প্রিন্টার দিয়েই ইচ্ছে মত খাবার তৈরি করুন :D

0
307

সকালের নাস্তায় গরম পিৎজার সঙ্গে ধূমায়িত কফি। দুপুরের আহারে ভূড়িভোজ শেষে প্যানকেক, আইসক্রিম। রাতে চিকেন ফ্রাই দিয়ে ফ্রাইড রাইস। এসব মুখোরোচক সব খাবার বের হবে প্রিন্টার দিয়ে!

তবে যেকোনো প্রিন্টারে নয়, সাম্প্রতিক আবিষ্কার থ্রিডি প্রিন্টারে। খাবার প্রস্তুতে সক্ষম এমন প্রিন্টারের ধারণা দিয়েছেন মার্কিন মুল্লুকের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘মডার্ন মিডো’। তারা এটাকে বলছে ‘বায়োপ্রিন্টার’। যা দিয়ে ইচ্ছেমতো খাবার তৈরি করা যাবে। শুধু রেসিপি বাতলে দিতে হবে।

প্রিন্টার দিয়েই ইচ্ছে মত খাবার তৈরি করুন :D

অবশ্য এখন সবার জানা হয়ে গেছে যে, ত্রিমাত্রিক এসব প্রিন্টার দিয়ে জামা-কাপড়, খেলনা, গয়না এমনকি ভয়ঙ্কর অস্ত্রও বানানো সম্ভব।

সাধারণত প্রিন্টার দুই মাত্রার হয়ে থাকে। যেটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ্য হিসাব করে প্রিন্ট করে। রঙের পাশাপাশি প্লাস্টিক, ধাতব গুঁড়ো, সিরামিক, সিলিকন, এমনকি খাদ্য তৈরির উপাদানও এতে যোগ করা যায়।

বায়োপ্রিন্টার তৈরির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ‘মডার্ন মিডো’ জানায়, বিশ্বে খাবার উৎপাদন করার জন্য ৬০ মিলিয়ন খামারের প্রাণিজ সম্পদ ব্যবহার করা হচ্ছে। যা কিনা ২০৫০ সাল নাগাদ দ্বিগুণ হবে। এতে করে অচিরেই পৃথিবীতে খাদ্য সংকট দেখা দেবে। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে ত্রিমাত্রিক বায়োপ্রিন্টারকে যুগোপযোগী বলে ভাবছে মডার্ন মিডো।

বায়োপ্রিন্টার দিয়ে প্রাণী দেহের একটি কোষ গবেষণাগারে একমাস সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করে হাজার হাজার কোষ বানানো সম্ভব। যা দিয়ে তৈরি করা যাবে ‘স্টেক’, ‘সসেস’সহ পছন্দসই খাবার। সঙ্গে একটু ফ্লেভার যোগ করলেই হলো।

এভাবেই থ্রিডি বায়োপ্রিন্টিং মেশিন দিয়ে খাদ্য উৎপাদন করে পৃথিবীর সম্পদ ভবিষতের জন্য সংরক্ষণ করা সম্ভব বলে মনে করছে মডার্ন মিডো। তবে এখনই চাইলে এসব প্রিন্টার হাতের নাগালে মিলবে না। কেননা, বায়োমেট্রিক থ্রিডি প্রিন্টার এখনও গবেষণার পর্যায়ে।

একটি উত্তর ত্যাগ