কল অফ ডিউটি: ব্ল্যাক অপস ২

0
625

কল অফ ডিউটি! মিলিটারী শুটার ভিডিও গেমস জগতে সবচেয়ে জনপ্রিয় গেমস সিরিজ! সিরিজের সর্বশেষ সংস্করণ হলো ব্ল্যাক অপস ২। ব্ল্যাক অপস ২ সিরিজের প্রথম ভিডিও গেম যাতে “নিজস্ব কাহিনীচক্র” ফিচার রয়েছে। মানে হলো প্লেয়ার এর পছন্দ মতো মিশন সামনের দিকে এগোবে। এছাড়া গেমটি “স্ট্রাইক ফোর্স” স্পেশাল মিশন ফিচার করবে যা প্রতিটি মিশনে “ভিন্ন” স্বাদ এনে দিবে “যদি” প্লেয়ার চায়।একটি ফার্স্ট পারসন শুটার ভিডিও গেম নির্মাণ করেছে ট্রির্য়াচ এবং প্রকাশ করেছে এক্টিভিশন। গেমটি কল অফ ডিউটি গেমস সিরিজের নবম সংস্করণ মুক্তি পেয়েছে নভেম্বর ১৩, ২০১২ সালে। গেমটি ২০১১ সালের ব্ল্যাক অপস গেমটির ডাইরেক্ট সিকুয়্যাল। গেমটির কাহিনী বা স্টোরিলাইট দুটি বিভাগে সাজানো হয়েছে, ১৯৮০ এর দশকে এবং ২০২৫ সালে।

 

কাহিনীচক্র:

২০২৫ সাল . . . . .। স্পেশাল ফোর্স অপারেটিভ সদস্য ডেভিড মেইসন এবং তার পার্টনার মাইক হারপর “দ্যা ভল্ট” এ হাজির হয়। “দ্যা ভল্ট” একটি টপ সিকুরেটি ওয়ালা হাউজ যেকানে ফ্র্যাঙ্ক উডস বসবাস করেন। তারা ভল্টে আসে রাউল মেনেনডেজ এর সর্ম্পকে জানার জন্য। উডস জানায় যে রাউল তার সাথে কিছুদিন আগে ভিজিট করেছে এবং তাদেরকে একটি লকেট দেখায় যেখানে একটি চিঠি পড়ে ছিল। ফ্র্যাঙ্ক তার জীবনের কিছু মিশনগুলো তাদেরকে বলে।

উডসের ভাষায়, ১৯৮৬ সালে এলেক্স মেইসন স্বাভাবিক ভাবে তার কর্মজীবন থেকে অবসর নিবে কিন্তু তার সাবেক বস জেইসন হাডসন, তাকে অনুরোধ করে যে তাদের পুরোনো বন্ধু উডসকে বাঁচাতে, যাকে সাউথ আফ্রিকার কুয়ানডো কুবানোতে বন্দি করে রাখা হয়েছে। উডসকে অপহরণ করা করা হয় তখন যখন উডস জোনাস স্যাভিম্বির লোকজনদের চিকিৎসা করছিলেন।

স্যাভিম্বির ইউনিটের সাহায্য নিয়ে মেইসন এবং হাডসন কুবানগোদের হাত থেকে উডসকে উদ্ধার করে। তখন তারা সেখানে রউল মেনেনডেজকে খুঁজে পায়। পরে তাদেরকে হেলিকপ্টারে করে সেখান হতে উদ্ধার করা হয়। পরে জানা যায় যে মেনেনডেজই উডস কে বন্দি এবং উডস এর দলকে হত্যার জন্য দায়ী।

এই তথ্যের ভিক্তিতে মেইসন এবং হাডসন মেনেনডেজকে ফলো করতে থাকে, মেনেনডেজ এখন সাউথ আফ্রিকা এভং লাতিন আমেরিকার প্রাইমারী আর্মস ডিলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সে বছরের শেষের দিকে, সিআইএ একজন নিকেরাজুয়ানের বিরুদ্ধে স্ট্রাইক করে, যে সোভিয়েত নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তাতে অস্ত্রের ব্যবসায় প্রচুর মুনাফা অর্জন করছে। পরে রউল এর পিতাকে রিমান্ডে নিয়ে জানা যায় যে সে রউলই ছিল।

পরে মেইসন, উডস, হাডসন এবং স্থানীয় নিরাপত্তা দল নিকেরাGua তে রউল এর হেডকোয়াটারে হামলা চালায়। সেখানে উডস রউল এর বোন জোসেফিনাকে গ্রেণেডের মাধ্যমে হত্যা করে।

এরপর রউল তার বোনের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে রাখে এবং একে একে প্রতিশোধ নিতে থাকে। ১৯৮৯ সালের পানামা ইনভেইশনের সময়, রউল হাডসন এবং ডেভিডকে অপহরণ করে, এবং তাদেরকে ব্যবহার করে ফাঁদ পাতে। রউল হাডসনকে ব্যবহারকে উডসকে ধাঁধায় ফেলে দেয়। পরে রউল হাডসনকে হত্যা করে ফেলে এবং ডেভিড আর উডসকে বাঁচিয়ে রাখে এবং ছেড়ে দেয় এই বলে যে “সময় যখন আসবে তখন তোমাদের বিরুদ্ধেও প্রতিশোধ নিবো।”

তিন দশক পর . . . . .

মেনেনডেজ এখন করডিস ডাই এর লিডার। করডিস ডাই একটি বিলিয়ন সদস্যদের জনপ্রিয় একটি দল। রউল একটি সাইবারএট্যাক ঘটায় যার ফলে চাইনিজ স্টক এক্সচেঞ্জ থুবিয়ে পড়ে। এর ফলে চাইনিজরা তাদের নিজেদের দুর্লভ কিছু সামগ্রীর রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। যার ফলে নতুন একটি “ঠান্ডা ‍যুদ্ধ” শুরু হয় চাইনিজ লিড স্ট্রাটেজিক ডিফেন্স কোয়ালিশন (SDC) এবং আমেরিকার ন্যাটোর মধ্যে। এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে মেনেনডেজ এই দুই শক্তিশালী দেশের মধ্যে যুদ্ধ লাগিয়ে দিতে উঠে পড়ে লাগে, রউল গোপনভাবে SDC এর লিডার টিয়ান জায়োকে অর্থ সাহায্য দিয়ে যাচ্ছিল। টিয়ান জায়ো ১৯৮৬ সালে মেইসন এবং উডস এর সাথে কাজ করেছিল।

উডস এর দেওয়া তথ্য নিয়ে ডেভিড, যে বর্তমানে নেভি সিল কমান্ডার এবং তার কোড নাম “সেক্টশন” সে তার JSOC নিয়ে মেনেনডেজ এর পুনরায় খোঁজ লাগায়।

উডস এর দেওয়া তথ্য এর কিছুক্ষণ পর, সেক্টশন এবং JSOC মায়ানমারে একটি স্পাইকের ইনভেস্টিগেইট করছিলো। সেখানে সেক্টশনের টিম মেনেনডেজ এর একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার কর্মীর সাথে এনকাউন্টার হয়। কর্মীকে বাঁচালে কর্মী টিমকে একটি সাইবার হামলা হবে বলে জানায়। এই হামলার ব্যবহার করা হবে সেলেরিয়াম ডিভাইস। সেলেরিয়াম একটি কোয়ানটাম কম্পিউটার যা দুনিয়ার যেকোনো পিসি হ্যাক করার ক্ষমতা রাখে!

সেক্টশনের টিম পরে  পাকিস্তানে অনুসন্ধান চালায় মেনেনডেজ এর প্লট সর্ম্পকে জানার জন্য। সেখানে অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে মেনেনডেজ তার একটি “টার্গেট” এর ব্যপারে তথ্য ফাঁস করে কেইম্যান আইল্যান্ডে। যার নাম “কারমা” ছিল। পরে সেক্টশন এবং সিল অপারেটিভ হারপার ও সালাজার কেইম্যান আইল্যান্ডে গেরিলা অভিযান চালিয়ে “কারমা” এর অর্থ বের করে। “কারমা” হলো একজন নারী, নাম চোলই লিঙ্চ, তিনি মেনেনডেজ এর শেল করপোরেশন “ট্যাসিটাস” এর সাবেক কর্মী এবং সেলেরিয়াম ডিভাইসের মূল নির্মাতা! এখন সেলেরিয়াম তৈরি হয়ে গেলে মেনেনডেজ তাকে মেরে ফেলতে চাচ্ছে।

JSOC পরে তথ্য পায় যে মেনেনডেজ ইমেনে রয়েছে। সেখানে JSOC ফরিদকে পাঠায় মেনেনডেজকে ফাঁদে ফেলার জন্য। ফরিদের হয়ে প্লেয়ারকে একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে এখানে, যে মেনেনডেজ ফরিদকে বিশ্বাস করতে পারছিলো না তাই মেনেনডেজ ফরিদের প্রতি আস্থা আনার জন্য ফরিদকে হারপারকে গুলি করতে বলে।

এখন প্লেয়ার যদি হারপারকে গুলি না করে মেনেনডেজকে গুলি করতে যায় তাহলে ফরিদরুপী প্লেয়ার মারা যাবে মেনেনডেজ এর গুলি খেয়ে তবে হারপার বেঁচে যাবে এবং তাকে উদ্ধার করা হবে পরে। আর যদি প্লেয়ার হারপারকে গুলি করে তাহলে, ফরিদ বেঁচে যাবে এবং হারপার কে সামনের আর কোনো মিশনে দেখা যাবে না।যদিও মেনেনডেজ আটক হয় তবে এটা মেনেনডেজ এরই একটা চাল ছিল আমেরিকায় ঢুকার জন্য। মেনেনডেজ আমেরিকার মিলিটারী কম্পিউটার হ্যাক করে USS Obama এর এয়ারক্রাফট নিজের দখলে এনে আমেরিকার সমস্ত ড্রোন ফ্লিট নিজের দখলে নিতে চায় মেনেনডেজ।সালাজার পরে মেনেনডেজ এর সাথে হাত মেলায় এবং JSOC এর সাথে বেঈমানী করে। সালারজার এর সাহায্য নিয়ে মেনেনডেজ সেখান হতে পালিয়ে আসে।

 

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টস:

যেসব অপারেটিং সিস্টেম সার্পোট করবে (৩২/৬৪বিট) :

উইন্ডোজ ভিসতা (সার্ভিস প্যাক ২), উইন্ডোজ সেভেন, উইন্ডোজ এইট।

ডাইরেক্ট এক্স লাগবে:

১০ থেকে ১২ তম সংস্করণ

হার্ডডিক্স

পূর্ণ সংস্করণে > ১০ গিগাবাইট

বাংলাদেশের বাজারে > ৭ থেকে ১০ গিগাবাইট (নিশ্চিত নয়)

মিনিমাম

সেলেরন ই১২০০ ডুয়াল কোর ১.৮ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর,

জিফোর্স জিটি ২৩০ অথবা রাডিয়ন এইচডি ৪৬৫০ (১গিগা) গ্রাফিক্স কার্ড,

২ গিগাবাইট RAM

মিডিয়াম:

কোর ২ ডুয়ো ই৮২০০ ২.৬৬ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর,

জিফোর্স ৮৮০০ জিটি অথবা রাডিয়ন এইচডি ৩৮৭০ গ্রাফিক্স কার্ড,

৪ গিগাবাইট RAM

হাই:

কোর আই ৫ ৩.১৬ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর,

জিফোর্স জিটিএস ৪৫০ অথবা রাডিয়ন এইচডি ৪৮৫০এক্স২ গ্রাফিক্স কার্ড,

৬ গিগাবাইট RAM

সর্বনিম্ন গ্রাফিক্স এবং ১০২৪ x ৭৬৮ রেজুলোশনে:

পেন্টিয়াম ডুয়াল কোর ই৫৮০০ ৩.২০ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর

জিফোর্স জিটি ৬১০ জোট্যাক ২ গিগাবাইট সাইনার্জি এডিশন গ্রাফিক্স কার্ড

২ গিগাবাইট ডিডিআর৩ RAM

মিডিয়াম গ্রাফিক্স এবং ১৩৬৬ x ৭৬৮ রেজুলোশনের “ল্যাপটপ” :

কোর আই৩-৩২১৭ইউ ১.৮ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর

ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৪০০০ মোবাইল

৪ গিগাবাইট ডিডিআর৩ RAM

হাই গ্রাফিক্স এবং ১৯২০ x ১০২৪ রেজুলোশনে :

কোর আই৭ – ৩৬৩০কিউএম ৪-কোর ২.৪ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর

জিফোর্স জিটি ৭৪০এম গ্রাফিক্স কার্ড

৮ গিগাবাইট RAM

সর্বনিম্ন গ্রাফিক্সে ১৬৮০ x ১০৫০ রেজুলোশনে ৮০% স্পিড :

কোর ২ ডুয়ো ই৬৮৫০ ৩.০ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর

রাডিয়ন এইচডি ২৬০০ এক্সটি গ্রাফিক্স কার্ড

২ গিগাবাইট ডিডিআর৩ RAM

মিডিয়াম গ্রাফিক্সে ১৬০০ x ৯০০ রেজুলোশনে ৯৮% স্পিড :

কোর আই৭-৯২০ কোয়াড ২.৬৭ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর

জিফোর্স জিটি ৪৩০ ২গিগাবাইট গ্রাফিক্স কার্ড

৪ গিগাবাইট ডিডিআর৩ র‌্যাম

সর্বনিম্ন গ্রাফিক্সে ৮০০ x ৬০০ রেজুলোশনে ৯০% স্পিড:

কোর ২ ডুয়ো ই৬৫৫০ ২.৩৩ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর

জিফোর্স ২১০ ১ গিগাবাইট গ্রাফিক্স কার্ড

৪ গিগাবাইট ডিডিআর৩ RAM

হাই গ্রাফিক্সে ১০২৪ x ৭৬৮ রেজুলোশনে ৯৮% স্পিড:

কোর আই৫-৭৫০ কোয়াড ২.৫৫ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর

রাডিয়ন এইচডি ৭৭৯০ ক্রসফায়ার গ্রাফিক্স কার্ড

৪ গিগাবাইট ডিডিআর৩ RAM

 

আজ এখানেই শেষ আশা করি আমার পোস্ট ভালো লেগেছে ।

 

এই পোস্টটি  Techtunes.com থেকে নেওয়া।

একই সাথে Trickdon.com এ প্রকাশীত ।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

19 − nine =