ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে উপার্জনের ১৫টি গুরুত্বপুর্ণ ধাপ  FavoriteLoadingবুকমার্ক

ফ্রিল্যান্সিং করে বাড়িতে বসে বড়লোক কীভাবে হওয়া যাবে? (সহিহ শুদ্ধ পথ কোন ভেজাল নেই)। জ্বি ভাই হওয়া যাবে, তার আগে আপনাকে কয়েকটা প্রশ্ন করি?

আপনি অনার্স+ মাস্টার্স পাশ করতে কত দিন টাইম নিয়েছেন? যদি ৬ বছর হয়ে থাকে মনে রাখুন।

আপনি অনার্স+ মাস্টার্স পাশ না। ছোট বেলায় কারিগরি কাজ শিখেছেন? কত বছর টাইম লেগেছে? ৪ থেকে ৫ বছর। মনে রাখুন।

এখন আপনার আয় কত আর প্রথমে কত ছিল? এখন ২০ হাজার। প্রথমে ভার্সিটির পিছনে শুধু টাকা ঢালছি অথবা ওস্তাদের কাছে ফ্রি কাজ শিখছি, আর কাজ করছি। তাহলে আপনি যদি বাড়িতে বসে বড়লোক হতে চান তাহলে আপনার আইটি ও টেকনিক্যাল বিষয়ে প্রচুর আগ্রহ থাকতে হবে। প্রচুর ধৈর্য থাকতে হবে। মেধা কিছুটা ভালো হতে হবে।

freelancing-bangla-ebook ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে উপার্জনের ১৫টি গুরুত্বপুর্ণ ধাপ

প্রসিডিউরঃ

প্রথমে প্রচুর নেটে সার্চ দিন। যেই বিষয়ে আয় করবেন সেই বিষয়ে যত বাংলা ইংরেজী আর্টিকেল আছে পড়ুন।
এরপর একটা সাবজেক্ট ফিক্স করুন যা আপনার ভালো লাগে আর আপনি পারবেন।
এই সম্পর্কিত যত ট্রেনিং আছে তা করে ফেলুন। ট্রেনিং করার আগে ঐ বিষয়ে বাংলা ইংরেজী ভিডিও টিউটোরিয়াল টেক্সট টিউটোরিয়াল পড়ুন।
এরপর ট্রেনিং-এ ভর্তি হয়ে যান।
এরপর রিয়েল টাইম কিছু প্রজেক্ট বানান।
এরপর কোন কোম্পানি বা সিনিয়র ফ্রিল্যান্সার এর হাত পা ধরুন যাতে আপনাকে তার আন্ডারে বিনা বেতনে ১ বছর ইন্টার্নি করার সুযোগ দেয়। আপনি নিজের টাকা খরচ করে তার অফিসে যাবেন আসবেন বিনিময়ে মাস শেষে এক টাকাও পাবেন না এই নিয়তে কাজ শুরু করুন। (এই সময় হাংকি পাংকি চলবে না। মানে বেতন দেয় না তাই দেরি করে অফিসে আসবেন। কাজ ঠিকঠাক মত করবেন না, ক্লায়েন্ট নিয়ে ভাগবেন- এইগুলো করবেন না। ) তার ইনস্ট্রাকশনে কাজ করুন। কাজ বুঝুন।
ইংরেজীতে দক্ষ হতে সাইফুরস বা এফএম মেথডে যত স্পোকেন রিলেটেড বেসিক অ্যাডভান্সড কোর্স আছে সবগুলো করুন।
এরপর পার্সপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট সব রেডি রাখুন। স্কিল, পেওনিয়ার এর একাউন্ট খুলে ফেলুন।
এইবার ১ বছর পার হইলে ইন্টার্নি শেষ হলে বাসায় হাই স্পিড-এর নেট-এর লাইন নিন।
ওডেস্ক , ইল্যান্স, ফ্রীল্যান্সার এর যত পরীক্ষা আছে এই রিলেটেড ব্লগগুলো যত আছে সবগুলো ঘাঁটুন। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য থিওরি সব আয়ত্তে আনুন।
এবার একযোগে ওডেস্ক, ইল্যান্স, পিপল আর আওয়ার এবং ফ্রিল্যান্সার-এর একাউন্ট খুলুন।
সবগুলোর আইডি ভেরিফাই করুন, পরীক্ষা দিয়ে ১০০% প্রোফাইল কমপ্লিট করুন।
এরপর বিড করুন। ৩ সপ্তাহ টানা বিড করুন। একটা না একটা কাজ পাবেনই।
প্রথম কাজ খুব মনোযোগ দিয়ে করুন। ভালো ফিডব্যাক নিন।
এরপর ১ বছর লোয়ার অথবা মিড লেভেলের কাজ করুন। এর পরের বছর হাই লেভেলের কাজ করুন।

পরের বছর থেকে আপনার ন্যুনতম আয় ৩ হাজার ডলার হবে। টোটাল টাইম লাগবে আড়াই বছর। দুনিয়াতে কোনো জব নেই যেখানে ইনিশিয়াল বেতন ১০ হাজার টাকা হলে আড়াই বছর পরে বেতন আড়াই লাখ টাকা হবে। ১ বছর কাজ করুন। দেখবেন ব্যাংক ব্যালেন্স ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা হয়েছে। এই মেথড কেউ অ্যাপ্লাই করার পরে যদি টাকা কামাতে না পারেন তাহলে আমি তার অ্যাকাউন্টে ৪০ লাখ টাকা দিয়ে দিবো। তবে শর্ত একটাই আমার পুরা মেথড ১০০% মেনে চলতে হবে। সব শর্তসহ।

 

এই জাতীয় আরো টিউন

আপনিও লিখুন মতামতের উত্তর

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 18 =