স্মার্টফোন ব্যবহারের পাঁচ বদভ্যাস

0
176

বর্তমানে অনেকেই স্মার্টফোনে সময় ব্যয় করতে গিয়ে নানা অযাচিত ঘটনা ঘটাচ্ছেন। এসব ঘটনার কিছু আবার অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে। এ লেখায় রয়েছে তেমন কিছু বদভ্যাসের কথা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।

Advertisement

১. ক্রমাগত অস্থিরতা
অনেকেই স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ক্রমাগত অস্থিরতার শিকার হচ্ছেন। যেমন কোনো স্থানে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে সমস্যা হলে আপনি মোবাইল ফোনের মেসেজ পাঠিয়ে কিংবা কল করে মিটিং পিছিয়ে দিচ্ছেন। আবার অনেকে ইন্টারভিউয়ের পাঁচ মিনিট আগে জানিয়ে দিচ্ছেন, ইন্টারভিউতে পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হবে। একইভাবে অন্যদের সঙ্গেও আচরণ বদলে যাচ্ছে। আবার কোনো স্থানে পৌঁছানোর জন্য ঠিকানা আগে থেকে ভালোভাবে জেনে নেওয়ার বদলে আপনি মাঝপথে গিয়ে অসংখ্যবার ফোন করে ব্যতিব্যস্ত করে তুললেন। এগুলো সব অভ্যাসই মোবাইল ফোন ও স্মার্টফোনের কারণে তৈরি হচ্ছে।

images27 স্মার্টফোন ব্যবহারের পাঁচ বদভ্যাস

২. মানুষকে প্রাপ্য সম্মান না করা
আপনি যখন স্মার্টফোনে ক্রমাগত সময় ব্যয় করেন তকন আশপাশের মানুষের প্রতি আপনার মনোযোগ থাকে না। ফলে কোনো ব্যক্তির প্রাপ্য সম্মানট কিংবা তার প্রতি মনোযোগ দিতে ব্যর্থতা তৈরি হয়। এছাড়া রয়েছে অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা কারণে বহু মানুষের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা। এতে যথাযথভাবে সম্মান যাদের প্রাপ্য তাদেরও সাধারণ মানুষের কাতারে ফেলা হয়। ফলে প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত হন তারা।

৩. ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল
অনেকেই স্মার্টফোন ব্যবহার করার সময় রাস্তায় চলাচল করেন। এতে নানা দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। এভাবে বহু মানুষই রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছেন। গাড়ি চালানোর সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছেন বহু মানুষ।

৪. মনোযোগের অভাব
স্মার্টফোনের কারণে নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে মনোযোগের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে অনেকেরই। তারা সামনাসামনি যে কাজটি করছেন, স্মাটফোনে ক্রমাগত তা থেকে ভিন্ন কোনো বিষয় করছেন বা ভাবছেন। এতে কোনো একটি নির্দিষ্ট দিকে মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মনোযোগজনিত সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

৫. সামাজিকতায় ব্যবহার
আপনি যদি স্মার্টফোনকে সামাজিকতায় গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন তাহলে তা ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। আপনি যদি কোনো অনুষ্ঠানে বন্ধু-বান্ধবকে সরাসরি দাওয়াত না দিয়ে স্মার্টফোনের মাধ্যমে দাওয়াত দেন কিংবা মুখোমুখি যোগাযোগের বদলে অনলাইনেই শুভেচ্ছা বিনিময় করতে থাকেন তাহলে তা দূরত্ব তৈরি করে। কারণ অনলাইন কখনোই মুখোমুখি যোগাযোগের স্থান পূরণ করতে পারে না।

একটি উত্তর ত্যাগ