এন্ড্রয়েড এনক্রিপশনের নেগেটিভ ইফেক্ট (এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি পর্ব ৪)

0
297

এন্ড্রয়েডেএর এই এনক্রিপশন যতটা সহজ দেখায় ততটা সহজ নয়, বরং অনেক কমপ্লিকেটেড। পুরাতন মডেল বা লো কনফিগারেশনের কিছু কিছু ফোন এনক্রিপ্ট করার পর স্লো হয়ে যেতে পারে, ব্যাটারি লাইফেও নেগেটিভ ইফেক্ট হতে পারে। কিন্তু নতুনতর ফোনগুলোতে আর মোটামুটি মিড-রেঞ্জ থেকে হাই-এন্ড ফোনগুলোতে এসব হবেনা, কারণ এগুলোতে একটি বিশেষ ধরনের এনক্রিপশন একসেলারেশন টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। এই এনক্রিপশনের মাধ্যমে আপনার ফাইল সিস্টেমে আন-অথরাইজড একসেস অত্যন্ত জটিল, কষ্টসাধ্য বা প্রায় অসম্ভব হলেও এটা একেবারে ১০০% ইম্পসিবল নয়, যেমনটি শুরুতেই বলেছি।

 

এন্ড্রয়েড ডেভলপারদের অফিশিয়াল সাইটে এই এনক্রিপশন নিয়ে আরো অনেক এবং সম্পূর্ণ ডিটেইলস পাবেন, সেটা পড়ে নিয়ে কাজ করা ভালো।

 

তো এভাবে আপনি আপনার ফোন এনক্রিপ্টেড করতে পারেন। তবে সাধারণ ইউজারদের এটা করার তেমন কোন দরকার পড়বে না। একজন এডভান্স ইউজার হিসাবে আমিও এটা ব্যবহার করিনা, খুব বেশি কাউকে ব্যবহার করতেও দেখিনি। কারণ আমরা এমন কোন হাই প্রোফাইল ব্যাক্তিত্ব না যে আমাদের কোন তথ্য লিক হয়ে গেলে আমাদের দুনিয়া খতম হয়ে যাবে- এই এনক্রিপশন বিশেষভাবে তাদের জন্যই। ওই যে বললাম, এমনভাবে ডেটা রাখবেন যেন কেউ সেটার দিকে বেশি গুরুত্ব না দেয়। আর তাছাড়া- বিভিন্ন অ্যাপ/ফাইল লকার তো আছেই।

 

Secrecy একটি ফ্রি, ওপেন সোর্স কার্যকর ডেটা প্রোটেকশন অ্যাপ্লিকেশন। এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি এতে যত খুশি তত পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ভল্ট তৈরি করতে পারবেন যেগুলোতে আপনি আপনার লোকাল ফাইল স্টোরেজ আর গুগল ড্রাইভের যে কোন ধরনের ডেটা, মিডিয়া ফাইল সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অ্যাপটির সুবিধা হল, এর ভল্ট প্রোটেকশন AES 256-Bit সিস্টেমে এনক্রিপ্টেড, যেটা বিভিন্ন ফ্যাক্টরি বা ইন্ডাস্ট্রি আর এন্ড্রয়েড কার্নেল স্ট্যান্ডার্ড।

নেগেটিভ 1 এন্ড্রয়েড এনক্রিপশনের নেগেটিভ ইফেক্ট (এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি পর্ব ৪) নেগেটিভ 2 এন্ড্রয়েড এনক্রিপশনের নেগেটিভ ইফেক্ট (এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি পর্ব ৪) নেগেটিভ 3 এন্ড্রয়েড এনক্রিপশনের নেগেটিভ ইফেক্ট (এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি পর্ব ৪)নেগেটিভ 4 এন্ড্রয়েড এনক্রিপশনের নেগেটিভ ইফেক্ট (এন্ড্রয়েড সিকিউরিটি পর্ব ৪)

সাধারণ ফাইল প্রোটেকশনের জন্য আপনি এই অ্যাপটি দেখতে পারেন, আমাদের জন্য এমন কিছুই যথেষ্ট।

একটি উত্তর ত্যাগ