অল্প সময়ে মানসম্মত আর্টিকেল লিখার কিলার টিপস

0
276

কেমন আছেন সবাই? আশা করি, সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো মানসম্মত আর্টিকেল লিখার কিলার টিপস। চলেন শুরু করি।

আপনি যদি গুগলে একটা কিওয়ার্ড বা বিষয়ের উপরে সার্চ দেন, তবে গুগল ওই বিষয়ে প্রকাশিত হাজার হাজার তথ্য আপনার সামনে তুলে ধরবে। আপনি যদি “Article Writing Tips” লিখে সার্চ দেন, তবে দেখবেন আপনার সামনে কয়েক লক্ষ্য সাইটের লিংক তুলে ধরেছে গুগল। অথচ গুগল প্রথম পাতায় দেখাচ্ছে মাত্র ১০টি রেজাল্ট। কিন্তু, কেন গুগল এই লক্ষাধিক সাইটের মধ্যে মাত্র দশটি টিউন আপনার সামনে তুলে ধরলো?

 

এই ১০টি সাইট কি গুগলকে পে করছে? না, গুগলকে কোন পে করা ছাড়াই গুগল এই ১০টি সাইটকে প্রথম পেজে দেখিয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, কেন গুগল এই দশটি সাইটকে প্রথম পেজে দেখালো?

 

এর মুলে রয়েছে মানসম্মত আর্টিকেল এর বিশাল অবদান। তাই মানসম্মত আর্টিকেলের গুরুত্ব অপরিসীম। মানসম্মত আর্টিকেল লিখতে যা যা করনীয়:

 

১। শুরুতেই দেখতে হবে আপনি যে টপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখবেন বর্তমান বাজারে তার চাহিদা বা গুরুত্ব কেমন। ভবিষ্যতে এর গুরুত্ব কেমন হবে। যেই সব টপিকের চাহিদা কম মানে সার্চ কম সেইসব টপিক নিয়ে কষ্ট করে আর্টিকেল লেখার চেষ্টা না করাই শ্রেয়।

 

২। আর্টিকেলের টপিক যদি কোন একটা নির্দিষ্ট সময়ের প্রেক্ষিতে হয় তাহলে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, সবার আগে যেন আপনিই সেই আর্টিকেল টিউন করতে পারেন। কারন, নির্দিষ্ট সময়ের পরে আর সেই টপিকের সার্চ ভ্যালু থাকবে না কিংবা আস্তে আস্তে কমে যাবে। যেমন – আপনার টপিক হল “ICC World Cup Opening Ceremony 2011”. এই বিষয়ে যদি আপনি লিখতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ‘Opening Ceremony’ এর একটু আগে বা পরে যত দ্রুত সম্ভব ‘Opening Ceremony’ এর বিস্তারিত লিখতে হবে। এখন আপনি যদি ‘Opening Ceremony’ -র ৫-১০ দিন পর এই বিষয়ে লেখেন তাহলে কি কেউ সেই লেখা পড়বে? আমার মনে হয় না যে কেউ পড়বে। আপনি নিজেই হয়তো পড়বেন না, তাই না।

 

৩। অনেক বিষয় আছে যেগুলো সারা জীবন থাকবে মানে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার আগ পর্যন্ত। এই ধরনের কোন দীর্ঘমেয়াদি টপিক নিয়ে লেখার চেষ্টা করতে হবে। কারন, এই টপিকের সার্চ ভ্যালু কোন দিন ফুরোবে না। যেমন আপনি লিখলেন “Weight Loss Tips” নিয়ে। তাহলে কি কোন একদিন এর সার্চ ভ্যালু শেষ হওয়ার কথা? উত্তর – অবশ্যই না।

 

৪। “Copy a idea but not a Content” এই বিষয়টা অনেক স্পর্শকাতর। কারন, এখন কারো কনটেন্ট কপি করলেন তো মরলেন। আপনি চাইলে অই টপিকের উপর ৫-৭ টা আর্টিকেল পড়তে পারেন। সেখান থেকে আইডিয়া নিতে পারেন কিন্তু ভুলেও কখনো কারো কনটেন্ট কপি করবেন না।

 

৫। আপনি এমন একটা টপিক আপনার জন্য বেছে নিলেন যে, সেটার কিছুই আপনি জানেন না। সেক্ষেত্রে আপনাকে সেই বিষয়ের উপর সার্চ করে ৮-১০ টা ভালো মানের আর্টিকেল বেছে নিয়ে সেগুলো পড়লে আপনার মধ্যেই আইডিয়া গিজ গিজ করবে।

 

৬। অনেকেই ব্লগে ১০০ থেকে ২০০ ওয়ার্ডের বেমানান আর্টিকেল লিখে থাকেন। মনে রাখবেন, আর্টিকেল সাধারণত কমপক্ষে ৫০০ ওয়ার্ডের হওয়া উচিৎ। তথ্যবহুল আর্টিকেল অবশ্যই ভাল জনপ্রিয়তা পেয়ে থাকে।

 

আর্টিকেল কেমন হওয়া উচিত চাইলে দেখে আসতে পারেন এই সাইটগুলো থেকেঃ

http://fitnessinsightsblog.com/best-diet-for-arthritis/

http://justweightlossfacts.com/weight-loss-calculator/

http://makemoneyonlinedata.com/learn-to-make-money-online/

http://beautyproductsportal.com/how-to-wear-lipstick/

http://cellphonesinfozone.com/cell-phone-technology/

একটি উত্তর ত্যাগ