সাইবার জগতের ঈশ্বর ইসরাইল  FavoriteLoadingবুকমার্ক

সাইবার জগতের ঈশ্বর ইসরাইল

ismtechbd

গবেষণা করতে ভাল বাসি
সাইবার জগতের ঈশ্বর ইসরাইল

Latest প্রকাশ করুন আপনার s by ismtechbd (see all)

Untitled সাইবার জগতের ঈশ্বর ইসরাইল

সাইবার শব্দটির কথা উচ্চরন করলেই কোন অপরাধী বা অপরাধের কথা মাথায় চলে আসে যেমন, পর্ণগ্রাফী, অর্থ জানিয়াতি, ব্যাংক টাকাতি, ব্ল্যাকমেইলিং ইত্যাদি ইত্যাদি। আর্মি, পুলিশ, বিডিয়ার সবার সাথে সাইবার শব্দটি জুক্ত হয়েছে। আর এই সাইবার জগতের অবিনশ্বর বা মহানায়ক হোল ইসরাইল। আয়তনের দিক থেকে ছোট্ট এই দেশটির প্রযুক্তি আসলেই নজর কাড়ার মত। পৃথিবীতে এমন দেশ খুব কম আছে তাদের সাথে টক্কর দিতে পারে। ভাইবার থেকে সুরু করে সেল ব্রাইটের মত আধুনিক টেকনোলজি তাদের হাতে। শরীর শিউরে উঠার মত ভয়ানক ভয়ানক টেকনলজিতে সমৃদ্ধ হয়েছে দেশটি। স্বয়ং আমেরিকা পর্যন্ত তাদের হুজুর হুজুর করে। কারন, তাদের মত উন্নত টেকনোলজি অন্য কারো কাছে নেই।

আরেকটি কথা না বললেই নয়, অ্যামেরিকার কাছে আছে মিশ্র টেকনোলজি। ন্যাটো জোটর দেশ সমূহ ছাড়াও ইসরাইল তাদের অধিঙ্কস পন্যই অ্যামেরিকার সাথে শেয়ার করে।

অপরদিকে ইরানের সাইবার সক্ষমতাও চোখে পড়ার মত। খোদ এমেরিকার ১০/১২ টি ড্রোন তারে জব্দ করেছে। কিন্তু প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিধি আরও ব্যাপক। ইরানের পারমানবিক গবেষণা নস্যাত করতে মারমুখী অবস্থানে থাকা ইসরায়েলকে নিয়ে সেখানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞ দের মতে সুধু অ্যামেরিকার পক্ষে এধরনের হামলা চালান অসম্ভব। এই হামলার সরাসরি কোন প্রমাণ না থাকলেও বিষয়টি ওপেন সিক্রেট বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রেরই লেখক ডেভিড স্যাঙ্গার তার নতুন বইয়ে এ ব্যাপাওে ব্যখ্যা দিয়েছেন। ২০১০ সালে চালানো সাইবার হামলায় ইরানের পারমানবিক গবেষণা ব্যহত করতে স্টাক্সনেট নামে একটি ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়। এ গুপচরবৃত্তি ধরা পড়ে অনেক পরে।

স্টাক্সনেটের বড় সফলতা যে এটি ইরানী সাইবার বিশেষজ্ঞদের ছিদ্রটা দেখিয়ে দিয়েছে। আর ইরানের দূর্বলতা রয়েছে এটা জেনেই বেশি খুশি মার্কিন বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে যাবে, তাহলে প্রতিদ্বন্দ্ব রাশিয়া-চীন কি হাত গুটিয়ে বসে থাকবে? কখনোই না তাদেরও সাইবার যোদ্ধারা কীবোর্ডে হাত চালিয়ে তৈরি করে যাচ্ছে বিধ্বংসী ম্যালওয়্যার। এছাড়া অন্যান্য যেসব দেশের বিরুদ্ধে সাইবার আগ্রাসনের যে অভিযোগ রয়েছে-তাদের কেউই লাফা লাফি করতেছে না। অধিকাংশই নীরবে চৌর্যবৃত্তি অবলম্বন করে।
স্টাক্সনেটের মাধ্যমে ইরানের যে ক্ষতি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে তার বৈধতা নিয়ে ওাঠা প্রশ্ন আড়ালেই থেকে গেছে। এ ধরনের হামলার কার্যকারিতা ব্যাপক। সাইবার যুদ্ধে ধ্বংস বা রক্তপাত নেই, সবচেয়ে বড় কথা নেই কোটি ডলার খরচের ঝুকি।

সাইবার হামলার মুখে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র নিজেও। বিদ্যুৎ উৎপাদনস্থল ও পারমানবিক গবেষণা কেন্দ্রগুলো বেশি হুমকির মুখে। ১৯৯৯ সালে ওয়াশিংটনে এশটি গ্যাসোলিন পাইপ লাইনে বিস্ফোরণ ঘটে ৩ জন মারা যায়। এ দূর্ঘটরনার কারন ছিল কম্পিউটার সিস্টেমের অশার্যকর হয়ে যাওয়া। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে কোন অপরাধী হামলা চালিয়ে সফল হলে ঘটতে পারে মারাত্মক কোন দূর্ঘটনা।

এই জাতীয় আরো টিউন

আপনিও লিখুন মতামতের উত্তর

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

20 − nineteen =