সংসদে বসে ‘পর্নো ক্লিপিংস’ দেখে বহিষ্কৃত

0
259
কিছু কিছু দেশে সংসদ সদস্যরা সংসদে বসে ‘পর্নো ক্লিপিংস’ দেখে বহিষ্কৃত হন। কিন্তু ব্রিটিশ সংসদের ‘হাউস অফ কমন্স’-এর হাল এর চেয়েও শোচনীয়। সেখানে নবাগত এমপি’দের হতে হচ্ছে লালসার শিকার।

শুধু তাই নয় অপেক্ষাকৃত প্রবীণ সাংসদরা সংসদেরই এর বাইরে নয়। মদ খেয়ে চুর সাংসদের লালসার শিকার হচ্ছেন নবীন অনেক সংসদ সদস্য। সংসদে সবসময় যৌন হেনস্থার অভিযোগ লেগেই থাকে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে সংসদের স্পিকার জন বার্কোকে চালু করতে হয়েছে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর যেখানে গোপনে অভিযোগ জানানো যাবে এমপিদের বিরুদ্ধে।

Advertisement

একটি প্রথম সারির ব্রিটিশ টেলিভিশন চ্যানেলের স্টিং অপারেশনে উঠে আসা এই মারাত্মক অভিযোগ নিয়েই এখন সরগরম সাগরপাড়ের রাজনীতি। অপারেশনের নামও তাৎপর্যপূর্ণ। ‘দ্য প্যালেস অফ সেক্স মিনিস্টার’ নামের এই রিপোর্টের আরও দাবি, যৌন নির্যাতন চালানোর সঙ্গে নারী ও পুরুষ উভয় লিঙ্গের ব্রিটিশ এমপিরাই সমানভাবে জড়িয়ে।

এমন অপকর্মে লিপ্ত এমপিরা বলে থাকেন, তাদের লালসা চরিতার্থের সুযোগ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য ভবিষ্যতে বিপুল সম্ভাবনার পথ খুলে যাবে।

চ্যানেলের দাবি, হাউস অফ কমন্স-এ এমপিদের হাতে নারীদের চেয়ে তরুণদের যৌন হেনস্থা ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরিসংখ্যান বেশি। হাউস অব কমন্স-এ কর্মরত ব্যক্তিদের এক চতুর্থাংশই বিভিন্ন সময়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ৪০ শতাংশ নবীন সাংসদই দাবি করেছেন, বলেছেন, তারা অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ