ধারাবাহিক ভাবে কম্পিউটার সমন্ধে এক্সপার্ট হন, একদম নতুনদের জন্য [পর্ব-০১]কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের পরিচিতি

0
697

কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের পরিচিতি

পরম করুনাময় আল্লাহ্ এর নামে শুরু করলাম

আসসালামু আলাকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন, আমি ও আমরা আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহ্র অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছি। তবে আর কথা বাড়িয়ে লাভ কি? বেশি কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।

আমি ভেবেছি অনেক নতুন ভাইয়েরা আছে যারা নতুন পিসি কিনেছে এবং নতুন ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করেছে তাই তারা অনেক কিছুই যানে না, আমরা যা যনি তারা এথেকে অনেক পিছিয়ে আছে তাই তাদেরও আমাদের সাথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার এই উদ্দেগ্য, তাই আমি বাংলা টিউটোরিয়াল ধারাবাহিক ভাবে সবার সাথে শেয়ার করতে চাই এক এক পর্বে একএকটা কাজ নিয়ে আলোচনা হবে। তাহলে আজ পরম করুনাময় আল্লাহ্ এর নামে আজ শুরু করি।

@    সূচনা ; Introduction
একবিংশ শতাব্দীর অত্যাধুনিক বিজ্ঞানের যুগে এ কথা অনস্বীকার্য যে, আমাদের অতি প্রয়োজনীয় এই কম্পিউটার নামের যন্ত্রটি আধুনিক বিশ্বের বিজ্ঞানের এক বিষ্ময়কর আবিষ্কার। সাধারন মানুষের কাছে এটা একটা সাদামাটা ক্যালকুলেটর, যা স্বয়ক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। কিন্তু একজন দ প্রযুক্তিবিদের নিকট কম্পিউটার হচ্ছে একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস; যা তথ্য গ্রহন করে নির্দেশনার মাধ্যমে সেই তথ্যকে প্রসেস করে সমস্যা সমাধান করে এবং তা সংরণ করে রাখে।

@   কম্পিউটার কি ? অথবা, কম্পিউটারের সংজ্ঞা দাও।

কম্পিউটার একটি বহুমূখী কাজের মতা সম্পন্ন ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র যার মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত গ্রহন, বিন্যাস ও বিশ্লেষণ করার পর ঐ তথ্য উপাত্তকে ডিস্কে বা স্মৃতিতে সংরণ করা হয়। এবং প্রয়োজনে সমস্ত তথ্যাদি ব্যবহার করে কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যায়।
সহজ কথায় ঃ  কম্পিউটার একটি ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র। কম্পিউট (C0mpute) শব্দের অর্থ গণনা করা। অতএব শাব্দিক অর্থ বিবেচনায় যে যন্ত্র গণনার কাজ করে তাকেই বা সেই যন্ত্রকেই কম্পিউটার বলে।
ইংরেজীতে কম্পিউটারের সংজ্ঞা ;

Computer is automatic problem solving machine whose main purpose is data processing or processing information and which is represented electrically.
উৎপত্তিগত অর্থে ল্যাটিন শব্দ Computer অর্থই গণনা করা। সে অর্থে Computer মানেই গণনাকারী যন্ত্র। যদিও কম্পিউটারের আবিষ্কার হয়েছে গণনাকারী যন্ত্র হিসেবে কিন্তু আধুনিক কম্পিউটার শুধু গণনা কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কম্পিউটার এখন গবেষনা থেকে শুরু করে গৃহস্থলী কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে।
@   কম্পিউটারে তথ্য নির্দেশ দেওয়া ঃ
কম্পিউটার কিন্তু নিজে কিছুই করতে পারে না। কম্পিউটারকে সঠিক ভাবে নির্দেশ দিলে সে সেই কাজটি করে দেয়। আর নির্দেশ দেওয়ার জন্য আমরা কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত কী-বোর্ড এবং মাউসকে ব্যবহার করে থাকি।
@  একটি কম্পিউটার বাইরের দিক থেকে আমরা চারটি জিনিষকে দেখতে পাই। যেমন ঃ
(১) কী-বোর্ড (Key-Board) এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। এর সাহায্যে আমরা টাইপ করে কম্পিউটারকে তথ্য  নির্দেশ দিতে পারি
(২) মাউস (Mouse) এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। এর সাহায্যে আমরা কম্পিউটারকে তথ্য  নির্দেশ দিতে পারি।
(৩) সিপিইউ (CPU) এই অংশে কম্পিউটারকে দেয়া তথ্য নির্দেশ প্রক্রিয়াজাত করণ করে। এর ইংরেজী অর্থ হলো- C = Central , P = Processing, U = Unit    একসঙ্গে Central Processing Unit বাংলায় কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াজাত করণ এলাকা।
(৪) মনিটর (Monitor) এটি একটি আউটপুট ডিভাইস। এই অংশে ফলাফল প্রদর্শণ করে।

@   কম্পিটারের কার্যপ্রণালীকে মোটামুটি দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
(১) ইনপুট ইউনিট ঃ নির্দেশ গ্রহন এলাকা। এই এলাকার মধ্যে পড়ে কী-বোর্ড ও মাউস।
(২) আউটপুট ইউনিট ঃ ফলাফল প্রদর্শন এলাকা এই এলাকার মধ্যেপড়ে সিপিইউ এবং মনিটর।

@   ইনপুট ডিভাইস ঃ
কম্পিউটারের সাথে মানুষের যোগাযোগ রা করাই হচ্ছে ইনপুট ডিভাইসের কাজ। যে কোন ধরনের ডাটাকে বাইনারী ইক্ট্রোনিক্স সিগন্যাল ( জিরো এবং ওয়ান) এ পরিণত করে সিপিইউ-এ পাঠানো হয়। কারণ সিপিইউ এই (০, ১) ছাড়া অন্য কোন কিছু বুঝতে পারে না।

@   আউটপুট ডিভাইস ঃ
ইনপুট ডিভাইস হতে আসা ইলেক্ট্রনিক্স সিগন্যালগুলোকে মানুষের অনুভবগম্য চিত্র ভিত্তিক, বর্ণমালা ভিত্তিক, অংক ভিত্তিক, শব্দ ও ছবি ভিত্তিক ইত্যাদি আকৃতিতে পরিণত করে থাকে।

@   কম্পিউটারে নির্দেশের গুরুত্ব ঃ
কম্পিউটারে নির্দেশের গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিক নির্দেশনাই কেবল পারে সঠিক ফলাফল প্রদর্শন করতে। ভূল নির্দেশ দিলে ভূল ফলাফল প্রদর্শন করবে সেটাই স্বাভাবিক। ভূল নির্দেশনা মারাত্মক বিড়ম্বনার সৃষ্টি হতে পারে।

@   কম্পিউটার কি কি কাজ করে ?
কম্পিউটার মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। যেমন,
(১) ইহা ইনপুট ডিভাইস দ্বারা সংখ্যা বা শব্দ এবং নির্দেশ গ্রহন করে।
(২) নির্দেশনার মাধ্যমে ডাটা বা তথ্য উপাত্ত প্রসেস করে।
(৩) ফলাফল আউটপুট ডিভাইসে প্রেরণ করে।
(৪) প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটা বা তথ্য উপাত্ত সংরন এবং  মেমোরী বা স্মৃতি ভান্ডার থেকে উত্তোলন      করে থাকে।

@   কম্পিউটারের প্রকারভেদ ঃ
কম্পিউটারকে প্রধানতঃ ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ
(১) ডিজিটাল কম্পিউটার, (২) এনালগ কম্পিউটার, (৩) হাইব্রিড কম্পিউটার।
ডিজিটাল কম্পিউটারকে অবার ৪টি ভাগে ভাগ কার হয়েছে। যেমনঃ
(১) সুপার কম্পিউটার,(২) মেইন ফ্রেম কম্পিউটার, (৩) মিনি কম্পিউটার, (৪) মাইক্রো কম্পিউটার।

@   কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ঃ
(১) সিপিইউ (২) মনিটর (৩) কী-বোর্ড (৪) মাউস (৫) মাউসপ্যাড (৬) প্রিন্টার (৭) ডিস্ক (৮) স্পীকার (৯) মডেম (১০) স্ক্যানার ইত্যাদি।

@   কী-বোর্ড পরিচিতি ঃ

Keyboard ধারাবাহিক ভাবে কম্পিউটার সমন্ধে এক্সপার্ট হন, একদম নতুনদের জন্য [পর্ব-০১]কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের পরিচিতি
কী-বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১টি বা কোন কোন কী-বোর্ডে ১০২টি কী আছে। ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কী-বোর্ডকে মোটামুটি ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়।
(১) ফাংশন কী।
(২) অ্যারো কী।
(৩) আলফা বেটিক কী।
(৪) নিউমেরিক কী বা লজিক্যাল কী।
(৫) বিশেষ কী।
@ ফাংশন কী ঃ
কী বোর্ডের উপরের দিকে বাম পার্শ্বে F1  থেকে F12  পর্যন্ত যে কী গুলো আছে এদরকে ফাংশন কী বলে। কোন নির্দিষ্ট কাজ করা যায় বলে একে ফাংশন কী বলে। যেমন কোন প্রোগ্রামের জন্য help, অথবা কোন প্রোগ্রাম রান করানো ইত্যাদি কাজে এই কী এর ব্যবহার করা হয়।

@ অ্যারো কী ঃ
কী বোর্ডের ডান দিকে নিচে পৃথক ভাবে চারটি কী আছে। কোন কোন কী বোর্ডে উপরের দিকেও থাকে। কীগুলোর উপরে অ্যারো বা তীর চিহ্ন দেওয়া থাকে। যা দিয়ে খুব সহজেই কার্সরকে ডানে, বামে, উপরে এবং নীচে সরানো যায়। এগুলিকে আবার এডিট কীও বলে। কারণ টেক্স এডিট করার কাজেও এ কীগুলো ব্যবহার করা হয়।

@ আলফা বেটিক কী ঃ
কী বোর্ডের যে অংশে ইংরেজী বর্ণমালা A  খেকে Z পর্যন্ত অরগুলো সাজানো থাকে সেই অংশকে আলফাবেটিক সেকশন/অংশ বলে।

@ নিউমেরিক কী বা লজিক্যাল কী ঃ
কীবোর্ডের ডানদিকে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা লেখা যে কীগুলো রয়েছে তাকে নিউমেরিক কী বলে। এখানে +, -,  *, / প্রভৃতি অ্যারিথমেটিক অপারেটর থাকে। এছাড়াও  <, >, = লজিক্যাল অপারেটরগুলো কী বোর্ডে থাকে।
@ বিশেষ কী ঃ
উল্লেখিত কী গুলো ছাড়া কী-বোর্ডের অন্যান্য কী সমূহ কোন না কোন  বিশেষ কার্য সম্পাদন করে বলে  এদেরকে বিশেষ কী বলা হয়। নিম্নে বিশেষ কী সমূহ সম্পর্কে সংপ্তি বর্ণনা দেওয়া হলো।

@ Esc : এই কী এর সাহায্যে কোন নির্দেশ বাতিল করতে হয়।

@ Tab :  পর্দায় প্যারাগ্রাফ, কলাম, নম্বর, অনুচ্ছেদ শুরুর স্থান ইত্যাদি প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তুতের জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়।

@ Caps Lock : এই কী ব্যবহার করে ইংরেজী ছোট হাতের ও বড় হাতের লেখা টাইপ করা হয়।

@ Shift : একই ওয়ার্ডের মধ্যে বা শুরুতে বড় ও ছোট অর টাইপ করতে এই কী ব্যবহার করা হয়। যেমন : Dhaka, Khulna শব্দ দু’টি লিখতে প্রথম অরে শিফ্ট কী চেপে ধরে এবং পরের অর গুলো শিফ্ট কী ছেড়ে দিয়ে লিখতে হবে। আর বাংলা অর বা বর্ণমালা লেখার েেত্র অর বিন্যাস্ত কী এর উপরের ও নীচের লেখা টাইপের জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়। এছাড়া শিফ্ট কী এর সাথে ফাংশন কী চেপে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড দেওয়া হয়।

@ Ctrl : এই কী এর সাথে বিশেষ কী একসাথে চেপে কমান্ড দেওয়া হয়। ব্যবহারকারীর সুবিধার জন্য কীবোর্ডের ডানে ও বামে এই কী ২টি থাকে।

@ Alt : বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়ার জন্য এই কী ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন কমান্ড তৈরী করা যায়।

@ Enter : কম্পিউটারকে কোন নির্দেশ দিয়ে তা কার্যকর করতে এই কী ব্যবহার হয়। লেখা লেখির জন্য নতুন প্যারা তৈরী করতেও এই কী ব্যবহার করা হয়।

@ Pause Break : কম্পিউটারে কোন লেখা যদি দ্রুত গতির জন্য পড়তে অসুবিধা হয় তা হলে এই কী চেপে তা পড়া যায়।

@ Print Screen: কম্পিউটারের পর্দার দৃশ্যত যা কছিু থাকে তা সব প্রিন্ট করত চাইলে এই কী ব্যবহার করতে হয়।

@ Delete : কোন বাক্য, অর বা কোন লেখাকে মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়।

@ Home : এই কী ব্যবহার করে কার্সারকে পাতার প্রথমে আনা হয়।

@ End : এই কী চাপলে কার্সার বা পয়েন্টার যেখানেই থাকুক না কেন টেক্স বা পাতার শেষে চলে আসবে।

@ Page Up : এই কী ব্যবহার করে কার্সারকে উপরের দিকে উঠানো হয়।

@ Page Down : এই কী ব্যবহার করে কার্সারকে নীচের দিকে নামানো হয়।
@ Insert :  কোন লেখার মাঝে কোন কিছু লিখলে তা সাধারণত লেখার ডান দিকে লেখা হয়, কিন্তু এই কী চেপে লিখলে তা পূর্ববর্তী বর্ণের উপরে ওভার রাইটিং হয়। কাজ শেষে আবার এই কী চাপলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

@ Back Space : কোন লেখার পিছনের অংশ মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়।

@ Space Bar : কী বোর্ডের কীগুলোর মধ্যে এই কী টি সবচেয়ে লম্বা কোন বাক্য লেখার সময় শব্দ গুলোর মাঝে ফাঁকা করার জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়।

@ Num Look : এই কী চাপা থাকলে ডান দিকের কী গুলো চালু হয়।

এছাড়া মাল্টিমিডিয়া কীবোর্ডে আরও ৪ টি কী থাকে যেমন ঃ
@ Stand by Mood : এই কী চেপে রাখলে কম্পিউটার চালু থাকবে কিন্তু মনিটর বন্ধ হয়ে যাবে।

@ Mail key : এই কী চেপে আউটলুক এক্সপ্রেস চালু হয় এবং তা দিয়ে মেইল পাঠানো যায়। তবে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে।

@ Web key : এই কী ব্যবহার করে সরাসরি ওয়েব ব্রাউজার ওপেন করা যায়। এবং ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যায়।

@ Start Menu key: এই কী চেপে ষ্ট্যাট মেনু ওপেন করা যায় এবং প্রয়োজনীয় কমান্ড করা যায়।

কম্পিউটারের উইন্ডো পরিচিতি ;

কিভাবে কম্পিউটার ওপেন করা হয় ?
প্রথমে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের সাথে সংযোগ তার গুলো পরীক্ষা করে নিন সব ঠিকভাবে লাগানো আছে কিনা। এবার বিদ্যুৎ সংযোগ কেবলগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ করুন, মনিটারের পাওয়ার সুইচ ওপেন করুন। এরপর সিপিইউ এর পাওয়ার সুইচ ওপেন করুন। যতক্ষণ পর্যন্ত সিপিইউ এর এন্টিগেটর ভাল্ব মিট মটি করে জ্বলতে থাকবে ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। লাল এন্টিগেটর বাতি মিট মিট করা বন্ধ হলে বুঝতে হবে কম্পিউটার পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু হয়েছে। অর্থাৎ আমরা মনিটরের পর্দায় উইন্ডোজ বা খোলা জানালায় প্রদর্শিত দৃশ্য দেখতে পাব।

    কিভাবে কম্পিউটার বন্ধ করা হয় ?F
কম্পিউটারে কাজ শেষে বা যে কোন কারণে কম্পিউটারর বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে যাবতীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করে নিতে হবে। তারপর খোলা জানালা বা উইন্ডোজের নীচে বাম পাশে Start  লেখা অংশে মাউসের পয়েন্টার নিয়ে ক্লিক করলে একটি মিনি পর্দা আসবে যেখানে অনেকগুলো অপশন লেখা থাকবে। সবচেয়ে নীচে ডানদিকে Turn off লেখা একটি অংশ দেখা যাবে। ঠিক ঐ অংশে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করলে খোলাজানালায় অন্য একটি মিনি পর্দা আসবে যেখানে  Stand by, Turn off  এবং  Restart নামের তিনটি অপশন দেখা যাবে। এখান থেকে Turn off এর উপর ক্লিক করলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর সকল বিদ্যুৎ সংযোগগুলো খুলে ফেলতে হবে বা A/C Off করে দিলেও চলবে।

   উইন্ডোজ কি ?F
উইন্ডোজ শব্দের অর্থ খোলা জানালা। উইন্ডোজ হচ্ছে ডস ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিষ্টেসের নাম। ডসকে মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করেই উইন্ডোজ অপারেটিং সিষ্টেম কাজ করে। পিসির পরিবেশে বা মেকিনটোস পর্দায় খালি জায়গাসহ উপরে- নিচে এবং ডানে- বামে সবটুকু অংশ মিলেই উইন্ডোজ। খোলা জানালা দিয়ে যেমন ঘরের ভিতরের জিনিষপত্র দেখা যায়, তেমনি কম্পিউটারের পর্দায় কোন একটি ফাইলের অংশ বিশেষ উইন্ডোজ বা খোলা জানালা দিয়ে দেখা যায়। এটি একটি অপারেটিং সফটয়ারের নাম। বিশ্বখ্যাত মাইক্রোসফট কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা বিল গেইটস এর অবিষ্কারক।

    আইকন কি ?F
আইকন শব্দের অর্থ প্রতীক বা ছবি। কম্পিউটার চালু করলেই এর খোলা জানালায় বিভিন্ন ধরনের ছোট ছোট যে চিত্র বা ছবি দেখা যায়, এদের প্রত্যেকটিই এক একটি আইকন। উইন্ডোজের উপর বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনের সাথে সম্পর্ক যুক্ত আইকন থাকে। এই আইকনের উপর মাউসের পয়েন্টার নিয়ে ডবল ক্লিক করলেই সেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে য়াবে। প্রতিটি আইকনের নীচে এ্যাপ্লিকেশনের নাম লেখা থাকে।

ওয়ার্ড প্রসেসিং Microsoft Word 

   FMicrosoft Word  কি ?
একটি  এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের নাম। যে সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিটারে লেখা লেখির কাজ করা হয় তাকেই Microsoft Word  বলে।
    FMicrosoft Word  প্রোগ্রাম ওপেন করার নিয়ম ঃ
Start Menu তে কিক করে তারপরAll Programs-এ কিক করলে অনেকগুলো অপশনের নাম আসবে। অর্থাৎ কম্পিউটারের যে সব এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারগুলো দেওয়া আছে তা দেখাবে। এখান থেকে Microsoft Word এর উপর কিক করতে হবে তাহলে পর্দায় লেখার উপযোগি একটি সাদা পাতা প্রদর্শিত হবে। এছাড়া উইন্ডোজের উপরের অংশে ডান কোনায় শর্টকার্ট মেনু থেকে Word এর আইকনে ক্লিক করেও ওপেন করা যায়( যদি শর্টকার্ট বার বা মেনু ইনষ্টল করা থাকে)। এছাড়া কী বোর্ড শর্টকার্ট তৈরী করে নেয়া যায় এবং তা ব্যবহার করে দ্রুত ওপেন করা যায়।
    Microsoft Word   প্রোগ্রাম বন্ধ করার নিয়ম ঃF
 প্রতীকের উপর কিক করেও প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।TMicrosoft Word  প্রোগ্রাম বন্ধ করার বিভিন্ন নিয়ম বা পদ্ধতি আছে। প্রথমত: মেনু বারের ফাইল মেনুতে ক্লিক করে মেনুস্থ Exit লেখা অপশনে কিক করবো এ ক্ষেত্রে পর্দায় একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে এবং এই বক্সের লেখাটি জানতে চায় ফাইল বন্ধ করার পূর্বে আমরা ডকুমেন্ট সেভ পরিবর্তন করবো কিনা। এর ঠিক নীচে Yes/ No দু’টো অপশন থাকবে, এর যে কোনটি চাপলে অর্থাৎ সেভ পরিবর্তন করতে চাইলে Yes আর পরিবর্তন করতে না চাইলে No তে ক্লিক করলে প্রোগ্রাম ফাইল বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও টাইটেল বারের ডান পাশের
    FTitle Bar (টাইটেল বার)
 কোজ বক্স। মিনিমাইজ বক্স এ মাউসের ক্লিক করলে চলতি প্রোগ্রামটি উইন্ডোজের নিচে ষ্ট্যাট মেনু বারে চালু অবস্থায় মিনিমাইজ হয়ে থাকবে আবার নিচের সঞ্চিত ঐ বক্সে ক্লিক করলে পুণরায় তা পর্দায় ভেসে উঠবে। ম্যাক্সিমাইজ বক্স এ মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে পাতা ছোট বড় করা যায়। ক্লোজ বক্স এ কিক করে ডকুমেন্ট ক্লোজ করা যায়।T ম্যাক্সিমাইজ ও o মিনিমাইজ, o এ ধরনের প্রতীক বিশিষ্ট আরও তিনটি অপশন থাকে যেমন, T ooMicrosoft Word সহ উইন্ডোজের যে কোন প্রোগ্রাম ওপেন করলে পর্দার একেবারে উপরে আড়াআড়ি যে লম্বা লাইন দেখা যায় এবং যাতে চলতি প্রোগ্রামের নাম লেখা দেখা যায় তাকে টাইটেল বার বলা হয়। এছাড়া এই বারের একেবারে ডান পাশে
    FMenu Bar ( মেনু বার)
টাইটেল বারের নীচে একটি লম্বা লাইন বা বার থাকে, যেখানে File, Edit, View, Insert, Format, Tools, Table, Window, Help লেখা বার বা লাইনকে Menu Bar বলে। মেনুর নামের উপর মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি ওপেন হবে। ওপেন হওয়া মেনু বক্সকে পলডাউন মেনু বলে।
 File : File নামের মেনুতে ক্লিক করে New, Open, Close, Save, Save as, Save as web page, Page setup, Print Previw, Print, Exit ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।±
 New এর উপর মাউসের ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+N চেপে কমান্ড দিলে নতুন ডকুমেন্ট পাতা খুলবে এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী করা যাবে।±
 Open মেনুতে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+O কমান্ড দিয়ে সেভ করা ফাইল দেখা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।±
 Close মেনুতে ক্লিক করে ফাইল বন্ধ করা যায়।±
 Save মেনুতে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+S কমান্ড দিয়ে ফাইল সেভ করা যায়। কোন ফাইল বা ডকুমেন্ট সেভ করতে কমান্ড দিলে একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে সেখানে জানতে চাইবে ফাইলটি কি নামে সেভ হবে। এক্ষেত্রে নাম সিলেক্ট করে দিয়ে সেভ করতে হবে।±
 Save as   মেনুতে কিক করে ফাইল প্রটেক্ট করা যায়। এছাড়া  Save as web page মেনুতে ফাইলটি ওয়েভ পেজের জন্য সেভ করা যায়।±
 Page setup মেনুতে ক্লিক করে পাতার সাইজ, স্কেল ইত্যাদি পরিমাপ করে নেয়া যায়।±
 Print Previw মেনুতে কিক করে ডকুমেন্টটি প্রিন্টিং করা হলে কি আকারে প্রিন্ট হবে তা দেখা যায়।±
 Print মেনুতে কিক করে অথবা কীবোর্ড থেকে Ctrl+P কমান্ড দিয়ে ডকুমেন্টটি প্রিন্ট করা যায়।±
 Exit মেনুতে ক্লিক করে ফাইল বা ডকুমেন্ট কোজ করা যায়।±

 Edit : Edit নামের মেনুতে ক্লিক করে Undo Typing, Repeat typing, Cut, Copy, Paste, Clear, Select All, Find, Replace, Go to ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।8
 Undo Typing : কোন ডকুমেন্ট মুছে ফেলার পর পুণরায় ফেরত পেতে সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+Z কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±
 Repeat Typing/Redo : মুছে ফেলা কোন ডকুমেন্ট পুণরায় ফেরত পেতে সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+Y কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±
 Cut : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ Cut করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+X কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±
 Copy : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ Copy :করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+C কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±
 Paste : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ কপি করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই Paste মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+V কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±
 Clear : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ মুছে ফেলার জন্য সাধারণত: এই Clear মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে কাজটি করা যায়।±
 Select All : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ মুছে ফেলার জন্য বা অন্য কোথাও স্থানান্তর বা বিশেষ কোন কাজ করতে চাই তাহলে এই Select All  মেনু ব্যবহার করে তা করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+A কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±
 Find : কোন ডকুমেন্ট এর ভিতরের কোন শব্দ বা অর খুঁজতে এই Find মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে Find মেনুতে কিক করে ডায়ালগ বক্সে কি খুজতে চাই তা লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±
 Replace : কোন ডকুমেন্ট এর ভিতরের কোন শব্দ বা অর পরিবর্তন করতে বা নতুন কোন শব্দ বা অর সংযোজন করতে এই Replace মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Replace  মেনুতে কিক করে ডায়ালগ বক্সে যে শব্দটি পরিবর্তন করতে চাই তা লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±
 Go to : অনেক গুলো পাতার ডকুমেন্ট এ এক পাতা থেকে অন্য পাতায় দ্রুত যেতে এই Go to  মেনু ব্যবহার করে তা করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে ডায়ালগ বক্সে পাতা নং লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।±

 View : View নামের মেনুতে কিক করে Normal, Web Layout, Print Layout, Outline, Ruler, Document Map, Header and Footer, Ful Acreen, Zoom ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।8
 Normal : Outline Page Layout পর্দায় উপস্থিত থাকলে তা পরিবর্তন করতে বা স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Normal মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।±
 Web Layout : পর্দার চারপাশে মার্জিন তৈরী করতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Web Layout  মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।±
 Print Layout : পর্দায় Print Layout  অবস্থানে আনতে বা দেখতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Print Layout :মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।±
 Outline : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজের প্রতিটি ল±াইনে বিশেষ কোন প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করতে চাই তাহলে এই মেনুতে মাউসের পয়েন্টার নিয়ে কিক করলে ডকুমেন্টের প্রতিটি লাইনে বিশেষ চিহ্ন চলে আসবে।
 Ruler :ডকুমেন্ট পেজের পাশে Ruler  আনতে চাইলে এই মেনুতে কিক করে তা করা যাবে। আবার Ruler  অদৃশ্য করতে হলে পুণরায় জঁষবৎ মেনুতে কিক করলে তা অদৃশ্য হয়ে যাবে।±
 Document Map : ডকুমেন্ট পেজটিকে আমরা যদি Document Map আকারে দেখতে চাই তাহলে এই Document Map : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে।±
 Header and Footer : ডকুমেন্ট পেজের উপরে অংশকে Header এবং নীচের অংশকে Footer : বলে। আমরা যদি Document Page এর প্রতি পাতার উপরে অথবা নীচে কিংবা উপর নীচ উভয় অংশে বিশেষ কোন নির্দেশনা লিখতে চাই তাহলে এই Header and Footer মেনুতে কিক করে বিশেষ নির্দেশনা লিখে ওকে করলে প্রতিটি পাতায় তা প্রদর্শিত হবে।±
 Ful Acreen : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজকে পর্দায় সম্পূর্ণ রূপে প্রদর্শন করতে চাই সে ক্ষেত্রে এই Ful Acreen : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে। এবং পূর্ব অবস্থায় বা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে কোজ এ কিক করে তা করা যাবে।±
 Zoom : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজকে পর্দায় ছোট অথবা বড় রূপে প্রদর্শন করতে চাই সে ক্ষেত্রে এই  Zoom : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে।±

 Insert : Insert নামের মেনুতে কিক করে  Break, Page Number, Date and Time, Field, Symbol, Comment, Footnot, Picture, Word Art, Auto Shapes, Tex Box ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট,আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।8
 Break :   কোন ডকুমেন্ট পেজ সম্পূর্ণ  বা কোন প্যারাগ্রাফ ব্রেক করে নতুন পাতা বা কলাম সৃষ্টি করতে এই Break :  মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়।±
 Page Number :   কোন ডকুমেন্ট এর প্রতি পাতায় স্বয়ংক্রীয় ভাবে পাতা নং দিতে চাইলে এই  Page Number   মেনু ব্যবহার করে প্রতিটি পাতায় Page Number  করা যায়।±
 Date and Time:   কোন ডকুমেন্ট এ স্বয়ংক্রীয় ভাবে Date and Time  সংযোজন করতে হলে এই Date and Time মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়।±
 Field:   কোন ডকুমেন্ট এ পূর্ণ সংখ্যা লিখতে হলে এই Field:  মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়। Field:  এ কিক করে ডায়ালগ বক্স থেকে Eqation and Formula ব্যবহার করে পূর্ণ সংখ্যা লিখতে হয়।±
 Symbol :   কোন ডকুমেন্ট এ কোন বিশেষ প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করতে চাই তাহলে এই Symbol মেনুতে কিক করে Symbol  নির্বাচন করে ওকে  করলে Symbol  টি ডকুমেন্টের সাথে সংযুক্ত হবে এবং ক্লোজ বাটন ক্লিক করে শেষ করতে হবে।±
 Comment :   আমরা যদি কোন ওয়ার্ড সম্পর্কে কোন মন্তব্য বা Comment  লিখতে চাই তা হলে তাহলে এই Comment মেনুতে কিক করে নির্ধারিত মন্তব্য লিখে ওকে  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।±
 Footnot :   আমরা যদি কোন পাতার শেষে বা ডকুমেন্টের শেষে কোন মন্তব্য বা Footnot  লিখতে চাই তা হলে তাহলে এই Footnot  মেনুতে কিক করে নির্ধারিত মন্তব্য লিখে ঙশ  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।±
 Picture :   আমরা যদি কোন ডকুমেন্ট এ কোন ছবি সংযোজন করতে চাই তা হলে তাহলে এই  Picture  মেনুতে কিক করে নির্ধারিত Picture   সিলেক্ট করে ওকে  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।±
 Word Art :   আমরা যদি কোন ডকুমেন্ট এ কোন বিশেষ অংশকে ভিন্ন ভিন্ন ষ্টাইলে লিখতে বা সাজাতে চাই  তা হলে তাহলে এই Word Art  মেনুতে কিক করে Word Art Galary থেকে  নির্ধারিত Word Art সিলেক্ট করে ওকে  করে কাজটি হয়ে যাবে।±
 Auto Shapes :  Insert± >Picture > Auto Shapes এখন ডকুমেন্ট এ যে সেফ সংযোজন করতে চাই তার উপর মাউসের কিক করে অর্থাৎ ড্রাগ করে তা অংকন করা যাবে বা কাজটি সম্পন্ন করা যাবে।
 Text Box   লেখার বক্স। আমরা যদি কোন Document এ কোন বিশেষ অংশকে ভিন্ন ভিন্ন ষ্টাইলে লিখতে বা সাজাতে চাই তা হলে তাহলে এই Text Box মেনুতে কিক করলে একটি Text Box পর্দায় আসবে যার ভিতরে হামেশা লেখা যাবে।±

 Format : Format নামের মেনুতে কিক করে Font, Paragraph, Tabs, Border and Shading, Change Case, Drop Cap, Bullets and Numbering, Style Gallery, Style, Background, Columns ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।8
 Font : Font   বা অক্ষর। এই মেনু ব্যবহার করে আমরা কোন ডকুমেন্ট এ ইরেজী অথবা বাংলার বিভিন্ন ষ্টাইলের  লেখার অর নির্বাচন করে নিতে পারি।±
 Under Line : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশের নীচে দাগ দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি FormatÄ > Font > Under Line > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + U কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
 Bold : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশের রং গাড় করে দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি FormatÄ > Font > Bold > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + B কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
 Italic : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশ অথবা সম্পূর্ণ অংশ ইটালিক করে দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি FormatÄ > Font > Italic > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + I কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
 Font Size : আমরা যদি আমাদের লেখার অরগুলোকে ছোট অথবা বড় আকারে লিখতে চাই তাহলে এই মেনু ব্যবহার করে তা করা যাবে। ব্যবহার পদ্ধতি অক্ষর ব্লক করে নিয়ে FormatÄ > Font > Font Size > Ok অথবা অক্ষর ব্লক করে নিয়ে কীবোর্ডের Ctrl + ] কমান্ড দিয়ে অক্ষর বড় এবং  Ctrl + [ কমান্ড দিয়ে অক্ষর ছোট করার কাজটি সহজেই করা যায়।
 Paragraph : এই Paragraph মেনু ব্যবহার করে আমরা কোন ডকুমেন্টে লাইন স্পেজ ছোট বড় সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারি।±
 Tabs : আমরা যদি ডকুমেন্ট এ Tabs  সেট করতে চাই তাহলে এই Tabs  মেনু ব্যবহার করে  কাজ করতে পারি।±
 Border and Shading : আমরা যদি আমাদের তৈরী কৃত কোন আর্ট বা Document এ অথবা পাতার চার পাশে Border অথবা Shado বা ছায়া সেট করতে চাই তাহলে এই Border and Shading মেনু ব্যবহার করে  কাজ করতে পারি।±
 Change Case : আমরা যদি আমাদের তৈরী কৃত কোন Document এ লেখার ষ্টাইল ছোট হাতের বা বড় হাতের লেখা করতে চাই তাহলে Change Case   মেনুস্থ Upper Case  অথবা Lower Case মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে। আবার যদি শব্দের প্রথম অর ছোট বা বড় করতে Title Case ব্যবহার করে কাজটি সম্পন্ন করা যাবে।±
Drop Cap : কোন Document এর প্রথম অর বড় করতে হলে Drop Cap  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে। অথচ ডকুমেন্টের লাইন স্পেস ঠিক থাকবে।±
 Bullets and Numbering : কোন Document এর Page Numbering করতে হলে Bullets and Numbering  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।±

 Background : কোন  Document এর Page Background রঙিন করতে হলে Background মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।±
 Columns : কোন Document কে Columns  হিসেবে প্রকাশ করতে চাইলে Columns  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।±

 Tools : Tools নামের মেনুতে কিক করে Spelling and Grammar, Word Count, Auto Correct, Mail Merge, Macro ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।8
 Spelling and Grammar : কোন Document এর ভিতরে কোন বানান শুদ্ধ করতে Spelling and Grammar মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।±
 Word Count : শব্দ গননা আমরা যদি Document এর শব্দ গননা করতে চাই তা হলে এই Word Count  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।±
 Auto Correct : Document  তৈরী করা বা লেখার সময় স্বয়ংক্রিয় ভাবে ভূল সংশোধন করতে±
Auto Correct মেনু  ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
 Mail Merge: মেইল মার্জ করতে বা একই চিঠি বিভিন্ন ঠিকানায় কপি সংযুক্ত করে পাঠাতে± এই Mail Merge  মেনু  ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সাধারণত: মেইল মার্জ করতে চারটি পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে।
(১) মূল ডকুমেন্ট তৈরী করতে হবে।
(২) ডেটা ডকুমেন্ট তৈরী করতে হবে।
(৩) মূল ডকুমেন্টের প্রয়োজনীয় স্থানে মার্জ ফিল্ড সন্নিবেশিত করতে হবে।
(৪) মূল ডকুমেন্ট ও ডেটা ডকুমেন্ট দু’টি মার্জ বা সংযুক্ত করতে হবে।
এটি বাস্তবায়ন করতে দু’টো পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। যেমন :
 পদক্ষেপ (১)Ä

Dear Mr. ………………………

…………………………

Sir,

……………………………..

yours Company …………………
ডকুমেন্টটি যে কোন একটা নামে সেভ করতে হবে।

 পদক্ষেপ (২)Ä
Tools > Mail Merge   ক্লিক করে পর্দায় ওপেন হওয়া ডায়ালগ বক্স থেকে ধারাবাহিক ভাবে নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে হবে। Create > Frome > Letter > Active Window > Get Date > Creat Date Source  ডায়ালগ বক্সের Field সিলেক্ট করে  ওকে বার্টন ক্লিক করতে হবে। পর্দায় সেভ ডেটা সোর্স ডায়ালগ বক্স আসবে, যে নামে ডেটা ফাইলটি সেভ করতে চাই সে নামে সেভ করে ওকে করতে হবে। তারপর পর্দায় যে ডায়ালগ বক্সটা আসবে সেখানে Edit Date Source বার্টনে কিক করে ডেটা ফরমে ডেটা টাইপ করে  ওকে করতে হবে।
 Macro: কোন ডকুমেন্টের ভিতর কোন Word বা শব্দ অথবা কোন লাইন বার বার লেখার বা ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় তাহলে সে কাজটি সহজ পদ্ধতিতে করতে এই Macro মেনু ব্যবহার করা হয়।±
 ব্যবহার পদ্ধতি ঃ ToolsÄ > Macro > Record New Macro > Macro Name Box  এ নাম লিখে ওকে করতে হবে। এখন যা রেকর্ড করতে চাই তা লিখে Stop Recording  এ কিক করলে Macro তৈরী হয়ে গেলো। এখন এই Macro রান করতে হলে বর্ণিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। Tool > Macro Name Select > Run. কিক করে কাজটি করতে হবে।

Table : Table নামের মেনুতে কিক করে Insert Table, Insert Rows, Delete Rows Insert Columms, Delete Columms, Split Cells, Split Rows, Select Colums, Select Table, Distributy Cloumn Evenly, Heading, Sort, Formula, Average   ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।8
 Insert Table:   আমরা যদি টেবিল ডকুমেন্ট তৈরী করতে চাই তাহলে Table  মেনুস্থ Insert Table   মেনুতে মাউসের কিক করে ডায়ালগ বক্সে প্রয়োজনীয় কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজে করতে পারবো।±
 Insert Rows:   আমরা যদি টেবিল ডকুমেন্ট এ কোন রো বৃদ্ধি করতে চাই তাহলে টেবিলের যে খানে রো বৃদ্ধি করতে চাই সেখানে মাউসের পয়েন্টার রেখে নিম্নোক্ত পদপেগুলো অনুসরন করে তা করতে পারবো।±
 ব্যবহার পদ্ধতি ঃ TableÄ > Insert > Insert Rows কিক করলে কাজটি হয়ে যাবে অর্থাৎ রো বৃদ্ধি পাবে বা নতুন একটি রো তৈরী কবে।

 Delete Rows:   আমরা যদি টেবিল ডকুমেন্ট এ কোন রো মুছে ফেলতে চাই তাহলে টেবিলের যে রো মুছে ফেলতে চাই সেখানে মাউসের পয়েন্টার রেখে নিম্নোক্ত পদপেগুলো অনুসরন করে তা করতে পারবো।±
 ব্যবহার পদ্ধতি ঃ TableÄ > Delete > Delete Rows কিক করলে কাজটি হয়ে যাবে অর্থাৎ রো মুছে যাবে।
 Insert Colums : আমরা যদি টেবিল ডকুমেন্ট এ কোন কলাম বৃদ্ধি করতে চাই তাহলে টেবিলের যেখানে কলাম বৃদ্ধি করতে চাই সেখানে মাউসের পয়েন্টার রেখে নিম্নোক্ত পদপেগুলো অনুসরন করে তা করতে পারবো।±
 ব্যবহার পদ্ধতি ঃ TableÄ > Insert > Insert Colum কিক করলে কাজটি হয়ে যাবে অর্থাৎ কলাম বৃদ্ধি পাবে বা নতুন একটি কলাম তৈরী কবে।
 Delete Columms :   আমরা যদি টেবিল ডকুমেন্ট এ কোন কলাম মুছে ফেলতে চাই তাহলে টেবিলের যে কলামটি মুছে ফেলতে চাই সেখানে মাউসের পয়েন্টার রেখে নিম্নোক্ত পদপেগুলো অনুসরন করে তা করতে পারবো।±
 ব্যবহার পদ্ধতি ঃ TableÄ > Delete > Delete Columm কিক করলে কাজটি হয়ে যাবে অর্থাৎ কলামটি  মুছে যাবে।
 Split Cells:   আমরা যদি টেবিল ডকুমেন্ট এ কোন সেলকে ভাগ করতে চাই তাহলে ঐ সেলটি ব্লক করে  Split Cells  এ কিক করবো । এবার ডায়লগ বক্সে কয়টি ভাগ করতে চাই সে সংখ্যা লিখে ওকে করলেই কাজটি হয়ে যাবে।±
 Split Rows:   আমরা যদি টেবিল ডকুমেন্ট এ কোন  রো কে ব্লক করতে চাই তাহলে  Split Rows:  এ কিক করবো। একটি রো ব্লক হয়ে যাবে।±
 Select Columms:   এই মেনুকে ব্যবহার করে টেবিলের যে কোন কলামকে ব্লক করা যায়।±
 Select Table:   এই মেনুকে ব্যবহার করে যে কোন টেবিল ডকুমেন্টকে ব্লক করা যায়।±
 Distributy Cloumn Evenly:   এই মেনুকে ব্যবহার করে যে কোন টেবিল ডকুমেন্ট এর প্রশস্থতা সমান করা যায়। এেেত্র টেবিলটিকে সিলেক্ট করে ব্লক করে নিয়ে Distributy Cloumn Evenly  তে কিক করলে কাজটি হয়ে যাবে।±
 Heading :   আমরা যদি টেবিল ডকুমেন্ট এ কোন নির্দিস্ট হেডিং প্রতিটি পাতায় স্বয়ংক্রিয় ভাবে করতে চাই তাহলে প্রথমে হেডিং কলাম ব্লক করে নিব তারপর এই Heading  মেনুতে কিক করলে কাজটি হয়ে যাবে।±
 Sort :   আমরা যদি টেবিল এ লেখা ডকুমেন্টকে বর্ণাক্রমানুসারে বা ক্রমিক অনুসারে সাজাতে চাই তাহলে নিম্ন লিখিত কাজ গুলি সম্পন্ন করে তা করা সম্ভব।±
 ব্যবহার পদ্ধতি ঃ TableÄ > Sort > Ascending  ( ছোট থেকে বড়) Table > Sort > Desending  ( বড় থেকে ছোট) প্রয়োজন অনুসারে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যাবে।
 Formula :   টেবিল এ সূত্রের ব্যবহার করে বিভিন্ন গানিতিক ফলাফল নির্ণয় করা যায়।±
 ব্যবহার পদ্ধতি ঃ টেবিলে সূত্র ব্যবহার করার জন্য নিম্নরূপ টেবিল তৈরী করতে হবে-Ä

Name

B asic

House Rent

Others

Total

Mr. Rahman

3000

1000

500

4500

Mr. Sagor

4500

1200

600

6300

Mr. Arman

3500

1500

750

5750

Mr. Karim

3200

1600

800

5600

Total

14200

5300

2650

 

এবার মাউসের পয়েন্টার বা কার্সর Basic কলামের Total এর ঘরে রেখে Table মেনুতে কিক করে  Formula তে কিক করে ওকে বাটনে কিক করলেই কলামের যোগফল দেখাবে। এভাবে প্রত্যেকটি কলামের যোগফল নির্ণয় করা যাবে। Table > Formula > Ok  কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যাবে।
 Average : Average  বা গড় নির্ণয় করা জন্য কার্সরকে ফিল্ডের সর্বনিম্নে রেখে Table± > Formula নিদেশ Formula বক্স এ = চিহ্ন রেখে বাকী সব লেখা মুছে ফেলুন তারপর কীবোর্ড থেকে Alt+U   চেপে  Average সিলেক্ট করে রেঞ্জ নির্ধারন করে এন্টার কী চাপলে কলামের যোগফল পাওয়া যাবে। এভাবে প্রতি কলামের যোগফল বের করা যাবে।

 Window : Window  নামের মেনুকে ব্যবহার করে New Window, Arrange All, Split  এর কাজ করা যায়।8
 New Window: এমএস ওয়ার্ডে একসাথে একাধিক ডকুমেন্ট-এ কাজ করলে উক্ত ডকুমেন্ট তালিকা  New Window  তে জমা রাখা এবং এখান থেকে কোন ডকুমেন্ট বা ফাইল ওপেন করা যায়।±
 ব্যবহার পদ্ধতি : WindowÄ > New Window > নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট/ ফাইল এ কিক করে কাজটি করা যায়।
 Arrange All:  এমএস ওয়ার্ডে একসাথে একাধিক বা যতগুলো ডকুমেন্ট ওপেন থাকবে তা একসাথে দেখা যাবে।±
 ব্যবহার পদ্ধতি : WindowÄ > Arrange All এ কিক করে কাজটি করা যায়।
 Split : এমএস ওয়ার্ডে ডকুমেন্ট পেজ কে দুই ভাগে ভাগ করা।±
 ব্যবহার পদ্ধতি : WindowÄ > Split  এ কিক করে মাউসের পয়েন্টার যেখানে কিক করা হবে পেজটি সেখান থেকে বিভক্ত হয়ে যাবে।
 Remove Split : এমএস ওয়ার্ডে ডকুমেন্ট পেজ কে দুই ভাগে ভাগ করা পদ্ধতি অর্থাৎ Split  উঠিয়ে দেয়া।±
 ব্যবহার পদ্ধতি : WindowÄ > Remove Split  এ কিক করে কাজটি সহজে করা যাবে।
    স্টান্ডার্ড টুলবার ঃF
মেনুবারের নীচে বিভিন্ন প্রতীক সম্বলিত বারকে স্টান্ডার্ড টুলবার বলে। প্রতিটি প্রতীক বা আইকনকে এক একটি টুল বলা হয়। মেনু সিলেক্ট করে প্রয়োজনীয় কমান্ড না দিয়ে সরাসরি টুলবারের আইকন ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদন করা যায়। এতে সময়ও কম লাগে।

    টেক্স ফর্মেটিং টুলবার ঃF
টুলবারের নীচের সারিতে বিদ্যমান বারটিই  টেক্স ফর্মেটিং টুলবার। এতে বিদ্যমান অপশনগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ব্যবহার করে ফন্ট পরিবর্তন, ফন্ট ছোট বড় করা, বোল্ড করা, আন্ডার লাইন করা, ইটালিক, এলাইনমেন্ট নির্ধরণ করা সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যায়।

    রুলার ঃF
ফর্মেটিং টুলবারের নীচে স্কেল এর ন্যায় বারকে রুলার বলে। রুলার বিভিন্ন পরিমাপের জন্য অনেক গুরুত্ব বহন করে।
    স্ট্যাটাস বার ঃF
পর্দার একেবারে নীচে Page-1, see, At  ইত্যাদি লেখা বারকে স্ট্যাটাস বার বলে। Page-১ দ্বারা কার্সর ১ নং পাতায় আছে বোঝাচ্ছে।
    ড্রইং বার ঃF
স্ট্যাটাস বার এর উপরে Draw, Autoshapes  ইত্যাদি লেখা সহ বেশ কিছু সংখ্যক আইকন সম্বলিত বারকে ড্রইং বার বলে। বিভিন্ন ড্রইং এর কাজ সহজ করতে এই বারের প্রয়োজনীয় আইকন ব্যবহার করা হয়।
    স্ক্রল বার ঃF
পর্দার নীচে ডানে ও বামে  এবং পর্দার ডান পাশে উপরে ও নীচে ছোট তীর চিহ্নিত মধ্যবর্তী বারকে স্ক্রল বার বলে। এর সাহায্যে লেখার সীট বা চলতি প্রোগ্রামকে ঊপরে- নীচে ও ডানে- বামে সরানো যায়।
    মাউস পয়েন্টার ঃF
কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত অনেকটা ইঁদুরের মত দেখতে ডিভাইসটির নাম মাউস। কম্পিউটার ওপেন করলেই পর্দার উপর একটি এ্যরো বা তীর চিহ্নিত  দেখা যায়। মাউস নাড়ালে তীর চিহ্ন নড়া চড়া করে। কম্পিউটারের ভাষায় এই এ্যারো বা তীর চিহ্ন কে মাউসের পয়েন্টার বলা হয়। একে ব্যবহার করে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড করা হয়। মাউসের পয়েন্টার সব সময় এ্যারো চিহ্নের মত দেখায় না কার্যেক্ষেত্রে ইহা বিভিন্ন আকৃতি ধারন করে।
    ক্লিক করা ঃF
মাউসের বাম অথবা ডান পাশের বোতাম চেপে কমান্ড করাকে কিক করা বলে। একবার চাপলে সিঙ্গেল কিক, দুইবার চাপলে ডবল কিক বলে।

    ড্রাগ করা ঃF
ড্রাগ করা অর্থ হলো কিক করে মাউসের বোতাম চেপে রেখে উপরে – নীচে, ডানে-বামে বা প্রয়োজন মত স্থানে ছেড়ে দেওযাকে ড্রাগ করা বা মুভ করা বলে।

    কন্ট্রোল বক্স ঃF
টাইটেল বারের বাম পাশে W চিহ্নিত আইকন বা চিত্রকে কন্ট্রোল বক্স বলে। সরাসরি এটার উপর কিক করে বা Alt+Spacebar  চাপলে একটি মেনু ওপেন হয়। এ মেনুকে কন্ট্রোল মেনু বলে। এ মেনুস্থ বিভিন্ন অপশনসমূহ নির্বাচন করে পর্দায় উইন্ডো প্রদর্শন নিয়ন্ত্রন করা যায়। যেমন ঃ
 Restore : নির্বাচন করলে ইতিপূর্বে কোন পরিবর্তন করে থাকলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।Ä
 Move :  নির্বাচন করে  F1 কী চেপে মাউস পয়েন্টার মুভ করায়ে উইন্ডো স্থানাস্তর করা যায়।Ä
 Size : নির্বাচন করে উইন্ডোর বর্ডার লাইনের মাঝে মাউস পয়েন্টার নিয়ে চেপে ধরে বাড়িয়ে বা কমিয়ে বক্সে একবার কিক করলে কন্ট্রোল মেনু ওপেন হবে কিন্তু ডবল কিক করলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।Ä

    FControl Toolbox   (কন্ট্রোল টুল বক্স)ঃ
মেনু বারের View মেনুস্থ Toolbars এর মধ্যে প্রবেশ করে Control Toolbox এ টিক দিয়ে ওকে  করলে পর্দার বামপাশে একটি বক্স চলে আসবে কম্পিউটারের ভাষায় এটাকে Control Toolbox বলে।
 ব্যবহার পদ্ধতি : Menu BarÄ > View > Toolbars > Control Toolbox > Ok

   F Dialog Box :
উইন্ডোজে বিভিন্ন মেনুস্থ অপশন সিলেক্ট করলে পর্দায় বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত একটি বক্স প্রদর্শিত হয়, কম্পিউটারের ভাষায় উহাই ডায়ালগ বক্স নামে পরিচিত। কোন কাজের জন্য উইন্ডোজে বাড়তি কোন তথ্যের প্রয়োজন হলে ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়। ডায়ালগ বক্সে বিভিন্ন অপশনে মাউস পয়েন্টার নিয়ে কিক করে অথবা ট্যাব কী চেপে কোন অপশনে গিয়ে এন্টার কী চাপলে অপশনটি কার্যকর হয়। কোন অপশনের নামের কোন অর আন্ডার লাইন করা থাকলে Alt কী চেপে ধরে এ অরটি চাপলে অপশনটি কার্যকর হবে।

    FRecycle Bin :    রিসাইকেল বিন কম্পিউটারের এক প্রকার ডাষ্টবিন। কম্পিউটার হতে কোন ডাটা, বা ডকুমেন্ট ফাইল বা ফোল্ডার মুছে ফেললে তা প্রথমত: এই রিসাইকেল বিন নামের ডাষ্টবিনে জমা হয়। রিসাইকেল বিন হতে মুছে ফেললে তা কম্পিউটার হতে মুছে যায়। কোন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ভুলক্রমে মুছে ফেললে তা রিসাইকেল বিন হতে Restore  ব্যবহার করে আবার পূর্বের স্থানে ফেরৎ নেওয়া যায়।

 FCD Write : Start > Programs/All Programs > Nero   এবার Nero ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে, সেখান থেকে নির্বাচন করতে হবে CD/DVD অর্থাৎ কোনটা রাইট সকরতে চাই। তারপর কি ধরনের সিডি অর্থাৎ ডাটা, অডিও, ভিডিও কোনটি হবে তাও নির্বাচন করতে হবে। তারপর ডকুমেন্ট বা ডাটা সিলেক্ট করে সিডি বার্ন করে ওকে করলেই কাজটি সমাধা হবে।

বেসিক কম্পিউটার শিক্ষার আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্বলিত লেখা পড়তে এবং ঘরে বসে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহন ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার জানতে সবসময় আমার সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।

ফেসবুকে আমি

একটি উত্তর ত্যাগ