একটি মাত্র লক্ষণে বুঝে নিন যে চাকরিটি আপনি পেতে যাচ্ছেন  FavoriteLoadingবুকমার্ক

ইন্টারভিউ দিতে গেলেই অনেকের চিন্তায় প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে যায়। ইন্টারভিউ দেবার পরে তো কথাই নেই। কিন্তু এমন দুশ্চিন্তা না করে বরং লক্ষ্য রাখুন এসব ব্যাপারে। খুব ছোট ছোট কিছু লক্ষণেই আপনি জেনে নিতে পারেন আপনার চাকরিটা হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বিজনেস ইনসাইডার এমন একটি লক্ষণের কথা জানিয়ে দেয় যা দেখলে আপনি মোটামুটি নিশ্চিত হতে পারেন যে চাকরিটা আপনি পেতে চলেছেন।

ইন্টারভিউ দেবার পরে কবে আপনি চাকরির অফারটা পাচ্ছেন, এই অপেক্ষা অনেকের ঘুম হারাম করে দিতে সক্ষম। Tame Your Terrible Office Tyrant: How to Manage Childish Boss Behavior and Thrive in Your Job এর লেখক লিন টাইলর বলেন, এ সময়ে অনেক আশা-হতাশা মনে আসে। এক মুহূর্ত আপনি ভাবতে পারেন আপনি চাকরিটা নিশ্চিত পেয়ে যাবেন। পরের মুহূর্তেই আপনি একেবারে হাল ছেড়ে হতাশ হয়ে যেতে পারেন। তবে টাইলরের মতে একটা বড় লক্ষণ আছে যা দেখে মোটামুটি আঁচ করে নেওয়া যায়, আশা করা যায় চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে। অন্যান্য লক্ষণের চাইতে এটি বেশি গুরুত্বপুর্ণ।

interview-questions-dont-ask একটি মাত্র লক্ষণে বুঝে নিন যে চাকরিটি আপনি পেতে যাচ্ছেন

বিজনেস ইনসাইডারের মতে এই লক্ষণটি হলো, বেতনের ব্যাপারে আলোচনা। ইন্টারভিউয়ের সময়ে অথবা পরে যদি আপনার সাথে বেতনের ব্যাপারে আলোচনা করা হয় তাহলে আপনার চাকরিটা পাওয়ার সম্ভাবনা শক্ত। আপনাকে যদি সেই কোম্পানি নিয়োগ দিতে চায়, তাহলে তারা আপনার সাথে এ নিয়ে বেশ আগেই আলোচনা করবে। শুধু তাই না, এই আলোচনায় যদি তারা বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করে তাহলে আপনার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

একটি মাত্র লক্ষণে বুঝে নিন যে চাকরিটি আপনি পেতে যাচ্ছেনএই আলোচনায় বেতন থেকে শুরু করে ইনস্যুরেন্স, ছুটি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েও কথা বলা হতে পারে। দুই পক্ষের সুবিধা মাথায় রেখেই আপনার বেতন ঠিক করার চেষ্টা করা হবে।

আপনাকে চাকরি দেবার আগে আপনার রেফারেন্স হিসেবে যারা থাকেন তাদের সাথে যোগাযোগ করা হতে পারে বটে কিন্তু তা কখন করা হবে এবং তা আপনি জানতে পারবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। এ কারণে বেতন নিয়ে আলোচনাটাকেই চাকরি পাওয়ার বড় লক্ষণ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।

শুধু এই একটি লক্ষণই নয়, আপনি অবশ্য আরও অনেক লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে পারেন আপনার চাকরি হতে পারে। তবে বেতন নিয়ে আলোচনাটা মূল। আরও কিছু লক্ষণ হলো-

– ইন্টারভিউয়ের যে নিচ্ছে তার সাথে আপনি স্বচ্ছন্দে আলোচনা করতে পারছেন, তাকে আগ্রহী মনে হচ্ছে

– আপনি চলে যাবার আগে আপনাকে অফিস ঘুরিয়ে দেখানো হচ্ছে

– অনেকটা সময় ধরে আপনার ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে

– কোম্পানির ভালো দিকগুলো তুলে ধরে আপনাকে আগ্রহী করার চেষ্টা করা হচ্ছে

– ইন্টারভিউয়ের সিদ্ধান্ত কবে বা কীভাবে জানানো হবে এ ব্যাপারে আপনার সাথে আলোচনা করা হলে

– আপনার কাছ থেকে কয়েকজন রেফারেন্সের তালিকা চাওয়া হয়

– আপনাকে আরো একবার ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়

– আপনার ব্যক্তিগত জীবনের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়

এসব ব্যাপারগুলো মিলে গেলে আপনি মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যেতে পারেন যে আপনাকে তারা ওই পদে নিয়োগ দেবার জন্য পছন্দ করেছে এবং চাকরিটি আপনার পাওয়া সময়ের ব্যাপার। কিন্তু অনেক সময়ে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে এবং আপনি চাকরিটা নাও পেতে পারেন। এ কারণে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার হাতে পাওয়ার আগে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে যাবেন না যে চাকরিটি হয়েছেই।

 

 

এই জাতীয় আরো টিউন

আপনিও লিখুন মতামতের উত্তর

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

9 − eight =