ইন্টারভিউতে বেতন বাড়ানোর কৌশল

0
266

ইন্টারভিউ শেষ করার পর যে জিনিসটি আসে তার জন্যই সব চাকরি প্রার্থী অপেক্ষায় থাকেন। ঠিকই ধরেছেন, আপনার পে প্যাকেজ কী হবে- তা নিয়ে কথাবার্তা হয় সংস্থার সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই পর্বে এক কথায় খানিকটা দড়ি টানাটানি হয়।

Advertisement

interview-696x348 ইন্টারভিউতে বেতন বাড়ানোর কৌশল

এই টানাটানির জেরে অনেক সময়ই প্রার্থীরা বেতন খুইয়ে বসেন। তবে বুদ্ধি করে যদি কথা বলা যায় ‘কষ্টের কেষ্ট’ মেলে। এ ক্ষেত্রে কীভাবে কথা বলা উচিত জেনে নিন এখান থেকে।

১) নিজের মূল্য বুঝে বেতন হাঁকুন
প্রথমেই আপনাকে নিজের মূল্য জানতে হবে। আপনি কতটা বেতন পাওয়ার যোগ্য তা নিরপেক্ষভাবে আগে নিজে ভাবুন। তারপর প্যাকেজের কথা বলুন। কথা বলার সময় যদি নিজের ওপর আপনারই সন্দেহ থাকে, তবে আপনি নিঃসন্দেহে হারবেন। কনফিডেন্সের সাথে কথা বলুন। নিজের মূল্য বুঝিয়ে দিন, প্যাকেজ পাবেন মনের মতো।

২) হঠকারিতা চলবে না
চাকরি পাওয়ার জন্য অনেকেই যা প্যাকেজ পাচ্ছেন তাতেই ‘হ্যাঁ’ বলে দেন। এখানেই দাঁও মারেন এইচআর-রা। আগে শুনে নিন আপনাকে কী দেয়ার কথা ভাবে হচ্ছে, তার পর আপনি কী চাইছেন সেটা বলুন। মনে রাখবেন প্রথমে যে প্যাকেজটা আপনাকে দেয়া হবে সেটা কম হিসাবেই ধরা থাকে। তাই অপেক্ষা করুন। হঠকারি হবেন না।

৩) ৩০ বাড়াতে চাইলে ৪০ বলুন
মনে রাখবেন যিনি আপনার সাথে বেতন নিয়ে কথা বলছেন, তিনি আপনার থেকে অনেক বেশি বুদ্ধি রাখেন। আপনি যা চাইছেন তারা সব সময় সেটি কমানোর চেষ্টা করবেন। তাই একটু বেশি বললে ক্ষতি নেই।

আরো পড়ুন – নৌবাহিনীতে বিভিন্ন পদে চাকরি

৪) অন্য সংস্থার অফার দেখান
প্রথমেই মনে রাখতে হবে, ব্লাফ সব ক্ষেত্রে খাটে না। যদি সত্যিই আপনার কাছে অন্য সংস্থার ভালো বেতনের অফার থাকে সেটা বলুন। না হলে নয়। যদি সেই সংস্থা বর্তমান সংস্থার প্রতিদ্বন্দ্বি হয়, তবে তো আরো ভালো। এটা খুব ভালো কাজ করে।

৫) ইনসেন্টিভ এবং বোনাস ধরুন
আগের সংস্থায় বেতন যা পেতেন তার সাথে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা এবং বোনাস অবশ্যই ধরবেন। তারপর প্যাকেজের কথা বলুন।

৬) অ্যাগ্রেসিভ নয়, যুক্তি দিয়ে কথা বলুন
ঠাণ্ডা মাথা ভালো কাজ করে। বহু পুরনো কথা আরো একবার মনে করিয়ে দিচ্ছি। তাই কোনো ক্ষেত্রেই মাথা গরম করা চলবে না। আপনি যে প্যাকেজটি চাইছেন তা যে আপনি পাওয়ার যোগ্য সেটা যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিন। এটা মোক্ষম কাজ করবে।

একটি উত্তর ত্যাগ