চাকরি খুঁজতে যে পাঁচ মিথ্যা বলা কখনই উচিত নয়  FavoriteLoadingবুকমার্ক

চাকরির সন্ধানে বহু মানুষই নানা ধরনের মিথ্যা কথা বলেন। তবে এসব মিথ্যার কিছু চাকরিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। তাই কয়েকটি মিথ্যা রয়েছে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে না বলাই ভালো। এ লেখায় রয়েছে তেমন কিছু বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

১. পুরনো চাকরি ছাড়ার কারণ
এ বিষয়টির মুখোমুখি অনেককেই হতে হয়। আপনি কোনো কারণে চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন কিংবা চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন মানেই যে আপনি এ পদে কাজের জন্য অনুপযোগী, এমনটা নয়। এক্ষেত্রে আপনি যদি মিথ্যা বলেন তাহলে তা আপনার বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি করবে। এ কারণে সম্ভব হলে সঠিক কারণটিই জানানো উচিত।

job-interview চাকরি খুঁজতে যে পাঁচ মিথ্যা বলা কখনই উচিত নয়

২. ঠিক কোন পদটি আপনি চান
আপনি যে পদের জন্য আবেদন করছেন, তার বদলে অনেক সময়েই নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ভিন্ন কোনো পদ অফার করতে পারেন। এক্ষেত্রে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার পর তা থেকে পিছিয়ে যাওয়া মানে বহু সময় ও অর্থের অপচয়। তাই আপনার কাঙ্ক্ষিত পদটি সঠিকভাবে জানানো উচিত। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে আপনার ভিন্ন কোনো পদে নিয়োগ হওয়ার পর তা যদি পছন্দ না হয় তাহলে সত্যিই বিব্রতকর বিষয়।

৩. চাকরি সন্ধান ও ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া
আপনি যদি বিভিন্ন স্থানে চাকরির সন্ধান করতে থাকেন তাহলে তা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেন। এটি তাদের পক্ষে ইন্টারভিউ ও অন্যান্য বিষয়ে সময় নির্ধারণে সুবিধাজনক হবে।

৪. সিভিতে দেওয়া আপনার কর্মদক্ষতা ও অন্যান্য তথ্য
সবারই যে এক্সেল জানা থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই। চাকরির জন্য আপনার সিভিতে এমন সব তথ্য দিতে হবে, যা আপনার জানা আছে। এক্ষেত্রে আপনি যদি সিভিতে এমন কিছু লেখেন, যা একেবারেই জানা নেই তাহলে বিপদে পড়তে হতে পারে। তাই আপনার দক্ষতা বিষয়ে সঠিক তথ্যগুলোই লিখুন। ভুল তথ্য লিখে যেমন বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন তেমন চাকরিও হারাতে হতে পারে।

৫. চাকরির ইতিহাস
এটা অনেকেরই ধারণা যে, নিয়োগদাতারা চাকরিপ্রার্থীর পুরনো ইতিহাস ও অন্যান্য বিষয় ঠিকভাবে না বুঝেই চাকরি দেন। এ কারণে অনেকেই ভুল চাকরির ইতিহাস তুলে ধরেন। যদিও পুরনো চাকরির বিষয়ে সঠিক তথ্য তুলে না ধরলে তা কোনো কাজে নাও আসতে পারে। কারণ চাকরির সঙ্গে সঙ্গে আপনার যে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, তা নিয়োগকর্তা সহজেই ধরতে পারবেন। এখানে ভুল তথ্য দিলে তা অনেকে নিয়োগদাতাই ধরতে পারবেন এবং এটি আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এই জাতীয় আরো টিউন

আপনিও লিখুন মতামতের উত্তর

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

two × 3 =