একটি মরমান্তিক অজানা খবর

2
2800

রাজধানির পুরান ঢাকার গেন্দারিয়া এলাকার হুমাইউন কবির নামের এক বাক্তির পালক মেয়ের জীবন নষ্ট করার কাহিনী যা এতদিন অজানা ছিল।মেয়েটির নাম শিলা।মেয়েটি যখন অনেক ছোট হুমাউন কবির সাহেব তাকে পালক নিয়ে আসে।তার কারন তখন হুমাইউন সাহেবের কোন সন্তান হচ্ছিল না। বেস কয়েক বছর পর নিজের সন্তানের মুখ দেখে।শুরু হয় শিলার জীবনের কষ্ট।হুমাইউন সাহেব তখন আর নিজের মেয়ে মনে করে না। শিলা ও জিদ করে তার বাবা মার কাছে ফিরে যায় না।সে চিন্তা করে কেমন বাবা মা তার যে অন্নের কাছে দিয়ে দিল।শিলা তখন থেকে হুমাইউন সাহেবের প্রথম কে পালতে শুরু করে।বড় করে।কযেক বছর পর হুমাউন সাহেবের আরেকটি সন্তান হয়।শিলা তাকেও পেলে বড় করে মানুষ করে। এইভাবে চলতে চলতে কখন যে শিলা হুমাইউন সাহেবের বাসার কাজের মেয়ে হয়ে যায় সে বুজতেও পারে না।বাসার সবাই ও শিলা কে কাজের মেয়ে হিসেবে দেখতে থাকে।এক সময় শিলা ও তা বুজতে পারে।শিলার পরা লেখাও বন্ধ হয়ে যায়। হুমাইউন সাহেব ও শিলার পরালেখা বন্ধ করে নিজের সন্তানদের পরা লেখা করিয়ে মানুষ করে।শিলা এই কষ্টের কথা কাওকে না বলে নিজের দুরভাগ্য কে মেনে কষ্ট পেতে থাকে।এইভাবে চলে যায় অনেক বছর।২০০৭,শিলার জীবন আলকিত করে আসে তার জীবনের সব কিছু তার ভালবাসার মানুষ।যার জন্য সে পথ চেয়ে থাকত,কেও একজন এসে তার জীবনের সব কষ্ট দূর করে দিবে।তার সপ্ন হয়।তার ভালবাসার মানুশটি তার জীবনের সব কষ্ট দুর করে দেয় অসীম ভালবাসা দিয়ে।শিলার জীবন আনন্দে ভরে জায়।এইভাবে চলতে থাকে অনেক বছর।শিলার এই খুশি তার পালক বাবা মার সহ্য হয় নাই।অতছ হুমাইউন সাহেবের বড় মেয়ে ভালবেশে বিয়ে করে।শিলাও তার ভালবাসার মানুশ টিকে গোপনে বিয়ে করে ফেলে যদি তার পালক বাবা মা না মানে এই জন্য।

একটি মরমান্তিক অজানা খবর

২০১০ শিলার জীবনে নেমে আসে কষ্টের অন্ধকার।তার তার পালক বাবা মা খুব বাজে একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তাকে জোর করে অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দেয়।শিলা কে বলা হয় সে বিয়ে না করলে তার ভালবাসার মানুশ কে মেরে ফেলার হমকি দেয়।শিলার ভালবাসার মানুষ টির সাথে যোগাযোগ বন্দ করে দেয়।ছেলেটি ও শিলাকে খুজ পায় না।অনেক দিন পর ছেলেটি জানতে পারে সব ঘটনা।তারপর থেকে ছেলেটি পাগলের মত হয়ে যায়।অসুস্থ হয়ে যায়।অসহনিও কষ্ট তার জীবনে নেমে আসে।কয়েক বার আত্ম-হত্যার পথ বেছে নেয় দুইজন এই।অনেক দিন পর শিলার সাথে তার ভালবাসার মানুষের মোবাইলে যোগাযোগ হয়।জান্তে পারে সব ঘটনা।এখনও তাদের সাথে যোগাযোগ হয় কিন্ত কান্না ছাড়া দইজনের মুখে আর কোন কথা নেই।শিলা ও দিন রাত শুধূ কান্তে থাকে।একদিন শিলার জীবনে আর বড় কষ্ট নেমে আসে।এমন এক জায়গায় বিয়ে দিয়েছে সেখান খার সব মানুশ প্লান করে শিলাকে drug মিশিয়ে জোর করে রেপ করা হয়।জোর করে বাচ্চা দিয়ে দেয়া হয়।শিলা আত্ত-হত্যার পথ বেছে নেয়।কিন্ত শিলা বেচে যায় তার ভালবাসার মানুষের দুআয়।শিলা কে সারাদিন করা পাহারায় রাখা হয়।তাকে দিন রাত মেনটালি টরচার করা হয়।সুযোগ পেলে শিলা তার ভালবাসার মানুষটির সাথে কথা বলে।এই কথার জন্যই বেচে আছে তারা।তারা জানে না তাদের কি হবে।হয়ত কষ্ট পেতে পেতে দুজন এই একদিন মরে যাবে।শিলার এখন বর্তমান ঠিকানা হচ্ছে শাহজানপুর এলাকার একটি বাসায় যেখানে তাকে আটকিয়ে রাখা হয়েছে।

2 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ