আপনি কি উইন্ডোজ মোবাইল ব্যাবহার করেন? তাহলে জেনে নিন উইন্ডোজ ফোনের ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধির উপায়

0
488

স্মার্টফোনের যে কয়টি বিষয়ে ব্যাটারির চার্জ অতিমাত্রায় শেষ হয় তাদের মধ্যে অন্যতম বা প্রধানও বলা চলে হচ্ছে এই ব্রাইটনেস। এবং, ল্যাপটপ, অ্যান্ড্রয়েড, আইফোন বা অন্যন্য যে কোন ব্যাটারি চালিত ডিভাইসের মতই অ্যান্ড্রয়েডেও বিষয়টি একই ভাবে কাজ করে থাকে। তাই, আপনার উইন্ডোজ ফোনের ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে আপনার উইন্ডোজ ফোনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখতে হবে।

ব্রাইটনেস কমানোর ক্ষেত্রে আমি একেবারেই না কমিয়ে বরং মডারেট ব্যবহার করাটাই বেশি পরামর্শ দেই কেননা এতে করে বাইরে, সরাসরি সূর্যের আলোতেও আপনার স্ক্রিনের কনটেন্ট দেখতে কোন প্রকার সমস্যা হবে না।

 ২ – ডার্ক ব্যাকগ্রাউন্ড থিম ব্যবহার করুন

 2 আপনি কি উইন্ডোজ মোবাইল ব্যাবহার করেন? তাহলে জেনে নিন উইন্ডোজ ফোনের ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধির উপায়

এই পয়েন্টটিকে আমরা ‘অফিশিয়াল পদ্ধতি’ বলতে পারি কেননা, এই পদ্ধতিটি মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল সাইটেই পাওয়া গয়েছে। তাদের মতে, আপনি যদি ডার্ক ব্যাকগ্রাউন্ড থিম ব্যবহার করে থাকেন তবে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি লাইফ কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পাবে।

কেননা, ডার্ক ব্যাকগ্রাউন্ডের থিম কালারফুল এবং অ্যানিমেটেড থিম অপেক্ষা কম ব্যাটারি অপচয় করে থাকে ফলে এভাবেই আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধি পায়।

 

৩ – ব্লুটুথ এবং ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখুন

 

3 আপনি কি উইন্ডোজ মোবাইল ব্যাবহার করেন? তাহলে জেনে নিন উইন্ডোজ ফোনের ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধির উপায়

 

আমাদের স্মার্টফোনে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের কানেক্টিভিটি, যেমনঃ ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং হাই-স্পিড ডেটা কানেক্টিভিটি। আপনি জানেন কি, যে কোন প্রকারের কানেকশনই বেশ ভালো অ্যামাউন্টের ব্যাটারি কনসিউম করে থাকে! এমনকি, আপনার সেলুলার নেটওয়ার্ক যার সাহায্যে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় ব্যক্তির সাথে কথা বলে থাকেন সেটিও অনবরত ব্যাটারি খরচ করতেই থাকে। আর, ব্লুটুথ এবং ওয়াইফাই তো আরও বেশি! আপনি যদি কোন প্রয়োজন ছাড়াই ওয়াই ফাই কানেকশন চালু করে রাখেন তবে সেটি কোন নেটওয়ার্কে কানেক্টেড না থাকলেও অনবরত নতুন নতুন কানেকশন খুঁজবে বিধায় আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি খরচ হতে থাকবে। ব্লুটুথ এর ব্যাপারটিও অনেকটা তাই।

একারণে, যেহেতু সেলুলার নেটওয়ার্ক ডিস্যাবল করা সম্ভব নয় তাই অপ্রোয়জনে ব্লুটুথ এবং ওয়াই-ফাই চালু রাখবেন না।

 

৪ – ব্যাটারি সেভার ব্যবহার করুন

 

4 আপনি কি উইন্ডোজ মোবাইল ব্যাবহার করেন? তাহলে জেনে নিন উইন্ডোজ ফোনের ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধির উপায়

 

যে কোন স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেই এটি একটি কমন বিষয়। কমন বিষয় হলেও অনেক ব্যবহারকারীরাই আছেন যারা এই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। কিন্তু, সব স্মার্টফোনের মতই উইন্ডোজ ফোনেও এই সুবিধাটি আছে এবং এটি বেশ ভালো কাজ করে থাকে যদি আপনি জানেন এটিকে কীভাবে ব্যবহার করতে হয়।

আপনি যখন ব্যাটারি সেভার সুবিধাটি চালু করবেন তখন স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনার স্মার্টফোনটির কিছু ফিচার বন্ধ হয়ে যাবে। সম্ভাব্য যে ফিচার গুলো বন্ধ হয়ে যাবে তা হচ্ছে,

  • ব্যাটারি সেভার অন করার পর এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকা অ্যাপ গুলো বন্ধ করে দিবে।
  • আপনার হোম স্ক্রিনে থাকা কিছু টাইলের অটোমেটিক আপডেট নেয়া বন্ধ করবে।
  • স্বয়ংক্রিয় ই-মেইল এবং ক্যালেন্ডার আপডেট বন্ধ করবে।

কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটারি সেভের মোডের উপর ডিপেন্ড করে ওয়াই-ফাই কানেকশন বা হাই-স্পিড ডাটা কানেকশনও বন্ধ করতে পারে।

 

৫ – এক্সট্রা ব্যাটারি কেস ব্যবহার

 

5 আপনি কি উইন্ডোজ মোবাইল ব্যাবহার করেন? তাহলে জেনে নিন উইন্ডোজ ফোনের ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধির উপায়

 

এটি একধরণের প্রোডাক্ট। আপনি ইচ্ছে করলে এটি আপনার উইন্ডোজ ফোনের ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করতে পারেন। আপনি মার্কেটে এটি পাবেন আর যদি না পান তবে ই-বে বা অ্যামাজনে অর্ডার করতে আনিয়ে নিতে পারেন। এটি আপনার স্মার্টফোনটিকে ডাবল ব্যাটারি ফোনে রিপ্লেস করবে যে কারণে আপনার স্মার্টফোনটির ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধি পাবে দুই গুণ।

শেষ কথাঃ

এই ছিল উইন্ডোজ ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘায়িত করার কিছু বেসিক টিপস। বেসিক বলছি দেখে আবার ভাববেন না যে এর কোন অ্যান্ডভান্স টিপসও রয়েছে, আমার জানা মতে অন্তত নেই। আপনি এই বেসিক টিপস গুলো ফলো করলে আশা করছি আগের ব্যাটারি লাইফের সাথে বর্তমানের ব্যাটারি লাইফ খুব সহজেই তুলনা করতে পারবেন এবং এর ফলে ফলাফলও আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন। তবে আর অপেক্ষা কেন? ট্রাই না করে থাকলে শুরু করুন… দেখুন কি হয়!

একটি উত্তর ত্যাগ