কমিয়ে আনতে পারবেন বিদ্যুৎ বিল ১২ উপায়ে

1
1666

১২টি উপায় এর মাধ্যমে আপনি অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারবেন বিদ্যুৎ বিল। যত দিন যাবে, বিদ্যুতের মূল্য ততই বাড়বে। কেবল আমাদের দেশে নয়, সারা পৃথিবীতেই বাড়বে। সুতরাং এখনই সু অভ্যাস তৈরি করে নেয়া জরুরি।

বিল কমানোর উপায় কমিয়ে আনতে পারবেন বিদ্যুৎ বিল ১২ উপায়ে

  • – সবার প্রথমে বাড়ির বাল্ব এবং টিউব লাইট গুলো বদলে নিন এনার্জি সেভিং লাইট দিয়ে। এনার্জি সেভিং লাইটের দামটা একটু বেশী সত্য। কিন্তু এই লাইট টিকে অনেকদিন, আর বিদ্যুৎ এত বেশী পরিমাণ বাঁচাবে যে পরের মাসে বিদ্যুৎ বিল দেখেই আপনার মনটা আনন্দে ভরে উঠবে। একবার একটু খরচ করে লাগিয়ে ফেললে আর কোনও টেনশন নেই।
  • – বাড়িতে কাপড় ইস্ত্রি করা বন্ধ করে দিন। প্রয়োজন হলে দোকান থেকে ইস্ত্রি করিয়ে আনুন। ইস্ত্রি নামক যন্ত্রটা ভয়াবহ বিদ্যুৎ খেকো। তাছাড়া ইস্ত্রি করা কাপড় পরা শেষে সুন্দর করে ভাঁজ করে রাখলেও পরিপাটি থাকে। যারা বাড়িতে ইস্ত্রি করেন, তারা এই উপায়ে খরচ বাঁচাতে পারেন।
  • – এসি ছেড়ে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়বেন না। কয়েক ঘণ্টা এসি চালিয়ে ঘর ঠাণ্ডা করে নিন, তারপর বন্ধ করে দিন ও ফ্যান চালিয়ে নিন। দরজা জানালা বন্ধ রাখলে অনেকটা সময় ঘর ঠাণ্ডা থাকবে।
  • – গিজার বা হিটার চালিয়ে রাখা বন্ধ রাখুন। অন করে পানি গরম করে নিন। প্রয়োজনীয় গরম হয়ে গেলে বন্ধ করে দিন। সম্ভব হলে চুলাতেই গরম করে নিন পানি।
  • – কি দরকার হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করে? জানেন কত বিদ্যুৎ টানে এটা? বাতাসেই শুকিয়ে নিন না চুল। বিদ্যুৎ বিল তো কমবেই, সাথে চুলের ক্ষতিও হবে না।
  • – ঘর থেকে বের হবার সময় লাইট ফ্যানের সুই বন্ধ করে ফেলা অভ্যাস করুন। ২ মিনিটের জন্য বের হলেও বন্ধ করে যাবেন সুইচ গুলো । এক মাস অভ্যাস করেই দেখুন না কতটা সাশ্রয় হয়।
  • – ওভেন চালাবার অভ্যাস পরিহার করুন। বিশেষ করে মাইক্রো ওয়েভ। এই যন্ত্রটি আক্ষরিক অর্থেই বিদ্যুৎ খেকো। চুলাতেই গরম করে নিন না খাবার দাবার, কি দরকার ওভেনের?
  • – অনেকেই আছেন রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা কম্পিউটার ছেড়ে রাখেন, কিংবা বাড়ির পাওয়ার বাটন গুলো অন করে রাখেন। কেউ গিজার, কেউ এসি ছেড়ে রাখেন। কেবল কষ্ট করে বন্ধ করতে হবে বা পুনরায় ছাড়তে হবে- এমন আলসেমি ভাবনায় এই কাজটা করবেন না। যেটা এই মুহূর্তে লাগছে না, সেটা বন্ধ করে দিন। বিন্দু বিন্দু করেই কিন্তু সিন্ধু হয়।
  • – ওয়াশিং মেশিন নামক যন্ত্রটি ব্যবহার বন্ধ করুন। কেবল বিদ্যুৎ নয়, পানিরও অপচয় করে এই বস্তুটি।
  • – অনেকের বাসাতেই একটি বাড়তি ডিপ ফ্রিজ থাকে। ভালকরে দেখুন তো, তেমন জরুরি কিছু আছে কিনা আপনার ফ্রিজে। যদি না থেকে থাকে তো বন্ধ করে দিন না। আবার রাখার মতন জিনিশ হলে তখন না হয় চালু করবেন।
  • – রাইস কুকার, কারি কুকার ইত্যাদি যন্ত্র গুলো নেহাত ঠেকায় না পড়লে ব্যবহার করবেন না। টেবিল ল্যাম্প ব্যবহার করার সময় ঘরের অন্য বাতিটি নিভিয়ে দিন।
  • – ঘরের জানালা গুলো খুলে পরদেয়া সরিয়ে রাখা অভ্যাস করুন। অযথা ভারী পরদা দিয়ে দিনের আলোকে বাঁধা না দিয়ে বরং দিনের আলোতেই কাজ করা অভ্যাস করুন।

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ