প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের নাক, কান ও রক্ত সংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ তৈরি হচ্ছে

0
410

মানুষের নাক, কান ও রক্ত সংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ তৈরি হচ্ছে। স্টেম সেল প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষণাগারেই তৈরি করছে মানবদেহের অঙ্গগুলো। ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদন জানিয়েছে উত্তর লন্ডনের একটি গবেষণাগারসহ বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণাগারই এ কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

ব্যবহার করে প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের নাক, কান ও রক্ত সংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ তৈরি হচ্ছে
মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ নির্মাণের কাজে এ ধরনের গবেষণাগারগুলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বার্থে কাজ করে গেলেও বাস্তবে খুব কম রোগীই এখন পর্যন্ত গবেষণাগারে তৈরি অঙ্গ পেয়েছেন। এসব অঙ্গের মধ্যে রয়েছে রক্ত ও বায়ু পরিবহনে ব্যবহৃত নালী এবং চোখের পানি পরিবহনের নালী।

শীঘ্রই আরো বহু ধরনের অঙ্গ তৈরি করতে সক্ষম হবেন আশা করছেন গবেষকরা। এসব নতুন অঙ্গের মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ নাক। অবশ্য এর আগেও ক্যান্সারে নাক নষ্ট হয়ে যাওয়া এক ব্যক্তির দেহে কৃত্রিমভাবে তৈরি নাক স্থাপন করে সাফল্য পাওয়া গেছে। গবেষকরা কৃত্রিমভাবে মানুষের কান তৈরিরও চেষ্টা করছেন। তবে কান তৈরি অনেক অঙ্গের তুলনায় জটিল বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের আলেক্সান্ডার ও গবেষকদের দলনেতা সেইফালিয়ান বলেন, এটা অনেকটা কেক তৈরির মতো। তবে আমরা ভিন্ন ধরনের ওভেন ব্যবহার করছি।

সেইফালিয়ান আরও বলেন, তিনি ও তার দল নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে গবেষণাগারে তৈরি সম্পূর্ণ নাক রোগীর দেহে স্থাপনের জন্য অনুমতি চেয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন কৃত্রিমভাবে তৈরি এ সব অঙ্গ শীঘ্রই বাজারে পাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অফ গোটেনবার্গের প্রফেসর সুচিত্রা সুমিত্রান-হলগারসন বলেন, আমি ধারণা করছি কৃত্রিমভাবে তৈরি অঙ্গগুলো শীঘ্রই বাজারে যাবে।

তিনি ইতোমধ্যেই কৃত্রিমভাবে তৈরি রক্ত সংবহনতন্ত্রের অংশ বহু রোগীর দেহে স্থাপন করেছেন। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন তিনি।

কৃত্রিম অঙ্গ স্থাপনের পর ক্যান্সার বেড়ে যায় কি না, সে বিষয়ে অনুসন্ধান করছেন গবেষণাকারী দলগুলো। আর ডাক্তাররা এখনো কৃত্রিম অঙ্গ স্থাপনের ঝুঁকির বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছেন।

LEAVE A REPLY

one × four =