফোন দেয় যে আমরা কই??? উনারা নাকি আসবে না আজকে। অথচ আমরা কিন্তু উনাদের দেখতেছি। দেখেন মিয়া কত বর চাপা। পরে উনাদের খাটাইলাম একটু। বহুতদুর হাটাইলাম। আর আমরা গোয়েন্দার মত পিছনে ফলো করতে থাকলাম। শেষমেশে ধরা খেলাম। আমাদের দেখে ফেলল। তারপরেই কোলাকুলি ও আবার চাঁপা। রাস্তায় নাকি কিয়ামইত্তা জ্যাম। গাড়ী বলে এক হাত ও যায় না। যাক, আমরা আর কিছু বললাম না। তারপর হাঁটতে হাঁটতে গেলাম বালুনদী। অইখানে গিয়া প্লাবন ভাই আর তাল পাতার ভেড়া উঠসে, উনারা নাকি বেঙ্গাচি খেলব। কন তো মিয়া। হেরা কি এখন ও পোলাপাইন???? তারপর হেব্বি খেলা হইলো। প্লাবন ভাই ভাবসাব এমন যেন আমরা কেও উনার কাছেও আসতে পারব না। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে আমাদের ফাপরবাজ তাল পাতা প্রথম হল। অবশ্য প্লাবন ভাই এটা মানতে নারাজ, উনার মতে রেফারি, মানে আমি নাকি ২ নাম্বারি করসি। সব নাকি বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র। উনি নাকি খেলবো না। পরে উনারে বস ডাকার পর দেখি হালকা হয়ে আসলো উনার মেজাজ। যাক, দুর্বল জায়গা পাইয়া গেলাম।চলেন, আমরা বেঙাচি খেলাটা দেখে আসি। 

তারপরেই আমরা কাশবনের মাঝে দিয়া হাঁটতে লাগলাম। একটা খোলা মাঠে এসে সামদানি ভাই আমাকে আর প্লাবন ভাইকে শক্তি পরিক্ষার জন্য চ্যালেঞ্জ করলো। উনার যেই মাসল, প্লাবন ভাই তো গলা শুখাইয়া ফালাইল। তখনি তাল পাতা এসে আগুনে মবিল মারলও। যাক, আমরা ঠিক করলাম খেলা হবে। রেসলিং। তবে ঘুষাঘুষি আর সাবমিসন লক নাকি নাই। আমি তখনি বুঝলাম আমাকে হারানোর জন্য প্লাবন ভাই নিজে রেফারি হবে। কারন আমি সাবমিসন লক ধরে খেলি। আর আমি লক ধরলে হার মানতে বাধ্য আপনি। যাক, কি আর করার। সামদানি ভাই আর আমি খেললাম। আমি সিওর জিততাম। কিন্তু চিন্তা করলাম যে বড় ভাই হারলে উনি লজ্জা পাবে। আর উনার লজ্জা মানে টিউনারপেজ এর লজ্জা। তাই হেরে গেলাম ইচ্ছা করেই। পরে অবশ্য আফসোস করসি।

তারপর গেঞ্জি খুলে আমাদের প্লাবন ভাই আর আমার রেসলিং হল। কিন্তু আগের খেলা থেকে শারীরিক দুর্বলতার কারনে আমি এইবার ও হারলাম। তাছাড়া খেলার আগে প্লাবন ভাই ওরস্যালাইন এন খেয়ে নিসে। তাইলে আমি কেমনে পারুম আপনারাই বলেন।

এইবার ফাইনাল ম্যাচ। প্লাবন ভাই আর সামদানি ভাই। রেফারি আমি। এইবার আমার পালা। সামদানি রে ২ নাম্বারি কইরা হারামু। কিন্তু খেলা চলাকালীন সময়ে সামদানি আমাকে অফার করে যে প্লাবন ভাইকে হারাতে সাহায্য করলে উনি নাকি আমকে KFC তে খাওয়াবে। বাঙালি তো, কি আর করার। উনার মুখের দিকে চেয়ে না করতে পারলাম না। প্লাবন ভাই তো শিওর উনি জিতবে। কিন্তু সুযোগ বুঝে উনারে বাঁশ মারলাম। দিলাম ২ নাম্বারি করে হারায়া। উফ, কি শান্তি। কিন্তু পরে ঠ্যালা বুঝলাম। প্লাবন ভাই আমারে হুমকি দিসে, আমারে নাকি টিপি থেকে ব্যান মারবে। আর ওইদিকে সামদানি তো তখন টিনের চশমা পরে বসে আছে। আমারে চিনেই না। হায় আল্লাহ। এই বেইমানির বিচার তুমি করবা। এই কথা বলা মাত্রই সামদানি তো ডরে শেষ। পরে আর কি করার। আবারো উনার মুখের দিকে চেয়ে আমি আমার কথা তুলে নিলাম। তারপর একটা রেসলিং খেললাম ৪ জন মিলে। আমি আর প্লাবন ভাই একসাথে বাদ। কিন্তু পরে আবার চিপিলে আমরা ঢুকে খেলা শুরু করি। আমি পথিক ভাইকে বাদ করে দেই। কিন্তু সেই ফাকে প্লাবন ভাই আমাকে ধাক্কা দিয়ে বাদ করে দেয়। চুরাবানি করে আমাকে বাদ করে দেয়। কিন্তু বিচার আল্লাহ ঠিক এ করসে। আবারো উনি সামদানি ভাই এর সাথে হারলো। ইয়েস।এবার প্রথম হল সামদানি ভাই। চলেন, রেসলিং টা দেখি।

তারপর ওইখানে বসে আমি সবাইকে কুইজ এর চ্যালেঞ্জ করলাম। সবাই তো একপায়ে খাড়া। নিয়মটা হচ্ছে যে আমরা যে কোন একটা সফট এর নাম বলব, অই সফট এর নামের শেষ অক্ষর দিয়ে আরেকটা সফট এর নাম বলতে হবে ১০ সেকেন্ড এর মাঝে। পর পর ২ বার বলতে না পারলে এলিমিনেট। প্রথমে সবাই বলতে লাগলাম, হটাত তাল পাতা খাইল ধরা, ১ বার মিস। তারপরেই সামদানি, আর প্লাবন ভাই ধরা। আমরা তো পুরা খুশি। পথিক ভাই তো শিওর যে উনি ১ম হবে। কিন্তু সম্ভবত অন্ধকারের কারনে উনি চাঁদাবাজ বসকে দেখতে পান নাই। তারপর সবাই আবার ভালই খেলতে লাগলাম। কিন্তু এইবার খাইলাম ধরা। আমি ১ বার মিস। কিন্তু ভয় পাই নাই। কনফিডেন্স লবন খেতাম রেগুলার। অতয়েব কনফিডেন্স এর অভাব নাই। তারপর চালাকি করে প্লাবন ভাইকে বাদ করে দিলাম। উনি তো হাউমাউ করে কেদে উঠলেন। আমি সান্তনা দিলাম। তারপরেই বাদ তাল পাত। সামদানি তো মহা খুশি। শত্রু একটা কমলো। কিন্তু পরের জন্য গর্ত খুঁড়লে সেই গর্তে নিজেই পরতে হয়। ধরা খাইলেন সামদানি। শেষমেশে আমি আর পথিক ভাই ফাইনাল এ। সমান তালে এগিয়ে চলছি। তারপরেই একসময় হটাত পথিক ভাই ও ধরা। আমি হলাম ফার্স্ট। ইয়াহুউউউউউউউউ। ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে।

ধীরে ধীরে আমরা আবার গেটের দিকে হাটা দিলাম। গেটের কাছাকাছি এক জায়গাতে বসে প্লাবন ভাই এবার পাঞ্জা খেলার চ্যালেঞ্জ করলো। আমরা রাজি। প্রথম চান্সেই ডানহাতে উনাকে হারালাম। তারপর বামহাতেও উনি হারলো। শেম শেম শেম। আমি সরাসরি ফাইনাল এ। তারপর পথিক ভাই আর সামদানি ভাই এর পালা। অই খেলাটা হেভভি হইসে। পথিক ভাই পুরা ডিফেন্সে। সামদানি ভাই শুইয়া গিয়াও উনারে পথিক ভাই এর হাত নাড়াইতে পারতেছে না। পথিক ভাই তো পুরা দানবীয় শক্তিতে খেলতেছে। এই খেলা দেইখা প্লাবন ভাই কইতাসে যে ফাইনালে যাই নাই, ভালই হইসে। আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন। আমি তো অলরেডি ডরাইতাসি। ভাবতাসি ফাইনাল খেলুম, আমার হাত না ভাইঙ্গা যায়। বহুত কিচ্ছার পর ডানহাতের খেলা ড্র হইলো। আমি তো পুরা ডরে আছি। তারপর বামহাতে। আরে বাপ রে, বামহাতে একটানে পথিক ভাই জিতা গেল। আমি তো তখন পুরা চিপায়। আমারে নাকি ফাইনাল এ খেলতেই হবে। কি আর করার। বাধ্য হয়ে খেলতে লাগলাম। অবাক বেপার যে পথিক ভাই আমার কাছে পাত্তাই পেল না, কিন্তু বামহাতে উনাকে হারাতে আমি পুরা ঘাইম্মা গেসিলাম। যার, আমি তাইলে ঠিক আছি, আমার হাত ভাঙ্গে নাই তাইলে। হি হি হি। আসেন কিছু ছবি দেখি পাঞ্জা খেলার।

 

রেসলিং আর চরম উত্তেজনার মধ্যে উদযাপিত হল টিউনারপেজ এর আনঅফিসিয়াল মিটআপ

দানবীও শক্তিতে পথিক ভাই

 

রেসলিং আর চরম উত্তেজনার মধ্যে উদযাপিত হল টিউনারপেজ এর আনঅফিসিয়াল মিটআপ

সামদানি আর পথিক ভাই এর খেলা, রেফারি আমি।

 

রেসলিং আর চরম উত্তেজনার মধ্যে উদযাপিত হল টিউনারপেজ এর আনঅফিসিয়াল মিটআপ

গলা শুখিয়ে গেসে প্লাবন ভাই এর।

 

রেসলিং আর চরম উত্তেজনার মধ্যে উদযাপিত হল টিউনারপেজ এর আনঅফিসিয়াল মিটআপ

বিজয়ের শেষ হাসিটা আমি হাসলাম। হা হা হা।

 

খেলাধুলার পর সবাই কোঁক টোক খেলাম। এইবার বাসার দিকে যাবার পালা। হেব্বি মজা করলাম। যারা আসেন নাই, খালি আফসোস করেন। বলসিলাম, আসলে হাসবেন, না আসলে পস্তাইবেন।

 

একটি প্রস্তাব, আমাদের টিউনারপেজ চাচ্ছে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ করতে, অন্যান্য টেঁকি, নন টেঁকি ব্লগ এর সাথে। যে কোন ব্লজ্ঞিং কমিনিটি আমাদের সাথে খেলতে চাইলে খেলতে পারবেন। আর একাধিক দল হলে আমরা একটি টুর্নামেন্ট করতে আগ্রহী। আর বিজয়ীদের জন্য থাকবে টিউনারপেজ এর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার। আপনারা কেও আগ্রহী হলে নিচের নাম্বার এ যোগাযোগ করুন।

 

আহমেদ তানভীর 

01674294585

প্রযুক্তির বিশ্বে টিউনারপেজ হক আপনার নিত্যদিনের সাথী।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

22 মন্তব্য

  1. কি চাঁদাবাজ তানভীর কথা কন না ক্যা ? আমারে না জানায়া মিট আপ করলে চাঁদা নিতে যখন আইবেন তখন কিন্তু ছাগলের রশি দিয়া বাইন্দা থমু ।

  2. হা হা হা …………………ভিডিও গুলো দেখে চরম হাসলাম । কিন্তু এখন রাগের কথায় আসি…………………………”মিয়ারা লুকায়া লুকায়া জাম খান আর আমাদের জানান পরে” । না এটা মেনে নেওয়া যায় না । আমি কিন্তু যুদ্ধ ঘোষণা করে দিমু এর পর থেকে আমারে না জাইনাইলে । হু…………………….হু…………………………………হু………………………

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

three + 18 =