উইন্ডোজ ১০-এর জন্য আছে ফ্রি সিকিউরিটি অপশন  FavoriteLoadingবুকমার্ক

ভাইরাস এবং অন্যান্য ম্যালওয়্যার সচরাচর অ্যাপ্লিকেশন প্রসেসকে সেস্না করে দেয় এবং পিসির সিপিইউর ব্যবহার বেড়ে যায় যখন যুগপৎভাবে ইন্টেগ্র্যাল ফাইল এবং ডেস্কটপ অ্যাপিয়ারেন্স মডিফাই হয়। ভাইরাস শনাক্ত এবং নির্মুল করা অনেক কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঠিকই, তবে আসন্ন অনধিকারপ্রবেশ বা আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও রয়েছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহারকারীরা বেছে নিতে পারেন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। আপনি হয়তো পছন্দ করতে পারেন একটি সাধারণ ইউটিলিটি, যেমন- উইন্ডোজ ডিফেন্ডার বা অন্য কোনো থার্ডপার্টি সফটওয়্যার।
স্যুট বেসিক ওঅ্যাডভান্সড
বেশিরভাগ সিকিউরিটি ভেন্ডর অফার করে থাকে ন্যূনতম লেভেলের সিকিউরিটি পণ্য, যেমন-একটি স্ট্যান্ডঅ্যালোন অ্যান্টিভাইরাস ইউটিলিটি, একটি অ্যান্ট্রিলেভেল সিকিউরিটি স্যুট এবং বাড়তি ফিচারসহ একটি অ্যাডভ্যান্সড স্যুট। বেশিরভাগ অ্যান্ট্রিলেভেল স্যুটে সম্পৃক্ত থাকে অ্যান্টিভাইরাস, ফায়ারওয়াল, সিকিউরিটি স্যুট, অ্যান্টিস্প্যাম, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল এবং কিছু বাড়তি প্রাইভেসি প্রটেকশন। অ্যাডভান্সড ‘মেগা-স্যুট’ বিশেষভাবে যুক্ত করে ব্যাকআপ কম্পোনেন্ট এবং সিস্টেম টিউনআপ ইউটিলিটি গঠনের মতো কিছু। সিকিউরিটির জন্য অতিরিক্ত কিছু সুবিধাসহ পাসওয়ার্ড ম্যানেজারও যুক্ত করে।

windows-10-official-desktop-background উইন্ডোজ ১০-এর জন্য আছে ফ্রি সিকিউরিটি অপশন

কোর অ্যান্টিভাইরাস প্রটেকশন
অ্যান্টিভাইরাস হলো সিকিউরিটি স্যুটের প্রধান অংশ বা হৃৎপি-। অ্যান্টিভাইরাস কম্পোনেন্ট ছাড়া কোনো সিকিউরিটি স্যুট হতে পারে না। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই আপনি এমন সিকিউরিটি স্যুট বেছে নেবেন, যার অ্যান্টিভাইরাসটি খুবই কার্যকর।এ লেখায় মূলত উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে সেরা কয়েকটি ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নিয়েআলোকপাত করা হয়েছে।
০১. অ্যাভাস্ট ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস ২০১৬ (উইন্ডোজ)
অ্যাভাস্টের সর্বাধুনিক অ্যান্টিভাইরাস স্যুটটি এক চমৎকার প্যাকেজসংবলিত। বর্তমানে বিশ্বে ২৩০ মিলিয়নের বেশি কনজ্যুমার এই অ্যাভাস্ট ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস টুলটি ব্যবহার করছে। এ টুলটিস্বাভাবিকভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার প্রটেকশনের পাশাপাশি অ্যান্টিরুটকিট এবং অ্যান্টিস্পাইওয়্যার ক্ষমতাসম্পন্ন। এ টুলের সাথে সমন্বিত রয়েছে একটি কাস্টোমাইজযোগ্য অপশন। আপনি ইনস্টলেশনের সময় এক অপারেশন থেকে আরেক অপারেশনে পরিবর্তন তথা টোগাল করতে পারেন। এর সাথে আরও যেসব সুবিধা পাবেন তা হলো- অ্যাভাস্ট মোবাইল সিকিউরিটি অ্যান্ড অ্যান্টিভাইরাসের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়িড ডিভাইসকে রক্ষা করার জন্য অপশন পাবেন। অ্যাভাস্ট ২০১৬ ভার্সনে বাড়তি কিছু সিকিউরিটি ফিচার যুক্ত হওয়ায় ব্যবহারকারীরা এ প্রোগ্রাম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অধিকতর নিরাপদ বোধ করবেন।
বেসিক প্রটেকশনের ক্ষেত্রে অ্যাভাস্ট ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস ২০১৬ অন্যতম এক সেরা প্রোগ্রাম। এর রয়েছে মাল্টিপল স্ক্যান সুবিধা, যেমন- সিডিউল স্ক্যান, ফাস্ট স্ক্যান, ফোল্ডার স্পেসিফিক এবং রুটকিট স্পেসিফিক স্ক্যান। এর ফুল সিস্টেম স্ক্যান ফিচার দেয় কোন ধরনের ভাইরাস হুমকির কারণ হয়েছে, তা নিরূপণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট নমনীয়তা।অ্যাভাস্টের নতুন ভার্সন ২০১৬-এর নেটওয়ার্কএবং রাউটার স্ক্যান ফিচার নেটওয়ার্কসংশ্লিষ্ট সিকিউরিটি ইস্যু এবং ভলনিয়ারেবিলিটি স্ক্যান আপনাকে জানাবে আপনার পিসি কতটুকু সিকিউর বা নিরাপদ। এ টুলচমৎকারভাবে ম্যালওয়্যারও বস্নককরে। এ প্রোগ্রাম ওপেন করে একটি ছোট ডায়ালগবক্স, যা কনজ্যুমারকে সতর্ক করে থাকে সম্ভাব্য ব্রাউজিং হুমকি থেকে।
চিত্র-১: অ্যাভাস্ট ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের মূল ইন্টারফেস
০২. এভিজি অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি ২০১৬ (উইন্ডোজ)
যদিও এক সময় এভিজির প্রাইভেসি পলিসির বিরুদ্ধেসুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ ছিল। তারপরও এভিজি অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি ২০১৬ টুলটি ব্যবহারকারীর কমপিউটারকে সিকিউরিটিসংশ্লিষ্ট সব ধরনের হুমকি থেকে রক্ষা করার জন্য অন্যতম এক সেরা অপশন। এভি-কমপেরেটিভের পরিচালিত স্বতন্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষায় স্কোরে দেখা গেছে, এভিজি অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি ২০১৬-এর অ্যান্টিভাইরস ইফেসিয়েন্সির সর্বোচ্চ রেটিং Advanced+।
এভিজি অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি ২০১৬-এর সাথে সমন্বিত থাকে সব ফিচার এবং স্ক্যানের ধরন। স্ক্যান সিডিউল, ফাস্ট স্ক্যান, ফোল্ডার স্পেসিফিক এবং রুটকিট স্পেসিফিক স্ক্যান এবং ফুল সিস্টেম স্ক্যান ফিচার আপনাকে সুযোগ দেবে যেকোনো ধরনের ভাইরাস হুমকি চিহ্নিতকরণ ও সমূলে উৎপাটনে নমনীয়তা। এর ম্যালওয়্যার বস্নকিং ফিচারটি চমৎকার কাজ করলেও বিস্ময়করভাবে প্রোগ্রামটি সম্ভাব্য ব্রাউজিং ঝুঁকিসংশ্লিষ্ট সতর্ক বার্তাসহ একটি ছোট ডায়ালগ বক্স ওপেন করে। এটি ওয়েব ব্রাউজারে অভ্যন্তরস্থ ওয়েবসাইট বস্নক করার তুলনায় কম পপআপ করে।
ইন্টারনেটে আপনার পিসির সুরক্ষায় এভিজি অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি ২০১৬ এক চমৎকার পছন্দ। বেশিরভাগ ওয়েব ব্রাউজার বাই ডিফল্ট যেভাবে কাজ করে থাকে, তার তুলনায় এর অ্যান্টিফিশিং ক্ষমতা অনেক ব্যাপক-বিসত্মৃত এবং এর সাথে সমন্বিত রয়েছে ব্রাউজার ক্লিনার ফিচার, যাআপনার ব্রাউজার সেটিং মুছে পরিষ্কার করে ফেলে এক ক্লিকে। আপনার ব্রাউজিং অ্যাক্টিভিটিকে যাতে কেউ ট্র্যাক করতে না পারে, সেজন্য এভিজিকে সেট করতে পারেন।
এভিজির কিছু ইউনিক ফিচারসহ রয়েছে আইডেন্টিটি প্রটেকশন, পিসি অ্যানালাইজার এবং একটি ফাইল শ্রেডার, যা ফাইল ওভাররাইট করে ট্র্যাস ফোল্ডারেসেন্ড করার আগে। এভাবেই অরিজিনাল ফাইলকে রিস্টোর হওয়া থেকে প্রতিহত করে থাকে।
চিত্র-২: এভিজি অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি ২০১৬-এর মূল ইন্টারফেস
০৩. পান্ডা ক্লাউড অ্যান্টিভাইরাস ২০১৬ (উইন্ডোজ)
দুটি জিনিস পান্ডা ক্লাউড অ্যান্টিভাইরাসকে এর প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে আলাদা করেছে। প্রথমত নামে, যেমন- নামের সাথে রয়েছে ক্লাউড। প্রোগ্রামটি প্রাথমিকভাবে ক্লাউড কমপিউটিংয়ে ব্যবহার হয়। এর মানে হচ্ছে রিমোট সার্ভার স্ক্যানিংয়ের বোঝা বহন করে এবং অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টিস্পাইওয়্যারের বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে থাকে। দ্বিতীয়ত এর সিকিউরিটি লেবেল। বেশিরভাগ প্রিমিয়াম সফটওয়্যারের তুলনায় পান্ডা ক্লাউড পারফরম করে থাকে প্রায় একই ধরনের কাজ।
এ সফটওয়্যারটি তুলনামূলকভাবে হালকা ধরনের হওয়ায় এর জন্য তেমন রিসোর্সেরপ্রয়োজন হয় না এবং লোকাল ক্যাশে প্রবাহিত হয় যখন নেটওয়ার্ক অপর্যাপ্ত হয়ে পড়ে।সুনির্দিষ্ট ফোল্ডার এবং ফাইলকে আলাদা করার জন্য এ টুল ইউআরএল এবং ওয়েব ফিল্টারিংসহ অপটিমাইজ ও কাস্টোম স্ক্যানিংয়ের একটি অপশনও প্রদান করে। উপরন্তু সফটওয়্যার ফিচার অটোমেটিক ইউএসবি ভ্যাকসিনেশনকে ডিজাইন করা হয়েছে পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইসকে সম্ভাব্য ক্ষতিকর ফাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষমতাসম্পন্ন করাসহ ভাইরাস আক্রান্ত পিসিকে বুট করার জন্যএকটি ইউএসবি রেসকিউ ড্রাইভ তৈরি করার সক্ষমতায় সহায়তা করার জন্য।
পান্ডা ক্লাউড অ্যান্টিভাইরাস ২০১৬-এর শনাক্তকরণ রেট এবং টপ-নচ রুটকিট বস্নকিং ফিচার মোটামুটি আকর্ষণীয় হওয়া সত্ত্বেও এ টুলটি তেমন দক্ষ নয় আক্রান্ত সিস্টেম থেকে ম্যালওয়্যারসমূলে উৎপাটন করার ক্ষেত্রে বিশেষ করে অফলাইন ব্যবহারের সময়। এর অ্যান্টিফিশিং ক্যাপাবিলিটিস যেমন ওয়েব ব্রাউজারের জন্য ফিল্ট ইন্টারেট এক্সপেস্নারার এবং ক্রোমসহ অন্যান্য প্রোগ্রামকে ধীর করে দেয়।
পান্ডা ক্লাউড অ্যান্টিভাইরাস ২০১৬-এর ল্যাব টেস্টে শীর্ষে অবস্থান করছে। এ টুলে সম্পৃক্ত রয়েছে কিছু বাড়তি ফিচার, যেমন- প্রসেস মনিটর।
চিত্র-৩ : পান্ডা ক্লাউড অ্যান্টিভাইরাস ২০১৬-এর মূল ইন্টারফেস
০৪. বিটডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি এডিশন (উইন্ডোজ)
আমাদের সংগ্রহে থাকা অসংখ্য সফটওয়্যারের কাস্টোমাইজেবল মেনু এবং স্ক্যান অপশন ফিচারের মাঝে বিটডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি এডিশন ডিজাইনে মিনিমালিস্ট হওয়ায় এর মেইনটেন্যান্স ঝামেলাও অনেক কম। যদিও অ্যাপ্লিকেশন ফিচারে কোনো ধরনের কনফিগারেশন নেই। এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে ক্লাউডভিত্তিক ডিটেকশন সুবিধা ব্যবহার করে আপনার মেশিনকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান করবে।পরবর্তী সময়ে পারফরম করবে আরও গভীরের স্ক্যান যদি কোনো ম্যালিশাস সফটওয়্যার বা রেড ফ্ল্যাগের সম্মুখীন হয়। বান্ডেল করা রিয়েল-টাইম ভাইরাস শিল্ড বস্নক করে ম্যালিশাস ইউআরএল এবং ব্যবহার করে আচরণভিত্তিক ডিটেকশন, সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, এমনকি ইতোমধ্যে আক্রান্ত মেশিনে অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করতে কোনো কারণে সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ব্যালোন নোটিফিকেশন নন-অবট্রুসিভ এবং মিউটেড সিস্টেম ট্রের কাছাকাছিতে আবির্ভূত হয় যখনই কোনো ইস্যু বা সফটওয়্যার ফিক্স ডায়াগনোসিস ইস্যু দেখা দেয়।
বিটডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি এডিশনের ইন্টারফেস শুধু ভাইরাস শিল্ড এবং অটো স্ক্যান অব অফ অফার করলেও প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট এবং বিস্ময়করভাবে ম্যালওয়্যার ডিটেকশন শনাক্তকরণের ওপর নির্ভর করে প্রোগ্রেস বারের কালারও পরিবর্তন হতে থাকে। প্রশংসনীয় ম্যালওয়্যার বস্নকিং এবং রিমুভাল ফিচারের পাশাপাশি এ হালকা প্রোগ্রামটির অ্যান্টিরুটকিট এবং এবং অ্যান্টিফিশিং ইউটিলিটি চমৎকার কাজ করে। এর অ্যান্টিফিশিং ইউটিলিটি এইচটিটিপিভিত্তিক স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে ডিটেক্ট এবং বস্নক করে প্রতারণামূলক সাইট।
চিত্র-৪: বিটডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি এডিশন ২০১৬-এর মূল ইন্টারফেস
০৫. অ্যাড-এওয়্যার ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস ২০১৬ (উইন্ডোজ)
লাভাসফটের ডেভেলপ করাঅ্যাড-এওয়্যারঅ্যান্টিভাইরাস টুলটি হলো অন্যতম বিশ্বস্ত স্পাইওয়্যার টুল। দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে এ টুলের জন্য রয়েছে বেঞ্চমার্ক। এ টুলের ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া বিস্ময়করভাবে স্মুথ, নন-ইন্ট্রাসিভ নোটিফিকেশন এবং চমৎকার ফলাফল।অ্যাড-এওয়্যারের ফ্রি ভার্সন দেয় রিয়েল-টাইম অ্যান্টিভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার প্রটেকশনসহ বাড়তি সর্বাধুনিক স্যান্ডবক্স ইম্যুলেশন টেকনোলজি। এভাবে দেয় অতিরিক্ত প্রটেকশন, হতে পারে তা ওয়েবব্রাউজ করার ক্ষেত্রে, ফাইল ডাউনলোড বা কদাচিৎ মেইল চেক করার ক্ষেত্রে।
ইনস্টলেশনের সময় অ্যাড-এওয়্যার আপনাকে অ্যাড-ওয়্যার ওয়েব ক্যাম্পেনিয়ন ইনস্টল করার জন্য প্রম্পট করবে, যেমনটি বিং টুলবার করে থাকে। ওয়েব ক্যাম্পেনিয়ন টুল খুব সহায়ক হতে পারে এবং আপনার ব্যবহার করা উচিত। ওয়েব ক্যাম্পেনিয়ন বস্নক করে ক্ষতিকর ইউআরএলএবং আপনার সার্চ ইঞ্জিন এবং হোম পেজ অন্যান্য প্রোগ্রামের মাধ্যমে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে পরিবর্তনে বাধা দেয়। এ অ্যাড-এওয়্যারের ভার্সন সিডিউলার ফিচারসমৃদ্ধ।
চিত্র-৫ : অ্যাড-এওয়্যার ফ্রি এডিশন ২০১৬-এর মূল ইন্টারফেস
০৬. ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টিম্যালওয়্যার ফ্রি (উইন্ডোজ)
২০০৮ সালে ম্যালওয়্যারবাইট প্রথম তার অ্যাপ্লিকেশন চালু করার পর অনেক কিছু ঘটে গেছে। বর্তমানে বিশ্বে এ টুল ৩০০ মিলিয়নের বেশি ডাউনলোড হয়। ম্যালওয়্যারবাইটস অভ্যাহতভাবে দিয়ে আসছে কিছু সেরা এবং কম্পেহেনসিভ ভাইরাস-রিমুভাল সফটওয়্যার,যা এ টুলকেও প্রদান করবে।
ম্যালওয়্যারবাইট প্রোগ্রাম ব্যবহার করে চ্যামেলিয়ন টেকনোলজি, যাতে ইতোমধ্যে আক্রান্ত সিস্টেমে অ্যাপ্লিকেশন রানিং থাকে। সফটওয়্যারের ফাংশনালিটির জন্য অপরিহার্যপ্রয়োজনীয় যেকোনো ড্রাইভার, আপডেট এবং ইনস্টলেশনে সহায়তা করার জন্য “mbam-chameleon” অ্যাপ ট্রিগার করে। এরপর অ্যাপ টার্গেট করে যেকোনো প্রসেসকে যেটি ম্যালওয়্যারবাইটকে বস্নক করে, যাতে সিস্টেমের জন্য অন্যান্য থ্রেড স্ক্যান করার আগে প্রথমেই রান না করে। এ টুলের সাথে আরও পাবেন নলেজেবল সাপোর্ট নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস সুবিধাসহ ফ্রি সফটওয়্যারের জন্য ল্যাঙ্গুয়েজ অপশন।
০৭. মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ডিফেন্ডার (উইন্ডোজ)
মাইক্রোসফটের বিল্টইন ম্যালওয়ার প্রটেকশন ইউটিলিটিকে গত কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে উন্নত থেকে উন্নততর করে আসছে। যদিও মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ডিফেন্ডার বাইডিফল্ট স্পাইওয়্যার এবং পপআপের বিরুদ্ধে রিয়েল-টাইম প্রটেকশন অফার করে। যদি উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা তাদের পিসিতে বান্ডেল করে দেয়া প্রোগ্রামের পরিবর্তে অন্যান্য ডিফেন্সিভ প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে চান, তাহলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ডিফেন্ডার নামের টুলটি তা ডিজ্যাবল করে দিতে সক্ষম হবে। যখন জরুরি কোনো অ্যাকশন দরকার হয়, তখন এই সফটওয়্যারের মনিটরিং সিস্টেম তা রিকমেন্ড করে। তবে এ ক্ষেত্রে ইন্টারাপ্টশন খুবই কম এবং আপনাকে সহায়তা করবে কোনোরকম বাধা-বিপত্তি ছাড়া কাজ চালিয়ে যেতে।
এ সফটওয়্যার সাপোর্ট করে ৬৪-বি প্লাটফরম,দ্রুত ভাইরাস ডেফিনেশন আপডেট এবং সাপোর্ট করে সহজ নেভিগেটযোগ্য ইউজার ইন্টারফেস। ডিফেন্ডার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকগ্রাউন্ডে রান করে। আপনি ইচ্ছে করলে ম্যানুয়ালি সিডিউল স্ক্যান এবং আপনার সুবিধজনক সময়ে রিমুভাল টাইম সেট করতে পারেন যদি সন্দেহজনক কিছু মনে করেন।

এই জাতীয় আরো টিউন

আপনিও লিখুন মতামতের উত্তর

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

eight + 7 =