বিশেষজ্ঞরা ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত

0
277

সম্প্রতি ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ কোনো অপশক্তির প্রভাব নয় বরং ইন্টারনেটের ধারণক্ষমতা। বর্তমানে যে ধারায় ইন্টারনেটের সম্প্রসারণ হচ্ছে তাতে এ ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা শেষ হয়ে যাবে আগামী আট বছর পর। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে আইএএনএস।

বর্তমানে ক্যাবল ও ফাইবার অপটিক্স দিয়ে ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্ভরশীল। এতে ব্যবহারকারীর প্রান্তে রয়েছে পার্সোনাল কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট এবং অন্যান্য ডিভাইস।

ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত বিশেষজ্ঞরা ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত

গবেষকরা জানাচ্ছেন, ইন্টারনেট যোগাযোগ যে ফাইবার অপটিকের ওপর নির্ভরশীল, তা সর্বোচ্চ ক্ষমতায় পৌঁছাবে আগামী আট বছর পর। এরপর ফাইবার অপটিকের পক্ষে আর কোনো বাড়তি তথ্য বিনিময় করা সম্ভব হবে না। আর ইন্টারনেটের মতো সংবেদনশীল ব্যবস্থা ধারণক্ষমতার সর্বোচ্চ বিন্দুতে পৌঁছালে তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা ধ্বসে পড়তে পারে।

এছাড়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাড়তি বিদ্যুৎ ব্যবহার। গবেষকরা জানাচ্ছেন, ব্রিটেনের ইন্টারনেট ব্যবহারের যন্ত্রপাতি যে হারে বাড়ছে তাতে আগামী ২০ বছর পর সে দেশে উৎপাদিত সব বিদ্যুৎই এতে লেগে যাবে।

ইন্টারনেটের এ সমস্যা মোকাবেলায় নেতৃস্থানীয় প্রকৌশলী, গবেষক ও টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলো সম্প্রতি লন্ডনের রয়াল সোসাইটিতে এ মাসের শেষে বসতে যাচ্ছে। তাতে ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ সংকট নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এ বিষয়ে প্রফেসর অ্যান্ড্রু ইলিস বলেন, ‘আমরা গবেষণাগারে একটি অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের সর্বোচ্চ ডেটা ধারণক্ষমতায় পৌঁছেছি এবং এরপর আর কোনো বাড়তি তথ্য বিনিময় করা সম্ভব হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তথ্য বিনিময়ের চাহিদা ক্রমে বাড়ছে। এটি বাড়ছে এবং অগ্রগতি অব্যাহত আ। আমরা বহু বছর ধরে খুবই ভালোভাবে এগিয়েছি। কিন্তু এখন আমরা এমন একটা পয়েন্টে যাচ্ছি, যেখান থেকে আর এগোনো যাবে না।’

সম্প্রতি ইন্টারনেট টিভি, স্ট্রিমিং সার্ভিস ও শক্তিশালী কম্পিউটারের কল্যাণে ইন্টারনেটের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। ইন্টারনেটও সে অনুযায়ী প্রসারিত হয়েছে। কিন্তু এবার ইন্টারনেটের ধারণক্ষমতার সর্বোচ্চ বিন্দুতে পৌঁছানোর পর তার পরবর্তী উন্নতি নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আর এ সময়টি আসতে যাচ্ছে মাত্র আট বছর পর।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here