নোটপ্যাড দিয়ে নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ডিজিটাল ডায়েরি

0
400
নোটপ্যাড দিয়ে নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ডিজিটাল ডায়েরি

rawnok-kha

I've working with different marketplace like(oDesk.com, Elance.com, Freelancer.com), Recent, I'm working with IT company for Software Developer
নোটপ্যাড দিয়ে নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ডিজিটাল ডায়েরি

নোটপ্যাডেই তৈরি করুন নিজের ডিজিটাল ডায়েরিঃ
আমাদের নিত্যদিনে হরহামেশাই যে জিনিসটি প্রায় সবারই কাজে লাগে তা হল ডায়েরি। খুঁটিনাটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার যখন তখন আমরা টুকে নিতে পারি ডায়েরিতে। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন বুঝে ডায়েরির পাতা উল্টালেই কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুঁজে নেয়া সম্ভব। অনেকেই এখন কাজে বের হবার সময় সাথে করে একটি ডায়েরি নিয়ে বের হন।

তবে আপনি চাইলে আপনার নিজস্ব ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপেও চাইলে যে কোন মুহূর্তে তৈরি করে নিতে পারবেন নিজের একটি ডিজিটাল ডায়েরি। যখন খুশি যে কোন প্রয়োজনেও খুব সহজেই ব্যবহার এবং হালনাগাদ করতে পারবেন আর দশটি সাধারন ডায়েরির মতই। উইন্ডোজে খুব সহজেই ডিজিটাল ডায়েরি করা যাবে শুধুমাত্র নোটপ্যাড ফিচারটি ব্যবহার করেই। একবার ডায়েরি ফিচারটি তৈরি হয়ে গেলেই এরপর থেকে যাবতীয় তথ্য হালনাগাদ করা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময় ও টুকে রাখতে পারবেন কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই।

ডিজিটাল ডায়েরি তৈরি করতে গেলে যা যা করতে হবেঃ

NP নোটপ্যাড দিয়ে নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ডিজিটাল ডায়েরি

১। প্রথমেই Start মেন্যু তে গিয়ে Notepad অপশন টি ক্লিক করুন।

Np নোটপ্যাড দিয়ে নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ডিজিটাল ডায়েরি

২। এরপর ফাইলের ভেতরে ঢুকে লিখুন “ .LOG ” ( অবশ্যই বড় হাতের অক্ষর হতে হবে ) । এরপর ফাইলটি Save করুন যে কোন নাম এবং এক্সটেন্সান দিয়ে ( উদাহরনঃ My_diary.txt , diary.LOG ইত্যাদি)। এবার Save করা হলে এবার ফাইলটি Close করে দিন।

Np নোটপ্যাড দিয়ে নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ডিজিটাল ডায়েরি

৩। এবার ওই নোটপ্যাড ফাইলটি আবার ওপেন করলেই দেখবেন সবার উপরে একটি .LOG লিখা লাইন দেখা যাচ্ছে। লাইনটির ঠিক নিচেই তখনকার সময় এবং তারিখ সম্বলিত আরেকটি লাইন পাওয়া যাবে। এখানে লিখুন আপনার জরুরী কোন গুরুত্বপূর্ণ নোট , কিংবা তথ্য। কাজ শেষ করে আগের মতই Save করে ফাইল Close করে দিলেই হবে।

Np নোটপ্যাড দিয়ে নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ডিজিটাল ডায়েরি

এভাবে আপনি প্রতিবার নোটপ্যাড ফাইলটি ওপেন করার সাথে সাথেই ঠিক ওই মুহূর্তের সময় আর তারিখের একটি লাইন দেখতে পাবেন। এরপরে যখন খুশি এডিট করে নতুন তথ্য যুক্ত করুন। ব্যস হয়ে গেলো আপনার ডিজিটাল ডায়েরি। এরপরে প্রতিবার ওপেন করলেই দেখে নিতে পারবেন সর্বশেষ কোন বিষয়টা টুকে রেখেছিলেন। তবে এই ডিজিটাল ডায়েরির একটা বড় অসুবিধা হল , আপনি পূর্বের কোন তথ্য নতুন করে এডিট করতে পারবেন না।

LEAVE A REPLY

two × 2 =