Wi-Fi অতীত, আসছে ১০০ গুণ দ্রুত Li-Fi

0
131

চুটকিমে চিপকায়ের মতো নিমেষেই পলক পড়ার আগে ডাউনলোড হয়ে যাতে পারে আস্ত একটা ফিল্ম! এক মিনিটও নয়, মাত্র এক সেকেন্ডেই! ডেটা স্পিড যখন, ফোর-জি, ফাইভ-জি, সিক্স-জি… জি-এর পর জি, নিশ্চয় এসবই মাথায় ঘুরছে। না কোনও ‘জি’ নয়, Li-Fi-এর দৌলতেই এটা সম্ভব হতে চলেছে।  Wi-Fi তো শুনেছেন। সে অর্থে, দুধের শিশুকেও আজকাল ওয়াই-ফাই কী, বলে দিতে হয় না।

li-fi Wi-Fi অতীত, আসছে ১০০ গুণ দ্রুত Li-Fi

এই ওয়াই-ফাইকে সরিয়ে, অদূর ভবিষ্যতে যে তার জায়গা নিতে চলেছে, তারা নাম লাই-ফাই। বলতে পারেন ওয়াই-ফাইয়ের সুপার-ফাস্ট বিকল্প। পরিকল্পনার স্তরে নয়, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষিত, হাতেনাতে প্রমাণিত। এতটাই জোরে ছোটে একটা পূর্ণদৈর্ঘ্যের সিনেমা ডাউনলোড হয়ে যায় সেকেন্ডে। স্পিড ১ GBps। হিসেব কষলে দেখা যাবে, বর্তমান ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির থেকে ১০০ গুণ দ্রুততর।  এই প্রযুক্তির নেপথ্যে যিনি, তিনি অধ্যাপক মানুষ, নাম হ্যারল্ড হাস। এই লাই-ফাই দুনিয়ার সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়েছেন তিনিই, এটা তাঁরই আবিষ্কার।

কী এই লাই-ফাই? এক কথায় বললে, বিশেষ ধরনের একটি আলো। যার থেকে নির্গত রশ্মির মধ্য দিয়েই তথ্য যায় বাতাসে ভর করে। ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কে এই আলোকে কাজে লাগিয়েই ডেটা পাঠানো হয়ে থাকে।  এডিনবর্গ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হ্যারল্ড হস ২০১১ সালেই এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। দেখান, কী ভাবে সিঙ্গল লেডের মাধ্যমে সেলুলার টাওয়ারের থেকে বেশি ডেটা দ্রুত পাঠানো যায়।  এতদিন পরীক্ষামূলক ভাবে এয়ারলাইন্সে এই প্রযুক্তি কাজে লাগানো হচ্ছিল। ইন-ফ্লাইট যোগাযোগ রাখা হচ্ছিল লাই-ফাইকে কাজে লাগিয়ে। এমনকী গোয়েন্দারাও তা ব্যবহার করেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

seven − two =