কেন ব্রাউজার গুগল ক্রোমকেই বেশী ভাল লাগে...

13
332
কেন ব্রাউজার গুগল ক্রোমকেই বেশী ভাল লাগে...

এলেবেলে

রাফি আল মাহমুদ। ব্লগিং করতে ভালই লাগে, কিন্তু আলসেমীর জন্য লেখা হয়না তেমন একটা। সামু আর টেকটিউন্সের অনিয়মিত ব্লগার। মানুষটাই এলেবেলে...তাই কথাবার্তাও বেড়াছাড়া।
কেন ব্রাউজার গুগল ক্রোমকেই বেশী ভাল লাগে...

প্রাইমারী ব্রাউজার হিসেবে ফায়ারফক্স ব্যবহার করেছি প্রায় পাঁচবছরেরও বেশি সময়। কিন্তু গুগল ক্রোম রিলিজের পর ধীরে ধীরে সরে আসলাম সেই পুরনো প্রেম আগুনশিয়াল থেকে। গুগলের বেশীরভাগ প্রোডাক্টের মতই এর বানানো ব্রাউজার- গুগল ক্রোম এক কথায় অ-সা-ধা-র-ন! ভাল লাগার কারণ অবশ্যই আছে, তার মধ্যে কয়েকটা বলি-

স্পিডঃ গুগল ক্রোমের মূল আকর্ষন এর গতি। ব্রাউজার ওপেন হওয়া কিংবা ব্রাউজিং এর সময় পেজ রেন্ডারিং সবকিছুতেই গতিময় গুগল ক্রোম! নিজের চোখকে বিশ্বাস হচ্ছেনা? তাহলে পিসি ওয়ার্ল্ড, লাইফহ্যকার কিংবা সিনেট এর মত জায়ান্টদের ব্রাউজার বেঞ্চমার্কিং রেজাল্ট দেখে আসুন। প্রমান পেয়ে যাবেন স্পিডের ক্ষেত্রে গুগল ক্রোমই সেরা!

এক্সটেনশনঃ শুরুতে ফায়ারফক্সের অনেক এডঅন গুগল ক্রোমে পাওয়া যেত না। এখন দিন বদলেছে, ফায়ারফক্সের সব জনপ্রিয় এডঅনগুলো চলে এসেছে গুগল ক্রোমের এক্সটেনশন গ্যালারীতে। মজার ব্যাপার হল,এই এক্সটেনশনগুলোর ব্যবহার শুরু করতে ইন্সটলের পর ফায়ারফক্সের মত ব্রাউজার রিস্টার্ট করার দরকার পড়েনা। বরং ইন্সটল করার পর সাথে সাথেই ব্যবহার করা যায় :)

চেহারাঃ গুগল ক্রোমের চেহারা পরিষ্কার, সহজবোধ্য ইন্টারফেস। অযথা টুলবার কিংবা ভুংভাং অপ্রয়োজনীয় মেনুর বাগাড়ম্বর নেই!  ক্রোমের এই সহজ আর সিম্পল ইন্টারফেসের ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেখে সে পথে হাঁটতে রীতিমত বাধ্য হয়েছে অন্যান্য ব্রাউজারগুলো। একটু খেয়াল করলেই ধরতে পারবেন, গুগল ক্রোমের আদলেই ডিজাইন করা হয়ছে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৯ আর ফায়ারফক্স ৪ :P তারপরও ক্রোমে যেমন ট্যাবগুলো নিয়ে রীতিমত খেলা করা যায়, অন্যান্য ব্রাউজারগুলোতে এই সুবিধা এখনও ততটা উন্নত পর্যায়ের নয়।

রিসোর্স ব্যবহারঃ গুগল ক্রোম নূন্যতম সিপিউ পাওয়ার আর র‍্যাম ব্যবহার করে সিস্টেম রিসোর্সের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি মোটেই ফায়ারফক্সের মত র‍্যামখাদক নয়।

গুগল ক্রোম ব্রাউজার ডাউনলোড করতে পারবেন এখান থেকে-  http://filehippo.com/download_google_chrome/

13 মন্তব্য

    • ক্র্যাশ সমস্যার সমাধানে বেটার পরিবর্তে স্ট্যাবল ভার্সন ব্যবহার করেন। আর আপনার র‍্যাম যদি অপ্রতুল হয় তাহলেও বেশি ট্যাব খোলায় ক্র্যাশ করার সম্ভাবনা থাকে। আমি নিজে ৩০-৩৫টা ট্যাব খুলে কাজ করি, কই আমার তো কখনোই ক্যাশ করেনা।

    • কমেটবার্ড মৌলিক কোন ব্রাউজার নয়। মজিলার উন্মুক্ত সোর্স কোডের সাথে আরও কিছু টুইকিং করে এবং সাথে বিল্টইন কিছু এডঅন, আইকন যোগ করে কমেটবার্ড তৈরী। ফায়ারফক্সের চেয়ে লাইটওয়েট হলেও এটিকে ফায়ারফক্স থেকে আলাদা ভাবাটা হাস্যকর একটা ব্যাপার। মুলত মজিলা ফায়ারফক্স আছে বলেই কমেটবার্ডের অস্তিত্ব আছে…ফায়ারফক্স যেখানে নতুন ব্রাউজার ইঞ্জিন নিয়ে ভার্সন ৪ এ চলে গেছে, সেখানে আপনার কমেটবার্ড এখনও সেই 3.6.16 ভার্সনেই বসে আছে (এটা সেই পুরানো ফায়ারফক্স 3.6.16 এর কোডের উপর বেস করেই তৈরী)!!!!

      আরেকটু বুঝিয়ে বলি- ধরুন বাজার থেকে রহমত আলী নামের জনৈক ভদ্রলোক এক বোতল প্রানের আমের আচার কিনে সেটায় কিছু শুকনা মরিচ আর গোলমরিচ ফেলে ঝাল বাড়িয়ে দিয়ে “রহমত আলির প্রাণের আচার” নামে বাজারে ছাড়ল। এখন যারা একটু বেশী ঝাল পছন্দ করে তাদের কাছে অরিজিনাল প্রাণের আচারের চাইতে রহমত আলীরটাই বেশী পছন্দ হবে। এইটা দোষের কিছুনা…তাই বলে কেউ যদি প্রাণ কোম্পানীর নাম উচ্চারণ না করে রহমত আলীর আচারকেই সেরা দাবী করে তাকে মাথায় তুলে নাচে তাহলে ঘটনাটা কেমন দাঁড়ায়? আপনার কি মনে হয়না ব্যাপারটা খুবই হাস্যকর?!

একটি উত্তর ত্যাগ