বয়স মাত্র ছয়, কিন্তু একাই খায় এক গ্রামের মানুষের খাবার !

14
505
বয়স মাত্র ছয়, কিন্তু একাই খায় এক গ্রামের মানুষের খাবার !

অস্পৃশ্য বন্ধু

বর্তমান যুগ বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির যুগ...
আমি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি প্রেমী একজন অতি সাধারণ মানুষ...
ইন্টারনেট, কম্পিউটার এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে আবার প্রবল আগ্রহ...
আমার এই ইচ্ছাই আমার শক্তি...
তাই চেষ্টা করবো আপনাদের সাথে টিজনার পেজে থাকতে...
আপনাদের একান্ত সহযোগিতা আমার কাম্য...

ধন্যবাদ
বয়স মাত্র ছয়, কিন্তু একাই খায় এক গ্রামের মানুষের খাবার !

“আসসালামু আলাইকুম”

কেমন আছেন আপনারা ?
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালোই আছেন।
সবাইকে আমার নতুন এই পোস্টে স্বাগতম।

আজকের এই পোস্টে আমি আপনাদেরকে “ছয় বছর বয়সী এক বাচ্চার অস্বাভাবিক খাবার গ্রহণ” সম্পর্কে জানাবো… :)

বয়স মাত্র ৬ বছর। উচ্চতায় মাত্র ৩ ফুট ৫ ইঞ্চি। তাতে কি হয়েছে? সে একাই এক সপ্তাহে খেয়ে সাবাড় করে ফেলতে পারে একটি গ্রামের মানুষের সমপরিমাণ খাবার। এতো গেল শুধু খাবারের কথা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সুমনা খাতুন নামের ওই শিশুর ওজন ২০১ পাউন্ড। এ বয়সে স্বাভাবিক ওজনের চেয়ে যা ৫ গুণ বেশি। ভারত ও বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ভারতীয় মেয়ে শিশুদের মধ্যে সুমনা খাতুনই সবচেয়ে বেশি স্থূলকায়। জন্মের সময় তার ওজন ছিল ৮ পাউন্ড ৯০ আউন্স, যা মোটামুটি স্বাভাবিকই বলা যায়। কিন্তু যে মুহূর্ত থেকে দুধ পান করা শুরু করলো, সে মুহূর্ত থেকেই রুচিতে ব্যাপক পরিবর্তন চলে সুমনার। খাবার তালিকাও যেন অস্বাভাবিক ওজনের ভারে নুয়ে পড়তে আরম্ভ করলো। প্রতি সপ্তাহে সুমনা ১৪ কেজি পরিমাণের ভাত, ৮ কেজি আলু, ৮ কেজি মাছ ও প্রায় ১৮০ খানা কলা খেয়ে থাকে। তাছাড়াও হালকা খাবারের মধ্যে সে পছন্দ করে মিষ্টি ও ক্রিম কেক। তবে, তার মা বেলি বিবিও ভোজন রসিক মেয়ের পুরো খাবারের হিসাবটা দিতে পারলেন না। কারণ, দুপুরের খাবার শেষ করেই সুমনা আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খাবার চেয়ে নিয়ে খায়। ওদিকে সুমনা খাতুনের পিতা পেশায় কৃষক। কৃষিকাজ করে তিনি সপ্তাহে মাত্র ১২৩০ টাকা আয় করেন। আর, সে টাকার প্রায় পুরোটাই চলে যায় সুমনার পিছনে। বাকি পরিবারকে কখনও কখনও দিন কাটাতে হয় অনাহারে।

এতো কিছুর পরও সুমনার না খেতে দেয়ার অভিযোগের কোন শেষ নেই। সে একা যে খাবার খায়, তা দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে চলে যায় ৪ জনের একটি পরিবার। তাকে ব্যায়াম করানো হয় না। ১ মিনিটের বেশি হাঁটলেই ধপাস। সুমনার খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে আনা সব প্রচেষ্টাই বিফলে গেছে বলে দাবি করছেন তার মা। প্রচণ্ড জেদি সে। কিছু না পেলে কাদা খেতে শুরু করে দেয়। বেলি বিবি বলেন, আমিতো আমার সন্তানকে আর কাদা খেতে দিতে পারি না। তাই বাধ্য হয়ে খাবার দেই তাকে। তবে, পরিবারের ডাক্তার সুবোধ বন্দ্যোপাধ্যায় সুমনাকে একেবারে শিশু বয়স থেকে দেখছেন। তিনি বলেন, এখনই যদি তার পিতা-মাতা কোন পদক্ষেপ না নেন, তবে সুমনা হার্ট-অ্যাটাকে মারা যেতে পারে। কিন্তু মা বেলি বিবি জানান, আমরা কোন ভুল করিনি। আমরা অসহায়। আমাদের হাত বাঁধা। কারণ, সে যখন জেদ করে, খাবার জন্য বেশি কান্নাকাটি করে তখন তার নাক দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করে।

বিশেষ ধন্যবাদ, আলভী আফসাল মাহীম কে… :)

লেখাটি সংগৃহীত হয়েছে নিচের এই ফেসবুক পেজ থেকে, চাইলে লাইক করতে পারেন… :)

“জানার আছে অনেক কিছু”


আজকের মত এই পর্যন্তই…
সবাই ভালো থাকবেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন।

“আল্লাহ হাফেজ” :)

14 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ