আপনি কি টিউশনি খুজছেন??

3
4351

আপনি কি টিউশনি খুজছেন??
আপনি যদি ভাবেন টিউশনি করে আর একটু ভাল করে ছাত্র জীবনটা কাটাবেন তাহলে আপনার জ্ঞানের ভান্ডারে আমার দেয়া তথ্যটুকু দয়া করে জমা করে রাখুন । আশা করি কাজে দিবে। নাহলে বলা যায় না আমাদের দেশে অপরাধীদের মধ্যে ইদানিং যে সৃজনশীলতা দেখা যাচ্ছে তাতে না আপনার জানটা নিয়েই টানাটানি শুরু হয়ে যায়।।
এতসব বাদ দিয়ে আসল কথায় আসি। কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে জানলাম তার এক বন্ধু যে ভাবে সমস্যায় এ পড়েছিল । টিউশনি খুঁজতে গিয়ে ওর (আমার বন্ধুর বন্ধু) এক নতুন অভিজ্ঞতার কথা। সে ঢাকায় এক প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ে। কিছুদিন ধরে ও টিউশনি খুঁজছিল ।অনেক চেষ্টার পরে টিউশনি না পেয়ে ও বনানীতে কয়েকটি জায়গায় “পড়াতে চাই” নামে কিছু অ্যাড লাগিয়েছিল। তো এরপরে ওর কাছে এক লোক ফোন করে বলে যে ওনার ভাগিনা ইংলিশ মিডিয়ামের স্টুডেন্ট, পড়াবে কি না?
অনেক চেষ্টার পরে টিউশনি না পেয়ে ও বনানীতে কয়েকটি জায়গায় “পড়াতে চাই” নামে কিছু অ্যাড লাগিয়েছিল। তো এরপরে ওর কাছে এক লোক ফোন করে বলে যে ওনার ভাগিনা ইংলিশ মিডিয়ামের স্টুডেন্ট, পড়াবে কি না?
ও পড়াতে চাইলে বলে “ঠিক আছে আপনি তাহলে আমার দুলাভাই এর সাথে পল্লবীতে(মিরপুর) এসে কথা বলেন।” এই কথা বলে ঐ লোক আর একজনের ফোন নাম্বার দেয় । পরে ঐ লোকের কথিত দুলাভাই এর সাথে আমার বন্ধু কথা বলে দেখার করার জন্য সময় নেয় গত রবিবার । ওর ক্লাস থাকার কারনে ও সন্ধ্যার দিকে দেখা করতে চাইলে ঐ লোক তখন বলে “আমি তো সন্ধ্যার দিকে বাসায় থাকব না ।আপনি তাহলে একটু কষ্ট করে মিরপুর ১ এ আসেন , ঐখানে আমার ছোট ভাইয়ের দোকান আছে সে আপনাকে বাসায় নিয়ে আসবে।”
এরপর সময় মত আমার বন্ধু দেখা করতে গেলে ওকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অলিগলি ঘুরিয়ে বোটানিকাল গার্ডেন এর পাশে অন্ধকার একটা জায়গায় নিয়ে যায়। এরপরই শুরু হয় তাদের টিউশনি দেয়ার আসল কাহিনী। তারা আমার বন্ধুকে বলে “ভাই আমরা তো আপনাকে এখানে মেরে ফেলব। টাকা পয়সা মোবাইল কি কি আছে দিয়ে দেন। “তারা ওখানে ৩-৪ জন ছিল। বুদ্ধি করে আমার সে বলে ভাই মোবাইল নিলে নেন কোন সমস্যা নাই, আর ভাই টাকা পয়সা কিছু নাই আমার কাছে, থাকলে তো আর টিউশনি খুঁজতে আসতাম না। এই রকম উল্টা পাল্টা বুঝায় ও কোন রকমে রক্ষা পেয়ে চলে এসেছে। আর ভাগ্যটাও খুব ভালো ছিল কারন পকেটে তো টাকা কিছু ছিলই না ,সাথে যে মোবাইলটা ছিল সেটাও তিন বছর পুরান একটা চায়না সেট।
অনেকটা ভাগ্যের জোরে সেদিন ওর রক্ষা।
সবাইকে আমার এই ঘটনাটা বলার উদ্দেশ্য একটাই। যারা এইভাবে টিউশনি খুঁজছেন দয়া করে সবাই একটু সাবধান থাকবেন। আশা করি এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না।

আপনি যদি ভাবেন টিউশনি করে আর একটু ভাল করে ছাত্র জীবনটা কাটাবেন তাহলে আপনার জ্ঞানের ভান্ডারে আমার দেয়া তথ্যটুকু দয়া করে জমা করে রাখুন । আশা করি কাজে দিবে। নাহলে বলা যায় না আমাদের দেশে অপরাধীদের মধ্যে ইদানিং যে সৃজনশীলতা দেখা যাচ্ছে তাতে না আপনার জানটা নিয়েই টানাটানি শুরু হয়ে যায়।।
এতসব বাদ দিয়ে আসল কথায় আসি। কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে জানলাম তার এক বন্ধু যে ভাবে সমস্যায় এ পড়েছিল । টিউশনি খুঁজতে গিয়ে ওর (আমার বন্ধুর বন্ধু) এক নতুন অভিজ্ঞতার কথা। সে ঢাকায় এক প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ে। কিছুদিন ধরে ও টিউশনি খুঁজছিল ।অনেক চেষ্টার পরে টিউশনি না পেয়ে ও বনানীতে কয়েকটি জায়গায় “পড়াতে চাই” নামে কিছু অ্যাড লাগিয়েছিল। তো এরপরে ওর কাছে এক লোক ফোন করে বলে যে ওনার ভাগিনা ইংলিশ মিডিয়ামের স্টুডেন্ট, পড়াবে কি না?
অনেক চেষ্টার পরে টিউশনি না পেয়ে ও বনানীতে কয়েকটি জায়গায় “পড়াতে চাই” নামে কিছু অ্যাড লাগিয়েছিল। তো এরপরে ওর কাছে এক লোক ফোন করে বলে যে ওনার ভাগিনা ইংলিশ মিডিয়ামের স্টুডেন্ট, পড়াবে কি না?
ও পড়াতে চাইলে বলে “ঠিক আছে আপনি তাহলে আমার দুলাভাই এর সাথে পল্লবীতে(মিরপুর) এসে কথা বলেন।” এই কথা বলে ঐ লোক আর একজনের ফোন নাম্বার দেয় । পরে ঐ লোকের কথিত দুলাভাই এর সাথে আমার বন্ধু কথা বলে দেখার করার জন্য সময় নেয় গত রবিবার । ওর ক্লাস থাকার কারনে ও সন্ধ্যার দিকে দেখা করতে চাইলে ঐ লোক তখন বলে “আমি তো সন্ধ্যার দিকে বাসায় থাকব না ।আপনি তাহলে একটু কষ্ট করে মিরপুর ১ এ আসেন , ঐখানে আমার ছোট ভাইয়ের দোকান আছে সে আপনাকে বাসায় নিয়ে আসবে।”
এরপর সময় মত আমার বন্ধু দেখা করতে গেলে ওকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অলিগলি ঘুরিয়ে বোটানিকাল গার্ডেন এর পাশে অন্ধকার একটা জায়গায় নিয়ে যায়। এরপরই শুরু হয় তাদের টিউশনি দেয়ার আসল কাহিনী। তারা আমার বন্ধুকে বলে “ভাই আমরা তো আপনাকে এখানে মেরে ফেলব। টাকা পয়সা মোবাইল কি কি আছে দিয়ে দেন। “তারা ওখানে ৩-৪ জন ছিল। বুদ্ধি করে আমার সে বলে ভাই মোবাইল নিলে নেন কোন সমস্যা নাই, আর ভাই টাকা পয়সা কিছু নাই আমার কাছে, থাকলে তো আর টিউশনি খুঁজতে আসতাম না। এই রকম উল্টা পাল্টা বুঝায় ও কোন রকমে রক্ষা পেয়ে চলে এসেছে। আর ভাগ্যটাও খুব ভালো ছিল কারন পকেটে তো টাকা কিছু ছিলই না ,সাথে যে মোবাইলটা ছিল সেটাও তিন বছর পুরান একটা চায়না সেট।
অনেকটা ভাগ্যের জোরে সেদিন ওর রক্ষা।
সবাইকে আমার এই ঘটনাটা বলার উদ্দেশ্য একটাই। যারা এইভাবে টিউশনি খুঁজছেন দয়া করে সবাই একটু সাবধান থাকবেন। আশা করি এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না।

3 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ