২৬ মার্চ আসছে বাংলাদেশী গেমস হিরোজ অব ৭১: রিট্যালিয়েশন গেম

1
341

স্মার্টফোনে খেলার উপযোগী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গেম হিরোজ অব ৭১-এর নতুন সংস্করণ ‘হিরোজ অব ৭১: রিট্যালিয়েশন’ ২৬ মার্চ ছাড়া হচ্ছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন গেমটির নির্মাতা পোর্টব্লিসের প্রযোজক সাফায়াত জামিল। বিসিসির সহযোগিতায় পোর্টব্লিস এটি তৈরি করে। এর পৃষ্ঠপোষক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।

josna-computer- ২৬ মার্চ আসছে বাংলাদেশী গেমস হিরোজ অব ৭১: রিট্যালিয়েশন গেম
সংবাদ সম্মেলনে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধকে জেনেছে বই কিংবা গল্প শুনে। কিন্তু পোর্টব্লিসের তরুণ সদস্যদের এ ধরনের উদ্যোগে বর্তমান প্রজন্ম গেমের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে।’ তিনি আরও বলেন, আমি আশা করছি হিরোজ অব ৭১: রিট্যালিয়েশন জনপ্রিয়তা পাবে।’ এ সময় আইসিটি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার ও বিসিসির প্রধান নির্বাহী আশরাফুল ইসলাম বক্তৃতা করেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, গেমার গেমের চরিত্রগুলোকে নিয়ে যুদ্ধ করার সময় জায়গা বদল করতে এবং এগিয়ে যেতে পারবেন। একাধিক ধাপ (লেভেল) আছে এতে। প্রথম ধাপে অপহৃত নারীদের উদ্ধার এবং পরের ধাপে ব্রিজ উড়িয়ে দেওয়া। প্রতিটি ধাপ একটির সঙ্গে আরেকটি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
গেমের কাহিনিটি এমন—শামসু বাহিনী বরিশালের শনির চরে একটি পাকিস্তানি ক্যাম্প দখল করে শত্রুর আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যুদ্ধ শেষে তারা জয়লাভ করলেও দলের সদস্য সজল শহীদ হন। সহযোদ্ধার মৃত্যুতে প্রতিশোধের শপথ নেয় শামসু বাহিনী। সামনে নতুন অভিযান। শনির চর থেকে কিছু দূরে উল্লার হাটে পাকিস্তানি টর্চার ক্যাম্পে বন্দী নারীদের উদ্ধার করতে হবে।

পরের অভিযান আন্ধারমানিক খালের ওপরে থাকা পাকিস্তানি কনভয় যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত একটি ব্রিজ উড়িয়ে দেওয়া। দেখা দেয় বিপত্তি। নীরবে অগ্রসর হতে থাকা শামসু বাহিনীর অবস্থান জেনে যায় পাকিস্তানি সেনারা। শামসু বাহিনীর সামনে এখন একটি পথই খোলা, ‘হয় মরো নয়তো মারো’।সংবাদ সম্মেলন শেষে আইসিটি বিভাগের উদ্ভাবনী তহবিল থেকে পোর্টব্লিস দলকে অনুদান হিসেবে ২০ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়।

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ