ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) কি ? কেন ? নিয়ম ,পদ্ধতি ও উপকরণ

0
345
ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) কি ? কেন ? নিয়ম ,পদ্ধতি ও উপকরণ

satyaphotography

আমি ছবি তুলতে ভালবাসি। কোন ফটোগ্রাফার নই, কারন সে রকম যোগ্যতা আমার নেই। আমার ফেসবুক পেজ fb.com/satyaphotography.in আমি বাংলা ভাষায় ফটোগ্রফি সম্বন্ধে যা জানি আপনাদের জানাতে চাই। আমার ব্লক www.satyaphotography.in
ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) কি ? কেন ? নিয়ম ,পদ্ধতি ও উপকরণ

http://1.bp.blogspot.com/-tzQQo_iBowY/Vme1-Nw-ddI/AAAAAAAAAIc/lBMrRP_bKUU/s1600/DSC_0453.JPG

আমার আলোচনার বিষয় হল ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography)। Land কথার বাংলা প্রতিশব্দ ভূমি। তা যেমন খুশি জমি হতে পারে, জলাভূমি, বরফ আবৃত ভূমি, গাছপালা যুক্ত ভূমি, মরুভূমি, এক কথায় খোলা দিগন্ত। তার মধ্যে আছে আকাশ,মেঘ, প্রতিচ্ছবি,জলপ্রপাত ইত্যাদি অর্থাৎ ঘরের বাইরের জগত

       সুতরাং আমাদের দৃষ্টি গ্রাহ্য ভূমিরূপের সৌন্দর্য যখন আমরা ক্যমেরা বন্দী করি তখনই তা হয়ে ওঠে ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography)। কিন্তু এই ল্যণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফির
সৌন্দর্য বর্ধন করতে হলে কতগুলি কৌশল, নিয়ম ও কিছু উপকরণ দরকার হয়। আর আজকের আলোচনা আমার সেই বিষয়েই।

http://4.bp.blogspot.com/-3L4VvQUGlU8/Vme59r527fI/AAAAAAAAAJU/Wt6QUr_T0Io/s1600/DSC_0127.JPG

  • এখন প্রশ্ন হল আমরা ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) কেন দরকার :-

     এই প্রশ্নের কোন সুনির্দিষ্ট উওর নেই। তবে উত্তর গুলি মানুষ ভেদে বিভিন্ন রকম। কিন্তু একটা কথা স্বীকার করতেই হবে — প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের টানে মানুষ ছুটে যায় দিক দিগন্তে, তার সেই অপরূপ নান্দনিক সৌন্দর্যকে মুঠো বন্দী করে ধরে রাখতে গিয়েই ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) -র জন্ম। যে ছবি গুলি তাকে ভবিষ্যতে অতীতের স্মৃতি গুলি টাটকা করে দেবে।

     ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) প্রধানত মানুষের পছন্দের উপর নির্ভর করে। কেও কেউ ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি -র মধ্য মানুষের অল্প অস্তিত্ব পছন্দ করে, আবার কেউ কেউ শুধু মাত্র প্রকৃতিকেই পছন্দ করে। অনেকে আবার দুটোই পছন্দ করে। ভ্রমণের অভিজ্ঞতা,ঘরে বাইরের জীবনযাত্রা,প্রকৃতির সাথে মানুষের যোগাযোগের মুহূর্ত, জলবায়ুর বৈচিত্র্য, ভিন্ন ভিন্ন ভূমিরূপের সৌন্দর্য আস্বাদন,প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শিল্পের বিভিন্নতা , শহর ও গ্রামাঞ্চলের পৃথকতা প্রভৃতি বেশ কত গুলি কারণে ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) করে হয়ে থাকে

http://3.bp.blogspot.com/-8lt2gIN9DoA/Vme3NEESazI/AAAAAAAAAIo/fO1JmN-y_rg/s1600/DSC_0394.JPG

  • ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি -র বিষয় নির্বাচন :-

      মানুষ সোন্দর্য পিপাসু। তার বিষয় নির্বচন করার ধরনও বিভিন্ন রকম। এই বিষয নির্বচনের বিভিন্নতা একটি দৃশ্যকে বিভিন্ন ভাবে মানব মনে উদ্ভাসিত হয়।

তবে সব দিক বিবেচান করে ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফির বিষয় কে তিন (3) ভাগে ভাগ করা যায়, ক) প্রাকৃতিক, খ) মনুষ্যসৃষ্ট গ) কৃত্রিম।

ক) প্রাকৃতিক = ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography)-র সাধারণত আমারা বুঝি দিনের বেলায় সূর্যালোক ও রাতের বেলায় চন্দ্রালোকের উপস্থিতিতে আকাশ , জমি, জল এর কাছ থেকে বা দূর থেকে যে সৌন্দর্যময়তা ক্যমেরা বন্দি করা হয় তা। প্রাকৃতিক আলোর বর্ণময় বৈচিত্র্য, ভূমি রূপের দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্য ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফিকে বৈচিত্রময় করে তোলে। এছাড়া বিভিন্ন জাবাযু যেমন গ্রীষ্মের দাবাদহ, শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ, বসন্তে বৃক্ষের সৌন্দর্যানুভূতি, বর্ষার বারিধারা প্রবহমান রূপ প্রভৃতি এই প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি -র বিষয়। বর্জপাত, আগ্নেয়গিরি লাভা নিঃসরণ, বন্যা , ভূমিকম্প প্রভৃতির ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ,এর মধ্যে পড়ে।

খ) মানব সৃষ্ট = ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography)-তে এই রকম পরিবেশ সাধারণত কৃষিজমি, অরণ্য রোপণ,মানুষর বসতি, রাস্তাঘাট, পরিবহন ব্যবস্থা প্রভৃতির মধ্য দেখাযায়। মানুষ যখন চাষ করে তার একটা নির্দিষ্ট জ্যামিতিক কৌশল ব্যবহার করে, যখন বৃক্ষ রোপণ করে তার একটা নিদিষ্ট পদ্ধতি থাকে যা ফটোগ্রাফাররে ফটোগ্রাফিএর কৌশনের মাধ্যমে ক্যমেরায় গ্রহণ করে। মানব ইতিহাসে সুবিশাল নির্মাণ স্থাপত্য প্রভৃতি নান্দনিক দিক এই পর্যয়ের মধ্যে পড়ে। এই রকম ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফিকে, মানব সৃষ্ট ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি বলে।

গ) কৃত্রিম = ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) -র এই করম দৃশ্য সৃষ্টি করা হয় স্টুডিওর ভিতর। অর্থাৎ আলো কৃত্রিম, গাছ কৃত্রিম, পাহাড় কৃত্রিম, এমন কি জলবায়ু পরিবেশও কৃত্রিম ভাবে সৃষ্টি করা হয়।প্রধানত মানুষের চাহিদা যখন প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে পারে না তখন প্রযোজন হবে পড়ে কৃত্রিম ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি র।

http://4.bp.blogspot.com/-g12bOsbucxA/Vme36hGOe7I/AAAAAAAAAIw/iA7LqrBZnbY/s1600/blue%2Bsky.jpg

  • ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography) –র পদ্ধতি ও কৌশল :-

     আমরা যখন ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি শুরু করতে চাই তখন এর কিছু কৌশল আছে। এখানে সংক্ষিপ্ত ভাবে আলোচনা করছি। পরে বিস্তারিত লিখব। ছবি তুলতে কোন নিয়মের দরকার হয় না, তবে এর নান্দনিক সৌন্দর্য বদ্ধনের জন্য অবশ্যই বেশ কিছু কৌশল আছে।

ক) ফোরগ্রাউন ও ব্যকগ্রাউন = যেহেতু আমারা ল্যাণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি নিয়ে আলোচনায় আছি তাই এর সৌন্দর্য বাড়াতে গেলে ছবিটার পিছনের দিক ও সামনের দিক খেয়াল রাখতে হবে।কখন কখন সামনের বিষয় কে প্রকট করেতে গেলে পিছনের দিকটকে ঘোলা কারতে হয়। আবার পিছনের দিক টিকে প্রকট ভবে উপস্থাপনা করতে গেলে সামনের অংশকে ঘোলা করতে হয়।  আবার কখনো কখনো ছবির সমস্ত অংশই প্রকট করতে হয়।এটা লেন্স, ক্যমেরা ও সফ্টওয়ারের সাহায্যে করা যায়। কিভাবে তা পরে লিখব।

খ)আকাশ কে ব্যবাহার= ল্যণ্ডস্কেপে আকাশ  আসবে। সেটা কেমন ভাবে ব্যবাহার করা হবে তা ছবির সাবজেক্টে কেমন হবে তার উপর নির্ভর করে। এছাড়াও আকাশে মেঘ, রঙ প্রভৃতিও এই ফটোগ্রাফির কখনো কখনো প্রধান আকর্ষনিও বস্তু হবে ওঠে।

গ) সময় নির্বাচন = সময় নির্বচন একটা ল্যণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফিএর একটি প্রধানতম কৌশল। গোল্ডেন আয়ার ফটোগ্রাফি হল ল্যণ্ডস্কেপ ফটগ্রাফির একটি প্রধানতম সময় নির্বাচন। সূর্য যখন সকাল ও বিকেল বেলা মাটির সাথে ১০-১২ ডিগ্রিকোন করে আলো দেয় সেই সময়টিই হল গোল্ডেন আয়ার ফটোগ্রাফি (golden hour photography) মানে সূর্যওঠার ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং সূর্য অস্ত যাবার ৩০ মিনিট আগে পর্যন্ত সময়সীমা। এই সময় সীমাকে কাজে লাগিয়ে খুব সুন্দর ল্যণ্ডস্কেপ ফটো পাওয়া সম্ভব । পরে বিস্তারিত লিখব।

ঘ) জ্যামিতি আকারে দিকে গুরুত্ব= ভূমিরূপের মধ্যে জ্যমিতিক রেখা খুঁজে বারতে হবে। যা একটি ছবির সৌন্দর্য বর্ধনে সৃষ্টি করে। অর্থাৎ সরলরেখা, সামন্তরালে রেখা, গোলাকৃতি ভূমিরূপ, যে কোন জ্যমিতিক প্যাটান খুঁজে বার করতে হবে, এবং ছবি তুলতে হবে।

ঙ) প্যানোরমা = প্রকৃতির ছবি তুলতে গিয়ে অনেক সময় একটা ছবির মধ্য একটু বেশি অংশ রাখতে চাই। এই বেশি অংশ কতটা হবে সেই থেকে আসে ১৮০ ডিগ্রি প্যনোরমা ও ৩৬০ ডিগ্রি প্যনোরমার কথা। বর্তমান স্মাট ফোনের মাধ্যমে প্যনোরমা বেশ ভাল লাইভভিউ মাধ্যমে করা যায়। তবে dslr দিয়েও করা যায় সেখানে দুটি বা তার বেশী ছবি মিসিয়ে ফটোসফের মাধ্যমে তৈরী করতে হয়।

চ) আলোক রশ্মীর ব্যবাহার = দিন ও রাত, সকাল ও বিকেল, সূর্যদয় ও সূর্যাস্ত বিভিন্ন সময়ে আলোর মাত্রা ও তীব্রত বিভিন্ন হয়। এই আলো ব্যবাহার ও তার পরিমাপ করে খুব সুন্দর ল্যাণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি করা যায়।

এ নিয়ে আরো অনেক কিছু আছে  পরে বিস্তারিত লিখব।

http://2.bp.blogspot.com/-TFvESog28Ag/Vme4etByVaI/AAAAAAAAAI4/SWKL8f-P6l0/s1600/tgtt.jpg

  • ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography)-র প্রযুক্তিগত নিয়ম কানুন :-

       এটি ক্যমেরা প্রযুক্তি গত দিক। এর অর্থ হল ক্যমেরার সেটিং ও বিজ্ঞানসম্মত ভাবে তার ব্যবাহার করে কি করে ল্যাণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি করা হয়।ক্যমেরাটাকে কেনার পর যদি আমরা ব্যবহার করতে না পারি তাহলে যেমন ছবি তোলা যায় না তেমনি ল্যান্ডস্কেপ ছবি তুলতে গেলে হয়তো এই সম প্রযুক্তি গত নিয়ম কানুন না মানলেও ছবি তোলা যাবে তবে তা দৃষ্টি নন্দন ও মনের মত করতে যে প্রযুক্তি গুলি জানতে হবে তা নিয়ে এখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করছি।

ক) এঙ্গেল অফ ভিউ = ল্যান্ডস্কেপ কতটা অংশ আমি বা আমরা ছবির মধ্যে রাখব তার পরিমাপ করা। এটি মূলত ক্যমরার লেন্স ও সেন্সার কর বড় তার উপর নির্ভর করে। ওয়াইড এঙ্গেল লেন্সে বেশি পরিমার ল্যাণ্ডস্কেপ পাওয়া সম্ভব তেমনি বিভিন্ন সাইজের সেন্সারে বিভিন্ন ফোকাল লেন্থ বিভিন্ন বিভিন্ন এঙ্গেল অফ ভিউ তৈরী করে। তেমনি ক্যমেরা আগে ও পিছনে নিয়ে গিয়েও এই এঙ্গেল অফ ভিউ বাড়ানো ও কমানো সম্ভব।

খ)আপাচার= আপাচার হল লেন্সের ভিতের দিয়ে আলোর সেন্সারে প্রবেশের পথ। এই পথ টিকে ছোট করে কম আলো প্রবেশ করানো হয় ও পথ টিকে বড় করে বেশী আলো প্রবেশ করানো হয়। তাই কম আলোতে লেন্সেকে বেশি বড় খুলতে হয় যদিও এর সীমাবন্ধতা আছে। ল্যণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফিতে সাকাল, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা ,রাত প্রভৃতিতে বিভিন্ন রকমের আপাচার হয়। পরে এই নিয়ে লিখব।

গ) ডেফথ অফ ফিল্ড =লেন্স ও ক্যমেরা বোঝানো হয় ছবির কোন জায়গার কোন অংশকে আমি সার্ফনেশ রাখব ও কোন অংশকে ঘোলা করব। সামনের ও পিছনের কোন অংশকে আমি প্রকট করব তা। লেন্সের মাধ্যেমে সঠিক ফোকাশ করাকেই ডেফথ অফ ফিল্ড বলা হয়। তবে এটি নিযন্ত্রিত হয় আপাচার,ডেফট অফ ফিল্ডম সেন্সারের সাইজ এর উপর।

ঘ)এক্সপোজার = এটি হল সেন্সারের আলোক সংবেদনশীলতা। কি পরিমান আলো, কতক্ষণ ধরে পড়তে সঠিক ভাবে ল্যন্ডক্সেপকে তুলেধরা হবে তার পরিমাপ হল এক্সপোজার ।এটি ISO, আপাচার ও সাটার স্পিডের এর উপর নির্ভর করে।

ঙ) রুল অফ থার্ড =  এটি একটি ছবি তোলা বা ছবি ক্রপ করার নিয়ম। দৈঘ্য ও প্রস্থে ছবিকে সমান তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর পর ল্যাণ্ডস্কেপে কখনো দুই ভাগে ভূমি ও এক ভাগে আকাশ, আবার কখনো এক ভাগে ভূমি ও দুই ভাগে আকাশ রাখা হয়। একটি দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্য। তবে এটি প্রতিবিম্বের ক্ষেত্রে মানা হয় না।

চ) শাটার স্পিড = ক্যমেরার কতক্ষণ ধরে সেন্সারে আলো প্রবেশ করবে তার সময় সীমা নিধারণ করাই হল শাটার স্পিড। রাতের বেলা বেশিক্ষণ ধরে শাটার খুলে রাখার প্রয়োজন হয়ে পড়ে আর দুপুর বেলা কম সময় শাটার খুলতে হয়।এর কিছু নিয়ম আছে পরে লিখব। ল্যাণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফিতে লঙ এক্সজাররে ছবি তুলতে এই শাটার স্পিডের পরিমাপ জানা প্রয়োজন।

http://3.bp.blogspot.com/-w6Ul_Y3Nyrw/Vme47lqLdCI/AAAAAAAAAJA/HpbkqmAzcfw/s1600/dvc2.jpg

  • ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি (Landscape photography)-র উপকরণ :-

       আমার আলোচনা মূলত dslr ক্যমেরা নিয়ে। তাই ল্যাণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফিতে যে যে উপকরণ গুলির দরকার হয় তা নিয়ে সক্ষিপ্ত আলোচনা করছি।

ক) লেন্স = যদিও ল্যণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফির করতে গেলে একটা কিট লেন্সই যথেষ্ট তবু ভাল ভাবে ল্যাণ্ডস্কেপ করতে গেলে একটি ওয়াই এঙ্গেল লেন্স দরকার। কারণ অনেকটা জায়গা একটা জায়গায় রাখতে গেলে বেশী পরিমান  এঙ্গেল অফ ভিউর প্রযোজন।

খ) সেন্সার = ল্যাণ্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি যে কোন সেন্সর দিয়ে করা যায়। কিন্তু যদি আপনার বেশি জায়গা দরকার হয় একটি মাত্র ক্লিকে তবে ফুলফ্রেম সেন্সার আপনার জন্য উপযুক্ত।

ঘ) ট্রাই পড = স্থীর ভাবে অনেক সময় নিয়ে শাটার খুলে রেখে ছবি তুলতে একটা ট্রাইপড অত্যন্ত জরুরী। ক্যামেরা কাঁপলে ছবিও কাঁপবে আর ছবি ব্লার হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে।

ঙ) রিমোট শাটার অন অফ = ক্যামরার কম্পন না করে ছবি তুলতে এই রিমোট শাটার অন অফ জরুরী। তা না হলে আনাকে টাইমার ব্যবাহার করতে হবে। তবে টাইমারের সীমা বন্ধতা আছে। ক্যামেরা কাঁপলে ছবিও কাঁপবে আর ছবি ব্লার হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে।

চ)ফিল্টার = আজকের dslr এর যুগে যে তিনটি ফ্লিল্টার আজও টিকে আছে আর মধ্যে প্রথম টি হলো N D ফিল্টার । এর নাম অনেকই শুনেছেন। এটিকে বলা হয় নিউট্রাল ডেনসিটি ফিল্টার (neutral density filter) । এটি দিয়ে দিনের বেলা শুধুমাত্র আলোর তীব্রতা কমানো হয় কালারের কোন রকম পরিবর্তন করা হয় না। ফলে চড়া আলোতেও লঙ এক্সপোজারের ছবি তোলা যায়। দ্বিতীয় টি হল পোলারাইজিং ফিল্টার (polarizing filter) । এটি দিয়ে বাতাসের ধূলোবালি, জল , চকচকে ধাতু, কাঁচ প্রভৃতি থেকে বিচ্ছুরিত রশ্মি মাত্রা কমানো হয়। যার ফলে ছবির সার্পনেশ বেড়ে যায়। আর তৃতীয়টি হল u v ফিল্টার যা আল্টাভাযোলেট ফিল্টার। এটি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ছবির কোয়ালিটিকে রক্ষা করে। যদিও বর্তমানে যে লেন্স পাওয়া যায় তাতে UV কোটিং থাকে। তবু UV ফিল্টার কেনা হয় কারণ এটি লেন্সের ফ্রন্ট এলিমেন্ট কে সুরক্ষা দেয়।

http://2.bp.blogspot.com/-erT7nSMOxV8/Vme5gtpzgtI/AAAAAAAAAJM/OkvNZRNzamo/s1600/DSC_0400.JPG

 

আমার ফেসবুক পেজ (CLICK HERE)

আমার ওয়েব পেজ (এখানে)

একটি উত্তর ত্যাগ