অনলাইনে তথ্য গোপন রাখার সহজ ৭টি উপায়

0
329

ফেসবুক প্রোফাইল হোক বা জি-মেল, ইদানিং হ্যাক হওয়ার প্রবণতা এত বেড়ে গিয়েছে যা চিন্তায় রেখেছে সাধারণ মানুষকে। এই প্রতিবেদনে কয়েকটি সহজ উপায় দেওয়া হল ওয়েব দুনিয়ায় নিজের তথ্য গোপন রাখার-

পাসওয়ার্ড নিজের কাছে রাখুন: কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের পাসওয়ার্ড যেন কখনই এক না হয়৷ আর ব্যাংক কার্ড-এর সঙ্গে যেন এই পাসওয়ার্ডের মিল না থাকে৷ এছাড়া কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে কোনো পাসওয়ার্ড লিখে রাখবেন না৷ এর ফলে আপনার তথ্য চুরির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়৷

তথ্য গোপন অনলাইনে তথ্য গোপন রাখার সহজ ৭টি উপায়

‘গুগল অ্যালার্ট’ ব্যবহার করুন: এটা খুব সহজ উপায়। আপনি যদি দেখতে চান ইন্টারনেটে আপনার সম্পর্কে কে কী বলছে তাহলে সোজা এই ঠিকানায় যান – http://www.google.com/alerts এবং আপনার নাম লিখুন৷ তারপর আপনার নাম লিখে অ্যালার্ট অপশন ক্লিক করে দিন।

অফিসের কম্পিউটার বা বন্ধুর ল্যাপটপ ব্যবহার করলে- আপনি যদি অন্য কারুর কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করেন, তবে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন৷ আপনার পর যিনি সেটা ব্যবহার করবেন, তিনি যাতে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারে – সেটা খেয়াল রাখুন৷ আপনি যদি এটা করতে ভুলে যান, তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে৷

ফোন, ই-মেল কাউকে ব্যবহার করতে না দেওয়া: অচেনা কোনও মানুষ এই নম্বরগুলো জানতে চাইলে, দেবেন না৷ দেখা যায় কোনও অফিস তাঁর কর্মীর কাছ থেকে এই সব তথ্য চাইলে, অনেকেই তা দিয়ে দেন। বহু অফিস কর্মীদের এইসব তথ্য নিয়ে একটি অভ্যন্তরীণ প্রোফাইল তৈরি করে৷ আপনার কিন্তু এ সব তথ্য না দেওয়ার অধিকার আছে৷ তাই আপনি যদি এতে স্বাচ্ছ্বন্দ্যবোধ না করেন, তবে দেবেন না৷

কার্ড নয় ক্যাশ: অনলাইন কেনাকাটায় রাশ টানুন। আপনি যদি চান আপনি যে পণ্যটি কিনছেন, সেই কোম্পানি আপনারা পরিচয় না জানুক, তবে নগদ অর্থে জিনিস কিনুন৷

ফেসবুকে নিরাপত্তার জন্য ‘ফ্রেন্ডস’ ব্যবহার করুন: ফেসবুকে সবসময় ‘সিকিউরিটি’ বা নিরাপত্তা মজবুত করুন৷ পোস্ট করার পর লক্ষ্য রাখুন আপনি আপনার ছবি বা মন্তব্য ‘ফ্রেন্ডস’ করে রেখেছেন, নাকি ‘পাবলিক’ করেছেন৷ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুকে পোস্ট করতে হলে অবশ্যই ফ্রেন্ডস অপশনে ক্লিক করে রাখুন।

‘হিস্ট্রি’ এবং ‘কুকিস’ মুছে ফেলুন: আপনি শেষবার কবে এটা করেছেন? জলদি ব্রাউজারে গিয়ে ‘প্রাইভেসি সেটিংস’-এ যান, সেখানে ‘নেভার রিমেমবার হিস্ট্রি’ নির্বাচন করুন৷ এর ফলে ইন্টারনেটে আপনাকে ‘ট্র্যাক’ করাটা হ্যাকারদের জন্য কঠিন হবে৷ এছাড়া আপনি ‘অ্যাড অন’-ও ব্যবহার করতে পারেন৷

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × 3 =