যে কারনে বজ্রপাতে নিহতের কঙ্কাল চুরি হয়  FavoriteLoadingবুকমার্ক

বজ্রপাতে নিহতের লাশ চুরির ভয়ে বাড়িতেই ইট-সিমেন্টের ঢালাই করা পাকা কবরে তাকে সমাহিত করেছে নিহতের স্বজনরা। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার লালুয়ামাঝিড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

কিন্তু একন এই লাশ চুরি হয় তা নিয়ে রয়েছে অনেক  তর্ক বিতর্ক!

index যে কারনে বজ্রপাতে নিহতের কঙ্কাল চুরি হয়

জ্রপাতে মৃত ব্যাক্তির শরীরের বিশেষ বিশেষ হাড় প্রেত সাধনার কাজে ব্যাবহৃত হয়। যারা এসবে বিশ্বাস করে, তাদের মতে মৃত মানুষের কোন কোন হাড় দিয়ে বিশেষ প্রকৃয়ায় সাধনা করলে অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করা যায়। তবে সাধারন কারনে মৃত মানুষের চেয়ে বজ্রপাতে মৃত মানুষের হাড় নাকি এক্ষেত্রে অনেক বেশী কার্যকর।

একদিন একজনের লাশ চোরের প্রতিবেশীর কাছে আমি নিম্নোক্ত কাহিনীটি শুনেছিলাম

বক্কা চোরা এলাকায় একজন ছিঁচকে চোর হিসেবে পরিচিত ছিল। একবার বজ্রপাতে গ্রামের এক বালিকার মৃত্যু হয়। লাশ দাফন করার পরদিন কবর থেকে লাশটি চুরি হয়ে যায়, অনেক খোঁজ করেও লাশের সন্ধান মেলে না। এর কয়েকদিন পর অমাবশ্যার গভীর রাতে নদীর নির্জন তীর থেকে বিকট চিৎকার ধ্বনি ভেসে আসে।

 

কৌতুহলী মানুষ সেখানে যেয়ে দেখতে পায় প্রায় গলিত সেই বালিকার নগ্নদেহ লাশের পাশে সম্পূর্ন নগ্ন বক্কা চোর ভূপতিত অবস্থায় থর থর করে কাঁপছে। মেয়েটিকে পুনরায় সমধিস্থ করা হয়, অপ্রকৃতিস্থ বক্কা মিয়া সুস্থ হলে তার ব্যাবস্থা করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ব্ক্কা চোরা আর স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে পায় নি, অপ্রকৃতিস্থ ও বাকরুদ্ধ অবস্থায় তিন দিন পর তার যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যু ঘটে।

এই জাতীয় আরো টিউন

আপনিও লিখুন মতামতের উত্তর

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

nineteen + 10 =