মহাকাশযান ধ্বংসে সক্ষম উপগ্রহ

0
269

রাশিয়া কক্ষপথে প্রদক্ষিণরত মহাকাশযানকে তাড়া করে ধরতে বা অচল বা ধ্বংস করতে সক্ষম উপগ্রহ নিয়ে গবেষণা করছে। পশ্চিমা উপগ্রহ পর্যবেক্ষকরা এ দাবি করেছেন।

তারা বলছেন, গত বছরের ডিসেম্বরে রুশ যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য তিনটি মহাকাশযান নিয়ে গিয়েছিল কোসমোস ২৪৯৯ নামের রকেট। এ কথা প্রথমে বলেছিল মস্কো। অথচ চতুর্থ আরেকটি বস্তু  সে সময় এ রকেট থেকে নির্গত হতে দেখা গেছে। একে মহাকাশ জঞ্জাল হিসেবে সে সময়ে ধরে নিয়েছেল মার্কিন সেনাবাহিনী।

 ধ্বংসে সক্ষম উপগ্রহ মহাকাশযান ধ্বংসে সক্ষম উপগ্রহ

অবশ্য চলতি বছরের মে মাসে রাশিয়া জানায় তারা তিনটি নয় চারটি উপগ্রহ পাঠিয়েছিল। এদিকে চতুর্থ উপগ্রহ যাকে প্রথম ‘জঞ্জাল’ হিসেবে মনে করা হয়েছিল তাতে ইঞ্জিন বসানো আছে বলে দেখতে পেয়েছেন পর্যবেক্ষকরা। এ ইঞ্জিন ব্যবহার করে এটি কক্ষপথ পরিবর্তন করাসহ মহাকাশে নানা অস্বাভাবিক তৎপরতা চালিয়েছে। উপগ্রহ পর্যবেক্ষণে জড়িত পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য দিয়েছেন। যে রকেট একে মহাকাশে নিয়ে গিয়েছিল চলতি মাসের ৯ তারিখে তার কাছে যেয়ে হাজির হয় এই ‘জঞ্জাল।’ নিষ্ক্রিয় এ রকেটের কয়েক মিটারের মধ্যেই যেতে পেরেছিল এটি। উপগ্রহ পর্যবেক্ষণকারী রবার্ট ক্রিস্টি এ কথা জানিয়েছেন।

কথিত এ ‘জঞ্জাল’কে তিনি ‘পরিদর্শক উপগ্রহ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। যে উপগ্রহ অন্য উপগ্রহের কাছে চলে যাওয়া এবং তার ছবি নেয়ার জন্য তৈরি হয় তাকে ‘পরিদর্শক উপগ্রহ’ বলা হয়। অন্য উপগ্রহের যোগাযোগ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আড়িপাতার কাজেও ব্যবহার হতে পারে ‘পরিদর্শক উপগ্রহ।’

মহাকাশে রাশিয়ার এ প্রযুক্তির নানা ব্যবহার হতে পারে। একদিকে ত্রুটিযুক্ত মহাকাশযান মেরামতে এ প্রযুক্তি যেমন ব্যবহার হতে পারে; অন্যদিকে একই ভাবে মহাকাশযানকে ধ্বংস বা অচল করে দেয়ার কাজেও এ প্রযুক্তিকে খাটানো যাবে।

অবশ্য রাশিয়ার এ পরীক্ষার পথ ধরে চলতি বছরে কক্ষপথে একই পরীক্ষায় নেমেছে আমেরিকা এবং চীন।#

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

12 − eight =