বর্তমানে নারী পাচারে সোশ্যাল মিডিয়ার একটি বর অবদান রয়েছে

0
338

নারীদের অপরাধ এবং পতিতাবৃত্তিতে জড়ানোর জন্য ফেসবুকের মতো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করছে অপরাধচক্র। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইউরোপোল প্রধান রোব ওয়াইনরাইট গতকাল মঙ্গলবার একথা জানিয়েছেন।

পাচারে সোশ্যাল মিডিয়ায় টোপ বর্তমানে নারী পাচারে সোশ্যাল মিডিয়ার একটি বর অবদান রয়েছে

তিনি বলেন, পাচারকারীরা এসব সাইটে চাইল্ড কেয়ার এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী চেয়ে বিজ্ঞাপন দেন। এবং তাদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়াতেই যোগাযোগ করতে বলেন। তাদের গতিবিধি ওয়েবচ্যাট ও ওয়েবক্যামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করেন।

‘আগের দিনে পাচারকারীদের বেশ কষ্ট করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে মাত্র এক ক্লিকেই তা সম্ভব হচ্ছে। ভার্সুয়াল ফরম্যাটে একসাথে ৫০ জনেরও বেশি মানুষকে নজরদারিতে রাখতে পারছে তারা’।

পুলিশ প্রধান বলেন, অপরাধচক্র পাচারকে ‘কম ঝুঁকি, বেশি লাভ’ এর ব্যবসা ভাবে। এই চক্র প্রতিবছর এ থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলার আয় করে।

ইউরোপে আনুমানিক ৫ লক্ষ নারী পাচারের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশ রোমানিয়া, বুলগেরিয়া ও হাঙ্গেরির বাসিন্দা। তাদেরকে ব্রিটেন, জার্মানি, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে নেওয়া হয়।

ওয়াইন রাইট এ সমস্যা মোকাবেলা করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার কথা বলেন।

তিনি বলেন, সংগঠিত অপরাধ চক্র আধুনিক দাসত্বের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদেরকে আটক করা সবসময় সহজ নয়। আমাদেরকে আরও ভালো করতে হবে। এজন্য পুলিশি সংস্কৃতিও পরিবর্তন করতে হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ