২০১৫ সালের সেরা ১৯ জ্জন বাংলাদেশী উদ্যোক্তা

1
878
বাংলাদেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে বেশকিছু মানুষ নিঃসন্দেহে অসাধারণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। শুধু নতুন উদ্যোগই নয়, ই-কমার্স এবং মহিলা উদ্যোক্তা তৈরিতেও উত্সাহিত করেছেন তারা। কিছু ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন করার জন্য তারা এখনও কাজ করে যাচ্ছেন এবং আরও ভালো কিছু করার মত সামর্থ্যও আছে তাদের। ২০১৫ সালের তেমন কিছু উদ্যোক্তাদের কথা তুলে ধরেছে এসডি এশিয়া।
উদ্যোক্তা ২০১৫ সালের সেরা ১৯ জ্জন বাংলাদেশী উদ্যোক্তা
 
১ জুনায়েদ আহমেদ পলক
বর্তমান মন্ত্রীসভার সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন জুনায়েদ আহমেদ পলক। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটেও খুব সক্রিয় তিনি। নিজের ওয়েবসাইটও নিয়মিত আপডেট করেন তিনি। বাংলাদেশের আইসিটি ভিশন ২০২১ পূরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন কারিগরি ও আইসিটি উদ্যোগেরও তদারকি করেন পলক। বেসিস এবং এটুআইয়ের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। হ্যাকাথন এবং ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৪ ও ২০১৫-এর মতো আয়োজন সফল করতে তার অসামান্য ভূমিকা রয়েছে।
 
২ শামীম আহসান
শামীম আহসান একজন আইসিটি উদ্যোক্তা এবং Akhoni.com সাইটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। eGENERATION লিমিটেড, বেঞ্চমার্ক তার সর্বশেষ ভেঞ্চার। সেইসাথে দুইবার বেসিস সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শামীম। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তিনি ‘বাংলাদেশের সেরা তরুণ উদ্যোক্তা’র পুরস্কারও গ্রহণ করেছেন। তার অধীনে বিভিন্ন আইসিটি মেলা ও সেমিনার আয়োজিত হয়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং সেমিনারে স্পিকার হিসেবেও বক্তব্য রেখেছেন শামীম। তিনি সম্প্রতি ফেনক্স ভেনচার ক্যাপিটালের সাধারণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
 
৩ ইরাজ ইসলাম
ইরাজ ইসলাম কন্টেন্ট মার্কেটিং এবং সিন্ডিকেশন প্ল্যাটফর্মের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছোটবেলা থেকেই উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই তিনি হালভেরা এবি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
হালভেরা এবি মূলত বই, ভিডিও গেম, ডিভিডি এবং সিডি কেনা-বেচার মার্কেটপ্লেস। হালভেরা এবি বাণিজ্যিক ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতা ‘Stockholm School of Entrepreneurship Business Competition’ থেকে পুরস্কার অর্জন করেছে। শুধু নিজের কাজ করেই থেমে নেই ইরাজ, বর্তমান সময়ের তরুণ উদ্যোক্তাদের কাজ নিয়েও বেশ আশাবাদী তিনি।
 
৪,৫ শামস জাবের এবং নিলয় অনিক
বাংলাদেশের টেক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শামস জাবের এবং নিলয় অনিক। ছোটদের টেকনোলোজি শিক্ষা বিশেষ করে রোবটিক্স শিক্ষা প্রদান করে থাকে টেক স্কুল (TTS)। নিলয় এবং শামস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ালেখা করেই টেক স্কুল প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যান। শামস ও নিলয় চাইছিলেন বাস্তব প্রকৌশল জ্ঞান ব্যবহার করে নতুন কিছু করতে। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকার নতুনবাজারে একটি কারিগরি স্কুল ও বান্দরবানে একটি টেক-শিক্ষা প্রদান করার জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন এই দুই তরুণ। টেক শিক্ষাকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন তাার। ইঞ্জিনিয়ারিং পাঠ শেষ করেই শামস ও নিলয় ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, স্বপ্ন দেখছেন বহু দূরে যাওয়ার।
 
৬ ফাহিম মাশরুর
বাংলাদেশ বৃহত্তম অনলাইন জব পোর্টাল বিডিজবস ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ফাহিম মাশরুর। ২০০০ সালের দিকে ইন্টারনেট বাংলাদেশে পরিচিতি পেতে শুরু করে। সেই সময়ে ইন্টারনেট নতুন জেনেও ফাহিম ঝুঁকি নিয়ে কলেজ ডিগ্রি শেষ করার পর ইন্টারনেট পোর্টালের দিকে ঝুঁকে পরেন তিনি। প্রথমে কয়েকজন বন্ধু ও কম্পিউটার নিয়ে নিজের বাসায় শুরু করেন বিডিজবস ডটকম। তরুণদের পছন্দমত কাজ খুঁজে নেওয়ার জন্য কোনো সাইট তৈরি করতে চেয়েছিলেন তিনি। এভাবে কাজ করতে করতে বিডিজবস ডটকমের লক্ষ্য এখন তরুণদের চাকরি খোঁজার সাইট হিসেবে কাজ করা। সম্প্রতি ৩৮.৫ কোটি টাকার বিনিময়ে বিডিজবস অস্ট্রেলিয়ার এক নম্বর চাকরি খোঁজার সাইট সিক-এর কাছে ২৫% শেয়ার বিক্রি করেছে।
 
৭ আরল্যান্ড প্রেস্টগার্ড
থ্রিজি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে পরিবর্তনের চালিকাশক্তি সচল রাখার জন্য গ্রামীণফোনের প্রধান কৌসুলি হিসেবে কাজ করছেন আরল্যান্ড প্রেস্টগার্ড। বাংলাদেশে ইন্টারনেট প্রচারের জন্য মুখপাত্র হিসেবে ব্র্যাক এবং বিভিন্ন সংগঠন সাথে কাজ করছেন তিনি। তার পরিচালনায় কম খরচে ইন্টারনেট-সক্রিয় হ্যান্ডসেট তৈরিতে কাজ করছে গ্রামীণফোন। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় পাবলিক ওয়াই-ফাই স্থাপন ও ইন্টারনেটকে সহজলভ্য করার বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করে যাচ্ছেন।
 
৮ ইজাজ আহমেদ
ইজাজ আহমদ বাংলাদেশের প্রথম লিডারশিপ ইনস্টিটিউট BYLC-এর প্রতিষ্ঠাতা। BYLC নিয়মিত পরবর্তী প্রজন্মের লিডার তৈরিতে কর্মশালা, সেমিনার ও সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে। BYLC-এর মাধ্যমে এজাজ বাংলাদেশের যুবকদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা স্থাপন এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট এন্ড্রেউস থেকে ইকোনমিক্সে এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক পলিসিতে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।
 
৯ অনির চৌধুরী
প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ডিজিটাল টাস্কফোর্সের একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আনির চৌধুরী। তিনি ইউএনডিপি ও ইউএসএআইডির সহায়তায় এটুআই প্রকল্পের  প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবেও কাজ করছেন। এই প্রকল্পের লক্ষ্য বাংলাদেশের ৪৫৪৫ ইউনিয়নেই ই-সেবা প্রদান কেন্দ্র স্থাপন করা। অনির চৌধুরী প্রকল্পের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ হাজার সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ই-সেবা সচেতনতা বাড়াতেও কাজ করছেন তিনি। ২৫ হাজারেরও বেশি সরকারি অফিসের পোর্টাল চালু আছে তার অধীনে।
 
১০. সোনিয়া বশির কবির
সোনিয়া বশির কবির মাইক্রোসফট বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার। সমসাময়িক উদ্যোক্তাদের জন্য একজন রোল মডেলও তিনি। সিলিকন ভ্যালি থেকে পড়ালেখা ও প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি ওরাকল এবং সান মাইক্রোসিস্টেমের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। বিক্রয়, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, টিম বিল্ডিং এবং কৌশলগত পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করেছেন সোনিয়া। বর্তমানে তিনি দরিদ্রদের জন্য শিক্ষাব্যবস্থা সহজ করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করার জন্য সরকারের সাথে কাজ করছেন।
 
১১ অনিতা গাজী রহমান
অনিতা কলেজ অফ ল থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি বিশেষত আইন নিয়েই কাজ করেছেন। ত্রৈমাসিক পত্রিকা LCLR (Legal Circle Law Reports)-এর সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। থিংক লিগ্যাল বাংলাদেশ নামে (www.thinklegalbangladesh.com) দেশের প্রথম বিনামূল্যে আইনি ওয়েবসাইটেরও প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। তিনি তার জ্ঞান ও শ্রম ব্যবহার করে দেশের ব্যবসায় বিশ্বের কাছে উন্মুক্ত করার কাজ করে যাচ্ছেন।
 
১২. ফারিয়া সামরিন নিজাম
লুজমাংকিস এবং পেয়জা বাংলাদেশের মতো নতুন প্রকল্পের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন ফারিয়া সামরিন নিজাম। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং এবং সেলসের কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিতে চান। নেতৃস্থানীয় পর্যবেক্ষণ এবং কোম্পানির সামগ্রিক ব্যবসায়িক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মার্কেটিং, জনসংযোগ, বিক্রয়, সামাজিক মিডিয়া এবং গ্রাহকসেবা দল কার্যক্রম পরিচালনায় কৌশলগত নির্দেশক হিসেবে কাজ করছেন ফারিয়া। তার এমন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা দিয়ে তিনি এ বছর দেশের সেরা উদ্যোক্তা হিসেবেই আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন।
 
১৩. আরিফ নিজামি
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থী আরিফ নিজামি নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতিসংঘের যুব ও ছাত্র সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর তিনি হ্যাকাথন, ডেভফেস্টের মতো আয়োজনে অংশ নেন। আরিফ গুগল ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ (জিডিজি) ঢাকার সংগঠক হিসেবেও কাজ করছেন। প্রিনার ল্যাবসের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্টার্টআপ গ্রিন্ড বাংলাদেশের চ্যাপ্টার ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
 
১৪. মোহাম্মদ জামান
মোহাম্মদ জামান একজন আইটি নির্বাহী, গ্রামীণ সলিউশনের চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একাধারে আইটি উদ্যোক্তা এবং নির্দেশক হিসেবেও কাজ করছেন। তিনি ক্লাউড-ক্যাম্প বাংলাদেশের সহ-প্রতিষ্ঠাতা যেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আইটি প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। ক্লাউড, মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া প্রভৃতি বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকে এই প্রতিষ্ঠান। তিনি ই-এশিয়া, ডিজিটাল ফেস্ট, ডেভফেস্টের মতো আয়োজনে স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন।
 
১৫. করভী রাকশান্দ
২০০৭ সালে করভী রাকশান্দ বাংলাদেশে জাগো ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। অনগ্রসর এলাকায় অবকাঠামো ও শিশুদের শিক্ষা উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে জাগো ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষাদান করে আসছে জাগো। এখানে এখন প্রায় ৬০০ শিশু পড়ালেখা করছে। তিনি বাংলাদেশে নিয়োজিত ১২ হাজারেরও বেশি ভলান্টিয়ারদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব ্বপালন করছেন। করভী তরুণদের আইডিয়া নিয়ে কাজ করা ‘দ্য ওয়েভ’-এরও সহ-প্রতিষ্ঠাতা। করভী ২০১৪ সালে ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার ও ইন্সপায়ারেশনের সেরা একশর তালিকায় বাংলাদেশি ১০ জনের মধ্যে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন।
 
১৬. তসলিমা মিজি
তসলিমা মিজি টেক ম্যানিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও। তিনি ২০০৮ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির একজন সদস্য হিসেবেও কাজ করছেন। সাংবাদিক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল তার। এদেশে নারী উদ্যোক্তাদের চলার পথ অতটা সহজ নয় বলেই মনে করেন মিজি। তিনি তার বন্ধুর কাছ থেকে যৌথ উদ্যোগে কাজের ধারণা পেলেও প্রথমে মনে করেছিল তার পক্ষে এই কাজে সফল হওয়া সম্ভব হবে না। তারপরও তিনি ২০০৮ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ভালোভাবেই তার ব্যবসায় পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
 
১৭. ন্যাশ ইসলাম
২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এসেছেন ন্যাশ ইসলাম। তিনি টেক কমিউনিটি অর্গানাইজেশনে কাজ করার পাশাপাশি নিজেও একজন উদ্যোক্তাও। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ অনলাইন অ্যাড নেটওয়ার্ক জিএন্ডআর-এর প্রতিষ্ঠাতা। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এম-হেলথ অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন দল ম্যাঙ্গোজ মোবাইলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইনফ্লেকশন ভেঞ্চারে একটি অংশের বিনিয়োগকারীও তিনি। ২০১০ সালে গুগলের ক্যালিফোর্নিয়া ও সিঙ্গাপুর দপ্তরে প্রথম কাজ শুরু করে ন্যাশ। অ্যাডমব নামে একটি মোবাইল কোম্পানিতেও কাজ করেছিলেন তিনি, যেটি পরবর্তীকালে গুগল কিনে নেয়। ন্যাশ তার অবসর সময়ে গুগল বিজনেস দলের সাথেও কাজ করে থাকেন।
 
১৮. সাজিদ ইসলাম
হাবঢাকা, সেতু এবং এইচপি সফটওয়্যারের গ্লোবাল সাপোর্ট প্রোডাক্ট ম্যানেজারের প্রতিষ্ঠাতা সাজিদ ইসলাম। তিনি স্টার্টআপ ঢাকার একজন সংগঠকও। ১৫ বছর ধরে তিনি আইটি বিশ্বে কাজ করে যাচ্ছেন এবং একে আরও বড় করাও স্বপ্ন দেখছেন।
সেতুর ভবিষ্যত্ লক্ষ্য সম্পর্কে সাজিদ বলেন, ‘আমি সেতুকে বাংলাদেশের প্রথম এবং সেরা টেক এক্সেলেটর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমরাই দেশের প্রথম এই ধরনের কাজ করছি। তাই এখন ভালো কোম্পানির সাথে কাজ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের দিকে আকৃষ্ট করতে চাই সকলকে।’
 
১৯. সামিরা জুবেরি হিমিকা
টিম ইঞ্জিনের প্রতিষ্ঠাতা সামিরা জুবেরি হিমিকা। তিনি একাধারে একজন উদ্যোক্তা, সেক্টর উন্নয়ন ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, সংগঠক এবং স্পিকার। এই সাহসী উদ্যোক্তা ‘টিম ইঞ্জিন’কে এমন একটি জায়গা মনে করছেন যেখানে তারা পলিসি মেকার, সরকারি-বেসরকারি সংস্থাকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে থাকে যেন এসব প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ আরও সহজ হয়। যোগাযোগ সহজ করতে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন সফল ক্যাম্পেইন পরিচালনায়ও সাহায্য করে থাকে টিম ইঞ্জিন। এ ছাড়া দেশের উন্নয়নের জন্য আরও নতুন নতুন ক্ষেত্রও তৈরি করছে তারা।
 
সুত্রঃ দৈনিক ittefaq

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ