নতুনদের জন্য ইল্যান্স টিপস ও মেগা টিউটোরিয়াল

0
429

আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং শব্দ দুটি আমরা একই জিনিস বুঝলেও, অর্থ এবং  কার্যগত পার্থক্য রয়েছে। আউটসোর্সিং () মানে নিজের কাজ কোন একটা মাধ্যমে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেয়া। আর ফ্রিল্যান্সিং () বলতে, মুক্ত বা স্বাধীনভাবে কাজ করা বোঝায়। অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টি হচ্ছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি অন্যের কাজ করে দিবেন এবং কাজের বিনিময়ে নির্দিষ্ট অর্থ পাবেন। অনলাইনে কাজ করার জন্য অনেকগুলো মাধ্যম রয়েছে এবং ইল্যান্স ডটকম( ) এর মধ্যে অন্যতম। এরকমই একটি প্লাটফর্মে নতুনরা কিভাবে ভাল কাজ করতে পারে এবং নিজেকে আপডেটেড রাখতে পারে এবার সে সংক্রান্ত কিছু টিপস শেয়ার করবো।

ইল্যান্সে হাজারও কাজ রয়েছে, একথা যেমন সত্য তেমনি একটি কঠিন সত্য হচ্ছে- ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হলে আপনাকে দক্ষ হতেই হবে। কোন কাজের দক্ষতা ছাড়া আপনি মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্স কাজ করতে পারবেননা। ফ্রিল্যান্সিং শুরুর জন্য তাই আপনাকে নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন করতে হবে এরপর উক্ত বিষয়ে আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। অধিকাংশ মানুষ যে ভুলটি করে, তা হল অন্যরা কি করছে তা অনুসরণ করা। এ ক্ষেত্রে আপনার যে অভিজ্ঞতা আছে বা আপনার যে বিষয়টি ভালো লাগে সেটি নির্বাচন করা। আপনি যদি গণিতে ভাল হন, তাহলে আপনার লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রোগ্রামিং। আর যদি আঁকাআঁকি ভাল লাগে তাহলে আপনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন সবচেয়ে সুবিধাজনক হবে। যদি লেখালেখি ভাল লাগে তাহলে লেখালেখিতেই ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। মূল ব্যাপার হল, যার যে কাজ ভালো লাগে, সেই কাজেই নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে, এবং সেই কাজটি নিয়েই অনলাইন ক্যারিয়ার তৈরি করলে সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

এই দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি শুরু থেকেই মার্কেটপ্লেস নিয়েও কিছুটা ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করে দেয়া উচিৎ। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সাররা ভাবে কাজের দক্ষতা অর্জনের পরেই প্রোফাইল তৈরি করা যায়। এটা একটি ভুল ধারনা। অবশ্যই একজন ফ্রিল্যান্সারের স্কিল অর্জন করার আগে কোন প্রকার কাজে বিড করা উচিত নয়, তবে একজন ফ্রিল্যান্সারের যদি  মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট না থাকে এবং যদি প্রতিনিয়ত কাজের ধারাগুলো সে না দেখে, তাহলে কখনো জানতে পারবে না মার্কেটপ্লেসে কি কি ধরনের কাজ থাকে। স্কিলের পাশাপাশি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে, কেননা কাজ করার আগে মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জানা অতীব জরুরী। যদি মার্কেটপ্লেস নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে খেয়াল রাখবেন যে প্রতিটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসে তাদের হেল্প সেন্টার থাকে, যেখানে অনেক সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, ইল্যান্সের হেল্প সেন্টারে শতাধিক সাহায্যকারী পোস্ট আছে। একজন ফ্রিল্যান্সারের নিয়মিত এই পোস্টগুলো দেখা উচিত। ভালো ভাবে জানার পরে, এবং যেকোনো স্কিল ক্যাটাগরিতে নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার পরেই মার্কেটপ্লেসে কাজের জন্য বিড করা বা কাজ করা উচিত।

ভাল কাজ করার মনস্থির করা: ধরুন, আপনি কয়েকদিন আগেই একজন নতুন বায়াদের সাথে কাজ শুরু করলেন। নতুন হিসেবে তিনি কেমন কাজের কোয়ালিটি আশা করেন আপনার থেকে টা আপনি বুঝতে পারবেন না। কিন্তু আপনার নিজের থেকেই বিবেচনা করতে হবে আসলেই আপনি ক্লায়েন্টের মন মত কাজ দিতে পারছেন কিনা। ব্যাপারটা নজরে নিয়ে আসতে চেষ্টা করুন। কাজের শুরুতে ক্লায়েন্টের সাথে যেভাবে শুরু করলেন সেই সময় থেকে ঠিক একমাস পরের কাজের সাথে ক্লায়েন্টের স্যাটিসফ্যাকশন কম্পেয়ার করুন। তাকে জিজ্ঞাসা করুন তার মন মত কাজ হচ্ছে কিনা। যদি পজিটিভ রেসপন্স পেয়ে যান তবে একই ধারা কাজে অব্যাহত রাখুন। আর যদি, নেগেটিভ কিছু পেয়েও যান তবে ধৈর্য হারা হয়ে পড়বেন না। কারণ, যারা ধৈর্য নিয়ে কাজ করে নিজের কোয়ালিটি বাড়াতে পেরেছেন,তারাই সফল।
ভুলগুলো চিহ্নিত করা: ধরুন আপনার কাজ দেখে ক্লায়েন্ট নেগেটিভ রেসপন্স করেছেন। তাহলে কি করবেন? ক্লায়েন্ট ছেড়ে দিবেন? কারণ তিনি আপনার কাজের খুঁত ধরছেন? কখনই না! আপনি তখনই সফল হবেন, যখন সবার চাহিদা অনুযায়ী কাজ সার্ভ করতে পারবেন। ক্লায়েন্ট আপনার কাজকে নেগেটিভলি ট্রিট করলে আপনি কখনই হতাশ হবেন না বরং ক্লায়েন্টকে হাসি মুখে জিজ্ঞাসা করুণ, আপনার কোথায় কোথায় ভুল হয়েছে, ঠিক কিভাবে কোন কাজটি হলে ভাল হয় ইত্যাদি। একটি বিষয় সবসময় খেয়াল রাখতে হবে, ক্লায়েন্ট থেকে কাজ সম্পর্কে যত বেশি ক্লিয়ার হবেন তত বেশি ইফিসিয়েন্টলি কাজ করতে পারবেন।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ: অনেক সময় দেখা যায় কোন বিষয়ে ভাল জানা না থাকার কারণে কাজে ভাল পারফর্ম করতে পারছেন না। এটা স্বাভাবিক ভাবেই হতে পারে যখন আপনি একটি বিষয় নিয়ে ভাল মত না যেনে শুনে কাজ নামবেন। তাই বলে কাজ ভাল মত করতে না পারার কারণে মাঝে পথে কাজ ছেড়ে দিবেন? কখনই না! কাজ ভাল মত সার্ভ করার জন্যই, আপনার কাজের কোয়ালিটিকে বাড়ানোর জন্য আপনাকে কাজ শিখতে হবে। এভাবে আপনাকে আপনার কাজের দক্ষতার পাশাপাশি কোয়ালিটি বাড়ানোর ম্যাটেরিয়ালস সংগ্রহ করতে হবে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে সব সময় কাজ শিখার বা আপনার জানা বিষয়টি নিয়ে নেটে রিসার্চ করার অভ্যাস থাকতে হবে। কারণ,  ফ্রিল্যান্সিং জগতের প্রতিটি সেক্টর প্রতিনিয়তই আপডেট হয়েই চলছে শুরুর থেকে। তাই নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।
চোখ রাখুন ক্রিয়েটিভ এবং কোয়ালিটি কাজের ওপর: আপনার কাজের ক্রিয়েটিভিটি এবং কোয়ালিটি নেই তাই বলে বসে থাকলে চলবে না। অন্যদের কাজ দেখুন, তারা কিভাবে কাজ করে সেগুলোর রিসোর্স দেখুন। নেটে এমন অনেক কোয়ালিটি কাজের সাইট আছে যেখানে থেকে কাজের আইডিয়া পাবেন। একটি না হোক কয়েকটি কাজকে একত্রে করে কাজটি কোয়ালিটি সম্পন্ন করতে পারবেন। কিছু কোয়ালিটি কাজের সাইট,যেমন: গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য  ওয়েবসাইট টেম্পলেট ডিজাইনের জন্য:  থ্রিডি ডিজাইনের জন্য:  দেখতে পারেন।

ক্রিয়েটিভ এবং ভাল কমিউনিটির সাথে যুক্ত হওয়া: ধরুন, আপনি যে টিম বা অফিসে জব করেন সেখানে বেশির ভাগই বা সবাই পুরাতন স্টাইলে কাজ করেন। কিন্তু আপনি যে ধরণের কাজ করেন বা করে যাচ্ছেন তার জন্য আপনাকে ভালো গাইডলাইন দিবার মত কেউ নাই। প্রবলেমটি যেহেতু আপনার তাই আপনাকেই এর সমাধান টানতে হবে। চলে আসুন ব্লগ, ফোরাম বা ফেসবুকের মত সোশ্যাল মিডিয়ায়। আপনার চাহিদা মত অনেক টিম বা অনেক ইন্ডিভিজুয়াল আছেন যাদের থেকে আপনি আপনার কাজের কোয়ালিটি ইম্প্রুভের কৌশল বের করে নিতে পারবেন।

নিজের অবস্থানকে শক্তভাবে প্রকাশ করুন: যেকোনো কাজেই নিজের অবস্থানকে শক্ত করতে না পারলে কখনই ভাল ফলাফল আশা করা যায় না। আর সেটি ফ্রিল্যান্সিং জগতের ক্ষেত্রে অনেক বেশি বাস্তবিক। নিজের অবস্থানকে ক্লায়েন্টের নিকট মজবুত করে তোলা অনেক সময় সাপেক্ষ অনেকের কাছেই তবে কিছু কিছু ব্যাপার ফলো করলে আপনি খুব সহজেই আপনার অবস্থানকে ক্লায়েন্টের নিকট মজবুত করে ফেলতে পারবেন। যেমন:ক্লায়েন্টের কথায় প্রাধান্য দিন।

ক্লায়েন্টের কথায় প্রাধান্য দেওয়া: কোন সেবা নিয়ে ব্যবসায় করতে হলে আপনার ক্লায়েন্টই  হচ্ছে সফলতার মূল এবং একমাত্র চাবিকাঠি। কারণ, তারাই আপনার সেবা ব্যবহার করবে এবং গুণগান গাইবে। আপনি যা জানেন তাই একজন ক্লায়েন্টকে সেবা হিসাবে দিয়ে থাকেন, তা কাজ হোক কিংবা পরামর্শ হোক। এখন ভাবার বিষয়, আপনি কি আসলেই ক্লায়েন্টের সন্তুষ্ট করতে পারছেন আপনার সেবার মান দ্বারা? যদি কিছুই বুঝতে না পারেন তবে ক্লায়েন্টদের আপনার সেবা সম্পর্কে বলার সুযোগ করে দিন। আপনি তাদের কথা শুনুন, ভালমন্দ যে যাই বলুক না কেনও শুধু শুনে যাবেন। এসব নিয়ে সাথে সাথে ক্লায়েন্টের সাথে কোন রিএ্যাক্ট করতে যেয়ে ভুল করবেন না। ফ্রিল্যান্স কাজের ক্ষেত্রেই এই কথাটিই মেনে চলতে হবে।

অন্য ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে শিক্ষণীয়: যেখানে আপনার সেবা দিচ্ছেন সেখানকার অন্যরা কিভাবে কাজ করছে সেটির দিকে নজর রাখতে হবে। অন্য ফ্রিল্যান্সাররা নিজেদেরকে কিভাবে ফুটিয়ে তুলছেন, কি ধরণের কাজ করছেন, কেমন প্রাইস নিচ্ছেন এগুলোর দিকে খেয়াল রাখুন। তাদের কর্মকান্ডগুলো পর্যালোচনা করুন।

পরিবেশের দিকে নজর দিন: আপনি যে স্থানে কাজ করেছেন সেখানের পরিবেশকে কোলাহল মুক্ত করুন। আপনি যখন ক্লায়েন্টের সঙ্গে স্কাইপের মাধ্যমে কথা বলবেন তখন কোলাহল থাকলে ক্লায়েন্ট সেটি পছন্দ করবে না।

স্মার্টলি উপস্থাপন করুন: কোন সেবা কত দ্রুত বিক্রি হবে তা অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কিভাবে আপনার সেবাকে উপস্থাপন করবেন। ক্লায়েন্টদের সামনে আপনার পণ্য সম্পর্কে জ্ঞান থেকে সর্বোচ্চ নিয়ে বুঝান। যে কয়েকটা পণ্য নিয়ে ব্যবসায় করবেন সেগুলো সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান অর্জন করুন।
কাজের মান উন্নয়নে কাজ করুন: এই কাজটি করতে আপনাকে প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু খরচ করতেই হবে। ধরুন আপনি একটি ছোট টিম নিয়ে আপনার ব্যবসায় পরিচালনা করেন। টিমের কর্মীরা প্রতিনিয়তই আপনার ব্যবসায়ের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যায়। আপনি কি তাদের ব্যাপারে একবার ভেবে দেখেছেন তারা ব্যবসায়ের জন্য যা করছে প্রতিদিন তার ফল স্বরূপ মাস শেষের বেতন ছাড়া তাদেরকে আর কি কি অতিরিক্ত সেবা দিচ্ছেন? যদি না দিয়ে থাকেন তবে দিতে শুরু করুন। তাদের সাথে বন্ধু ভাবাপন্ন পরিবেশে কাজ করুন। মনে রাখা ভাল যাদের দিয়ে সেবা পরিবেশন করবেন তাদেরকে খুশি রাখতে পারলে আপনার ক্লায়েন্টরাও হাসিখুশি এবং সন্তুষ্ট থেকে আপনার সেবা ক্রয় করতে উদ্বুদ্ধ হবে।

পরিহার করতে হবে কপি এবং পেস্ট: অনেকেই কাজের ক্ষেত্রে কপি পেস্ট করে তাদের ক্লায়েন্টদের কাজ বুঝিয়ে দেয়। এভাবে কপি পেস্ট করে আপনি ২/১দিন ক্লায়েন্টদের বুঝিয়ে যেতে পারলেও দীর্ঘ সময়ের জন্য করতে গিয়ে নিজের ফাঁদে নিজেই ফেঁসে যাবেন। কারণ, আরেকজনের করা কোন কাজ আপনি সামান্য এডিট করে ২/৩ টা কাজে চালিয়ে দিতে পারলেও একবার না একবার ধরা পড়ে যাবেনই। তখন মার্কেটপ্লেস ক্লায়েন্ট রিপোর্ট করতে পারবে। একদম নতুনদের এই প্রবণতা বেশি থাকে। আর এভাবে নিজেদের কাজের রেপুটেশন নষ্ট করে ফেলে।

কাজের পূর্ণ পরিকল্পনা করে নামতে হবে: একটি ভাল মানের পরিকল্পনা যেকোনো কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সহায়তা করে। তাই প্রোজেক্ট শুরু করবার আগেই প্রোজেক্টের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ফাইল সংগ্রহ করেই কাজে মনোনিবেশ করবেন।
কংগ্রাচুলেশনস, আপনি প্রোজেক্টটি জিতে গেছেন: একটি প্রোজেক্ট জয়লাভ করতে হলে বেশি না সামান্য কিছু ডিরেকশন মেনে চলতে হয়। ডিরেকশনগুলো খুব বেশি কঠিন কিছু না। সংক্ষেপে আরেকবার, প্রোজেক্ট ভাল করে পড়ুন এবং বুঝুন আসলেই ক্লায়েন্ট কি চাইছেন। এবার আপনার দক্ষতা এবং সময় অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করুণ। প্রোজেক্ট পুরোটুকু না বুঝলে কোন প্রকার প্রাইস সেট না করে আপনার প্রশ্ন সহ ব্ল্যাংক প্রপোজাল সাবমিট করুণ। রিপ্লাই পেলে এবার চূড়ান্ত মূল্য সেট করে প্রপোজাল সাবমিট করুণ। অবশ্যই প্রপোজাল স্মার্ট ভাবে উপস্থাপন করতে হবে যাতে ক্লায়েন্ট আপনার কোয়ালিফিকেশন সম্পর্কে প্রপোজাল দেখেই অনুমান করতে পারেন। এরপর অপেক্ষা করুণ, কংগ্রাচুলেশনস, আপনি প্রোজেক্টটি জিতে গেছেন!

কোয়ালিটি, কোয়ালিটি এবং কোয়ালিটি:  একটি কাজের সর্বোচ্চ কোয়ালিটি বলতে আসলেই কি বুঝায় সেটা বুঝতে পারাটা অনেক সময় সাপেক্ষ। নিজেকে সবসময় আপডেট রাখতে হবে এবং কোয়ালিটি কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ