তরমুজে বিপজ্জনক লাল রঙ ও মিষ্টি সেকারিন মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ।

0
352

তরমুজে বিপজ্জনক লাল রঙ ও মিষ্টি সেকারিন মিশিয়ে ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মাধ্যমে পুশ করে পাকা ও লাল বলে বিক্রি করা হচ্ছে। এই তরমুজ খেয়ে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন মারাত্মক অসুস্থ হওয়া এবং মৃত্যুও হতে পারে।

রাজধানী ও গ্রামগঞ্জে তরমুজ সবার কাছে বেশ জনপ্রিয়। এতে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকে। এই ফলে শতকরা ৬ ভাগ চিনি, ৯২ ভাগ পানিসহ অন্যান্য ভিটামিন জাতীয় উপকরণ থাকে। এছাড়াও দাম কিছুটা কমের কারণে সবাই গরমে তরমুজ খায়। দেশের উপকূলেও বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় এই ফলের চাষ করা হয়। এভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অসাধু ব্যবসায়ীরা তরমুজে ভেজাল মিশিয়ে নতুন কৌশলে বেশি দামের আসায় বিক্রি করছে।

tormuj1 তরমুজে বিপজ্জনক লাল রঙ ও মিষ্টি সেকারিন মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ।বিভিন্ন তরমুজের আড়তে ভোর বেলায় টোকাইসহ ফুটপাটের শিশুদের দিয়ে পুরনো ব্যবহ্নত ইনজেকশনের সিরিজে বিষাক্ত লাল রঙ ও মিষ্টি সেকারিন কিনে পানি মিশিয়ে তরমুজের বোটা বা নিচের অংশে কৌশলে ইনজেকশনের সুই ঢুকিয়ে কেমিক্যাল মেশানো হয়। এই কেমিক্যাল মেশানোর কারণে তরমুজ লাল রঙ ধারণ করে ও মিষ্টি হয়। দোকানে চুরি দিয়ে কেটে তরমুজ পাকা দেখিয়ে এর দাম হাঁকানো হয়। অনেক সময় তরমুজ যাতে নষ্ট না হয় তার জন্য কেমিক্যাল মেশানো হয়।

১০০ তরমুজে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশালে টোকাইদের দেয়া হয় ২০ থেকে ২৫ টাকা। তারা ভোর থেকে টাকার লোভে সকালে ক্রেতা আসার আগে বিষাক্ত রঙ মেশানোর কাজ শেষ করে। এভাবে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহর এবং তরমুজের আড়তে সুযোগ বুঝে অসাধু ব্যবসায়ীরা তরমুজে ভেজাল মেশায়
এতে শিশু বমি, ডায়রিয়া হয়ে মারা যেতে পারে।

আমার ওয়েবসাইট চাইলে ভিজিট করতে পারেন   এইখানে

একটি উত্তর ত্যাগ