কুরআনে বর্ণিত ফিঙ্গার প্রিন্টের অসাধারণ রহস্য

0
461

এখন থেকে চৌদ্দশত বছর আগের লোকেরা ফিঙ্গার প্রিন্ট সম্পর্কে খুব কমই জানত। তবে কেন আল্লাহ কোরআন এ ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর তুলনা দিয়েছেন? এর মধ্যে রয়েছে বড় ধরনের রহস্য। যা বিজ্ঞানীদের অভিভূত করেছে।

বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ গবেষণার পর কুরআনের আঙ্গুলপ্রিন্টের রহস্য বের করতে পেরেছে বলে দাবি করছে। ১৮৭৫ সালে জেন জিন্সেন নামক এক ইংলিশ বিজ্ঞানি আবিস্কার করেন যে আঙ্গুলের ছাপ একটি অসাধারন বিষয়।

বর্ণিত ফিঙ্গার প্রিন্টের অসাধারণ রহস্য কুরআনে বর্ণিত ফিঙ্গার প্রিন্টের অসাধারণ রহস্য

এর রেখার ধরন একটি আরেকটির চেয়ে ভিন্ন এবং সম্পূর্ণ আলাদা। এবং আপনি যা কিছু ছোঁবেন তাতেই আপনার আঙ্গুলের ছাপ বসে যাবে, এটা সবার ই জানা কথা তবে ১৪০০ বছর আগের মানুষের পক্ষে এটি জানা সম্ভব ছিলো না। কেননা কোরআন নাযিল হওয়ার পরেই মানুষ এসব বিষয় জানতে পারে ও গবেষণা শুরু করে।

গবেষণায় বেরিয়ে আসে, এই আঙ্গুলের আগার রেখার গঠন এবং গড়ন মাতৃগর্ভের প্রথম তিন মাসে হয়। এর অনেক ব্যাখ্যা রয়েছে, একটি হল মানুষের সকল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এই আঙ্গুলের ছাপে এনকোডেড রয়েছে।

সুতরাং আমাদের পুনরুত্থান এর সময় আল্লাহ আমাদের শরীর পুরাপুরি ফিরিয়ে দিবেন এবং আমাদের কৃতকর্মের বিচার করবেন, আর শুধু আঙ্গুলির মাথার ছাপ দিয়েই আমাদের সকল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য জানা সম্ভব। আঙ্গুলের আগা কে এক কথায় ডাটা ব্যাংক বলা জেতে পারে। নিশ্চয় ডিএনএ একটি অতি মূল্যবান আবিষ্কার।

ডিএনএ আবিকার হবার পর এই ধারনা বদলে গেছে যে কোষ তার অবস্থিত এলিমেন্ট নিয়ে একটি সাধারন সৃষ্টি নয়। আরও গভির গবেষণায় এর জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে।

মানুষের একটি ডিএনএ কোটি কোটি কোড সম্বলিত হয়, আমাদের চুলের রঙ থেকে শুরু করে নখ পর্যন্ত সকল তথ্য এই কোড এ থাকে. আঙ্গুলের আগার একটি ডিএনএ এর কোড ছাপালে লক্ষ পৃষ্ঠার হাজার কপি বই হবে। আর আঙ্গুলের আগার একটি ডিএনএ দিয়ে যে কারো সকল তথ্য জানা সম্ভব।

এ রহস্য মুসলমানদের ঈমানকে আরো শক্তিশালী করবে। কেননা এ বিষয়টি বোঝার পরে তাদের মনে ধারনা সৃষ্টি হয় যে কুরআনে বর্ণিত সকল কিছুই মহাসত্য। সকল বিজ্ঞানের সমাধান কুরআন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

four + 1 =