জিনিসের দাম ৯৯ বা ১৯৯ টাকা কেন হয়?

0
237

সারাক্ষণই তো কেনাকাটায় ব্যস্ত রয়েছেন। দোকানে বা শপিং মলে যাচ্ছেন। আর ব্যাগ ভর্তি জিনিস কেনাকাটা করে ফিরছেন। কিন্তু খেয়াল করে দেখেছেন যে, আজকের দিনে অনেক জিনিসের দাম ৯৯, ১৯৯, ৫৯৯ বা ১৯৯৯ হয়? মনে পড়েছে তো? এবার বলুন তো, কেন জিনিসগুলোর দাম ওরকম রাখা হয়?

images46 জিনিসের দাম ৯৯ বা ১৯৯ টাকা কেন হয়?

প্রথমেই বলে রাখা ভালো যে, এই ধরণের দামকে বলা হয়, সাইকোলজিক্যাল প্রাইসিং। অর্থাত্‍ নামেই পরিষ্কার যে, এভাবে জিনিসের দাম রেখে কোম্পানি বা দোকানদার আসলে ক্রেতার মনের উপর প্রভাব তৈরি করতে চাইছেন। আসলে গবেষণায় দেখা গেছে, কোনও জিনিসের দাম শেষে ০ দিয়ে শেষ হলে ক্রেতার মনে হয়, এত দাম! আর কোনও জিনিসের দাম যদি বিজোড় সংখ্যা দিয়ে শেষ হয়, বিশেষ করে ৯ দিয়ে শেষ হয়, তাহলে ক্রেতারা ভাবেন যে, জিনিসটির দাম খুব বিচক্ষণতার সঙ্গে রাখা হয়েছে। এটাই সর্বনিম্ম দাম অথবা এই দামটি যুক্তিসঙ্গত। ফলে ক্রেতারা ওই জিনিসটি কিনতে আগ্রহী হন।

এছাড়াও আজকের দিনে খুচরো টাকা একটা সমস্যার বিষয়। ১৯৯ টাকা দিয়ে জিনিস কেনার পর দোকানদার বা কোম্পানি যদি আপনাকে বলে যে, তাঁর কাছে খুচরো নেই, তাহলে আপনি খুব বেশি কিছু বলতেও পারবেন না। আপনারও মনে হবে, এক টাকাই তো। ঠিক আছে ছেড়ে দিন, এই বলেই হয়তো বেরিয়ে আসবেন দোকান থেকে। এবার ভাবুন, সারা মাস ধরে প্রতি জিনিসে কোম্পানি যদি ১ টাকা করে অতিরিক্ত মুনাফা করে, তাহলে কত টাকা লাভ হবে!

এছাড়াও কোম্পানিগুলি কর ছাড় পায় তো বটেই। তবে, সেক্ষেত্রে অনেক বেশি টাকার লেনদেন করতে হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

13 + 6 =