সফলতার ৫ টিপস অ্যামাজন সেলার  FavoriteLoadingবুকমার্ক

অনলাইন সেল অথবা ই-কমার্স যাই বলেন না কেন ধীরে ধীরে লুফে নিচ্ছে দোকানে গিয়ে কেনাকাটার পুরো জায়গাটুকু। ই-কমার্সের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে অ্যামাজন বিশ্বের সেরা অনলাইন কেনাবেচার মাধ্যম হিসেবে পুরো মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করছে। ১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করার পর থেকে কেনাকাটার অনলাইন প্রচলনে অ্যামাজন বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

এখন, আপনি খুব সহজেই একটা অ্যামাজন সেলার অ্যাকাউন্ট করে নিতে পারেন এবং সেখানে ই-বুক থকে শুরু করে আই-পেড কেজ, বাচ্ছাদের পোশাক এমনকি যেকোনো ধরনের পোশাক বিক্রি করতে পারেন।

আপনি যদি একজন অ্যামাজন সেলার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি নিশ্চয়ই সবসময় আপনার বিক্রি বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় খুজে থাকেন। আপনি সেলার নন, তবে সেলার হতে ইচ্ছুক। সেইক্ষেত্রেও আপনি এই ধরনের উপায়ের সন্ধান করে থাকেন। তো নিচের ৫টি খুব সাধারন টিপস আপনার জন্য যা আপনার সেল অসাধারণভাবে বৃদ্ধি করায় কাজে দেবে।

index সফলতার ৫ টিপস অ্যামাজন সেলার

১. আকর্ষণীয় ছবি ব্যাবহার করুন

আমরা সবাই জানি আমরা নিজেরাই এটার দ্বারা বেশি প্রভাবিত হই। আমরা কোন প্রোডাক্ট সেল পেজ-এ গিয়ে প্রথম যে বিষয়টা বিবেচনা করি সেটা হল প্রোডাক্ট এর অবয়ব। একনজরে ভালো না লাগলে আমরা সরাসরি সেটা ছেড়ে আসি। আর সুন্দর লাগলে তার পরই আমরা তার কাস্টমার রিভিউ এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য দেখে থাকি। তো বুজতেই পারছেন আপনার দেয়া প্রোডাক্ট ইমেজ অবশ্যই আকর্ষণীয় হতে হবে।

 

২. প্রাইসিং এবং শিপিং এ মনোযোগ দিন

অ্যামাজন থেকে প্রোডাক্ট কিনতে গেলে মানুষ প্রথম যেই জিনিসটার প্রতি নজর দেয় সেটা হল প্রাইসিং এবং শিপিং। সেই ক্ষেত্রে প্রাইসিং উল্লেখের ক্ষেত্রে আপনি নিজেকে আলাদা করতে হবে। একটু ভিন্নভাবে প্রোডাক্ট লাভজনক হিসেবে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং পাশাপাশি শিপিং এর ব্যাপারটা ক্লিয়ার করতে হবে শিপিং খরচ থাকুক বা না থাকুক। কারন, নাহলে এই বিষয়টা জানতে আপনার ভিসিটর অন্য কোন সাইটে চলে যেতে পারে। যদি সেই সাইট এফিলিয়েট সাইট হয় তাহলে কিন্তু কমিশন আপনার হাতছাড়া হয়ে যাবে। আর আরেকটা কাজ করবেন, কোন পদ্ধতিতে যদি আপনার গ্রাহক কোন ছাড় পেতে পারে সেই বিষয়টা উল্লেখ করবেন। তাতে যদি আপনার একটু লসও হয়, কমিশন আপনার হাতেই আসবে নিশ্চিত।

 

৩. তথ্যই মূল চালিকা

বিবরনে ভালো কোন তথ্য না পেলে ক্রেতা কক্ষনোই আপনার পণ্যটা কিনতে ততোটা আগ্রহী হবে না। তাই পর্যাপ্ত সময় নিয়ে তথ্যবহুল বিবরন তৈরি করুন। এতে আপনার সেল বহুগুন বৃদ্ধি পাবে। খেয়াল করুন আপনার বিবরনে যেন পণ্যটি সম্পর্কে সকল তথ্য থাকে। ভিসিটর যেন কোন বিশেষ তথ্যের জন্য অন্য কোন সাইটে যেতে না হয়।

 

৪. কাস্টমার সার্ভিসের জন্য ব্যয় করুন

এমন অনেক মানুষ আছেন যারা ছাই বিক্রি করতে চাইলেও বিক্রি হয়। মানে এরা কোন বিশেষ ধরনের প্রোডাক্টের কাস্টমারদের কাছে এতটাই জনপ্রিয় যে যখনই তারা একটা নতুন প্রোডাক্টের রিভিও দেন বা ইমেইলের মাধ্যমে কিনতে বলেন, তখন হন্যে হয়ে এইধরনের প্রোডাক্টের গ্রাহকরা সেই প্রোডাক্ট ক্রয় শুরু করেন। কথা হল মানুষের এতোটা বিশ্বাস কি করে অর্জন করবেন। খুব সহজ কিছু উপায় আছে। তার মধ্যে একটা হচ্ছে কাস্টমার সাপোর্টে ইনভেস্ট করা। ধরুন একটা লোক আপনার এফিলিয়েট রেফারেলে একটা কম্পিউটার কিনল। এখন সে বাসায় গিয়ে একটা প্রবলেম দেখল। আপনাকে ফোন করলো বা আপনার কল এজেন্টের কাছে ফোন করলো। আপনি তার সমস্যার সমাধান করে দিলেন। পরবর্তীতে সে যদি এইধরনের প্রোডাক্ট কিনতে চায় তাহলে সে অবশ্যই আপনাকে স্মরণ করবে। সুতরাং বুজতেই পারছেন, কাস্টমার সার্ভিস কিভাবে আপনাকে অথরিটি হতে সাহায্য করবে।

 

৫. মার্কেটিং করলেই হবে না একটিভ থাকুন

ধরুন আপনি আপনার প্রোডাক্ট সক্রান্ত কিছু ব্লগে, কিছু পেইজবুক পেজে, কিছু গুগল কমিউনিটিতে আপনার প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করে থাকেন। এইক্ষেত্রে আপনি কি শুধু আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কেই লিখবেন? না। আপনি যদি চান যে আপনাকে সবাই গুরুত্ব দিক, আপনি যদি চান যে আপনার মার্কেটিংকে সবাই স্পাম হিসেবে না নিয়ে সাহায্য হিসেবে নিবে, তবে আপনাকে অবশ্যই সেসব জায়গায় একটিভ থাকতে হবে। কেউ সমস্যায় পরলে সমাধান দিতে হবে, কেউ সাজেশন চাইলে খুব স্বাভাবিকভাবে আপনার প্রোডাক্ট সাজেস্ট করতে হবে, আপনার প্রোডাক্ট টেকনিক্যাল হলে মাঝে মাঝে কিছু টিউটোরিয়াল শেয়ার করতে হবে ইত্যাদি।

 

আশা করছি এই টিপস গুলো আপনার অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিংএ সফলতার জন্য একটু হলেও কাজে দেবে। কোন প্রকার অভিমত বা আপনার নিজের কোন টিপস থাকলে আশা করি কমেন্টে জানাবেন।

এই জাতীয় আরো টিউন

আপনিও লিখুন মতামতের উত্তর

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 × 3 =