আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

0
695

আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

বেশী কথা না বলে এবার মূল কথায় আসি।আজ আমি আপনাদেরকে একটি ছোট কিন্তু অনেক বড় কাজের হাতিয়ার-এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। এটি হচ্ছে


‘CAMEYO”-যার দ্বারা আপনি যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবল ভার্সন তৈরী করতে পারবেন খুব সহজে। আর এটি নিজেও একটি পোর্টেবল তাই ইন্সটলের কোন ঝামেলা নেই। তাই পোস্টের শেষে আমার দেয়া লিংক হতে ডাউনলোড করে নিন।

আমি এই ধরনের যত গুলো সফ্টওয়ার ব্যবহার করেছি তার মধ্যে অবশ্যই এটি অন্যতম। এর ইন্টারফেস বেশ আকর্ষনিয় ও ব্যবহার খুবই সহজ। যে কোন নতুন ব্যবহারকরী এটা এক বার দেখেই ব্যবহার করতে পারবে। আমরা অনেকেই আছি যারা পোর্টেবল সফ্টওয়ার ব্যবহার করতে ভালবাসি, কারন এটা পিসির জায়গা অযথা দখল করেনা এমনকি সিস্টেম স্লো করেনা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবল ভার্সন অনেক খুজাঁ-খুজিঁ করেও পাওয়া যায়না কিংবা থাকেনা। তাই আপনার আমার এই সমস্যার কথা চিন্তা করে ”CAMEYO” করে দিল  এর সহজ সমাধান।

আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

ব্যবহার বিধি :

প্রথমে আমার দেয়া লিংক হতে ”CAMEYO” ডাউনলোড করে এটি ওপেন করুন(যেহেতো পোর্টেবল তাই ইন্সটলের প্রয়োজন নেই)। এবার নিচের মত চিত্র আসবে-

আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

                                                                               ”অথবা”

আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

এবার লাল চিন্হিত Studio তে ক্লিক করে Capture app Locally তে ক্লিক করুন। নিচের মত একটি উইন্ডো ওপেন হবে-

আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

এখানে অল্প কিছুক্ষন সময় নিবে কারন এটি আপনার সিস্টেমের যাবতীয় ইন্সটল কৃত সকল সফ্টওয়ারের একটি স্নেপশট নিবে। (এখানে উল্লেখ্য আপনি যে সফ্টওয়ারটির পোর্টেবল করতে চান তা আগে থেকে ইন্সটল করা থাকলে হবে না। উক্ত স্নেপশট নেয়ার পর তা ইন্সটল করবেন)। স্নেপশট শেষ হলে নিচের মত আর একটি উইন্ডো ওপেন হবে-

আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

এখন আপনি আপনার সফ্টওয়ারটি (যেটি পোর্টেবল করবেন) ইন্সটল করুন। রিস্টাট চাইলে করুন কোন চিন্তা নেই, ”CAMEYO” অটোমেটিক চালু হবে। আার যদি রিস্টাট না চায় তবে প্রয়োজন নেই। অধিকাংশ সফ্টওয়ার রিস্টাট চায় না। আপনার সফ্টওয়ারটি ইন্সটল হলে “Install done”-এ ক্লিক করুন। এবার নিচের মত একটি চিত্র আসবে-

আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

এবার আপনার সফ্টওয়ারটি ইন্সটল করার পরে আপনার সিস্টেমর একটি স্নেপশট নিবে। অল্প কিছুক্ষনের মধ্যে স্নেপশট শেষ হয়ে নিচের মত একটি “Successful” বার্তা আসব-

আর নয় এদিক-সেদিক খুঁজা-খুঁজি এবার নিজেই তৈরী করুন যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবলভার্সন। আপনিও হোন যে কোন সফ্টওয়ারের ভার্চুয়াল মেকার।

আপনার কাজ শেষ- এখানে OK বাটন প্রেস করুন। বেস তৈরী হয়ে গেল আপনার সফ্টওয়ারের পোর্টেবল ভার্সন। এবার পূর্বে আপনার ইন্সটলকৃত সফ্টওয়ারটি আনইন্সটল করে দিতে পারেন। আপনার তৈরীকৃত পোর্টেবল সফ্টওয়ারটি পাবেন C:/Documents/Cameyo apps এর ভিতরে। এবার ইচ্ছে করলে ওখান থেকে কপি করে আপনার ডেস্কটপে রেখে দিতে পারবেন।

 ”CAMEYO” ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

                                                                  

                                                                       

                                                            

 আজ এই পর্যন্ত,

আল্লাহ হাফেজ

একটি উত্তর ত্যাগ