ক্রেতা বা বিক্রেতা হিসেবে মাদারবোর্ড ও প্রসেসর কেনার আগে অনেক গুলো বিষয় জেনে নিন(মেগা টিউন)

0
862

বর্তমানে কমপিউটার একজন সচেতন নাগরিকের মৌলিক চাহিদায় পরিণত হয়েছে। নিজের প্রয়োজনীয় কাজের পাশাপাশি নিত্যব্যবহার্য ডিজিটাল পণ্য- পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা, ক্যামকর্ডার, এমপিথ্রি প্লেয়ার, মোবাইল ইত্যাদি থেকে ডাটা আদান-প্রদানের জন্যও কমপিউটার ব্যবহার হচ্ছে। সব মিলিয়ে কমপিউটারের গুরুত্ব অনুধাবন করে কেনাবেচার ক্ষেত্রে অনেক কিছু মেনে চলা উচিত।

অপ্রিয় হলেও সত্য, দেশে কমপিউটার ব্যবহারকারী বৃদ্ধি পেলেও কমপিউটার যথাযথ ব্যবহার করেন কতজন তা নিয়ে প্রশ্ন করাই যায়। কমপিউটার কেনার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম হচ্ছে প্রয়োজনটা নির্ধারণ করা। নিজেকে প্রশ্ন করুন কি কাজের জন্য কমপিউটার কিনবেন। ব্যবহারকারীর ধরন অনুযায়ী প্রাথমিক পর্যায়ে এন্ট্রি লেভেল, মধ্যম পর্যায়ে মিড রেঞ্জ এবং প্রফেশনালদের হাই-এন্ড ব্যবহারকারী বলা যায়। নিজেই নির্ধারণ করুন আপনি কোন পর্যায়ের। অতিরিক্ত দাম দিয়ে হাই-এন্ড কমপিউটার কিনে সে অনুযায়ী ব্যবহার না করলে কি লাভ। বরং তাকে অর্থের অপচয় ছাড়া কি-ই বা বলা যায়!

কাজের প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত কনফিগারেশনের কমপিউটার কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। এই কনফিগারেশনের জন্য আপনি অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নিতে পারেন। এছাড়া অনেক দিন কমপিউটার ব্যবহার করছেন এমন কোনো পরিচিতজনের পরামর্শও নিতে পারেন। তবে যে কনফিগারেশনই নির্ধারণ করুন, মানসম্পন্ন পণ্য কিনবেন এবং তা হওয়া উচিত দেশের বাজারে দীর্ঘদিন যাবত ক্রেতাসাধারণের সন্তুষ্টি অর্জন করে ব্যবসা করে আসছে এমন কোনো ভেন্ডরের কাছ থেকে।

কমপিউটার কিনতে যন্ত্রাংশের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ

ধরা যাক অনেক অর্থ খরচ করে বাজারের সাম্প্রতিক মডেলের সবচেয়ে ভালো যন্ত্রাংশ কিনে কমপিউটারে সংযোজন করেছেন, অথচ দেখা গেল কমপিউটারটি আপনার আশানুরূপ গতির হয়নি বরং অনেকটাই ধীর গতির। এর অন্যতম কারণ বিশেষত ক্লোন কমপিউটারের ক্ষেত্রে, কমপিউটারে সংযোজনকৃত যন্ত্রাংশগুলোর মাঝে যথাযথ সমন্বয় হয়নি বা সমর্থিত হয়নি।

ক্রেতা হিসেবে মাদারবোর্ড ও প্রসেসর কেনার আগে

আমরা যারা কমপিউটার ব্যবহার করি তাদের কাছে মাদারবোর্ড একটি অতিপরিচিত শব্দ। বাজারে কমপিউটার কিনতে গেলে যে শব্দটা সবচেয়ে বেশি শোনা যায় তা হলো কি মাদারবোর্ড, প্রসেসর কত? আসলে একটি কমপিউটারের প্রসেসর আর মাদারবোর্ড একে অন্যের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে সংযুক্ত। মাদারবোর্ড ছাড়া প্রসেসর অচল। প্রসেসরের যাবতীয় কর্মকৌশল বিকাশলাভ করে মাদারবোর্ডের সহায়তায়।

একটি মাদারবোর্ডের ক্ষমতা নির্ভর করে তার চিপসেটের ওপর। আর চিপসেটের ওপর নির্ভর করে প্রসেসর কি ধরনের হবে এবং কমপিউটার কেমন গতিতে চলবে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের চিপসেটের মাদারবোর্ড রয়েছে। আবার প্রায় সব মাদারবোর্ডেই গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ড, ফ্যাক্স/মডেম সংযুক্ত থাকে। যাকে বলা হয়ে থাকে বিল্ট-ইন। বাজেট বেশি হলে এবং গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন বা ভিডিও সম্পাদনার কাজের জন্য উচ্চক্ষমতার চিপসেটের মাদারবোর্ড কেনা ভালো। সার্ভারের জন্য হলে আরও দামী মাদারবোর্ড কিনতে পারেন। বিল্ট-ইনে যা সংযুক্ত থাকে তা সাধারণত এন্ট্রি লেভেলের ব্যবহারকারীদের জন্য উপযুক্ত। তাই কাজের প্রয়োজনে বিল্ট-ইন ছাড়াও অতিরিক্ত গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে। মাদারবোর্ডের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এর বাস স্পিড। কেনার আগে এই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত।

মাদারবোর্ডে বিভিন্ন ধরনের কানেক্টর ও পোর্ট থাকে। এগুলো কিছু অভ্যন্তরীণ এবং কিছু বাহ্যিক। এসব কানেক্টর ও পোর্টে বিভিন্ন ডিভাইস প্লাগড করা হয়। এগুলো হলো- পিসিআই স্লট, এজিপি স্লট, নর্থ ব্রিজ, র্যা ম স্লট, পাওয়ার কানেক্টর, সাউথ ব্রিজ, ইউএসবি হেডার, ফায়ারওয়্যার হেডার, পিএস/২ কানেক্টর, ইউএসবি পোর্ট, প্যারালাল পোর্ট, গেম পোর্ট, সাউন্ড কার্ড কানেক্টর, ডিসপ্লে কানেক্টর ইত্যাদি। এ নিবন্ধে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা সম্ভব নয়, ধারণা দেয়া হলো মাত্র। তাছাড়া একজন ব্যবহারকারীর বিস্তারিত জানার দরকারও পড়ে না। তবে সম্যক ধারণাটা রাখা জরুরি।

প্রসেসর: প্রসেসরের ক্ষেত্রে বলতে হয় বর্তমানে এন্ট্রি লেভেলের জন্য সেলেরন, মিড রেঞ্জের জন্য ডুয়াল কোর এবং হাই-এন্ডের জন্য কোর আই প্রসেসর উপযুক্ত। এন্ট্রি লেভেল থেকে হাই-এন্ডের মাঝে আরও রয়েছে কোর-টু-ডুয়ো, কোর-টু-কোয়াড, কোর-টু-এক্সট্রিম ইত্যাদি মানের প্রসেসর।

উল্লেখ্য, মাদারবোর্ড হলো একটি কমপিউটারের ফাউন্ডেশন বা ভিত্তি। ফলে ফাউন্ডেশন যদি দৃঢ় হয় অন্যান্য সব যন্ত্রাংশ তার সাথে সমর্থিত হয়ে কাজ করতে কোনো সমস্যা হয় না।

মাদারবোর্ড কেনার আগে কিছু টিপস

** পোর্ট ও কানেক্টর সম্পর্কে ভালো ধারণা নিয়ে মাদারবোর্ড কিনুন।

** ভবিষ্যতের চিন্তা করে মাদারবোর্ড কেনা উচিত। তাহলে আপগ্রেডের জন্য সুবিধা হবে। তাছাড়া মাদারবোর্ডসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ডিভাইস আপগ্রেড করলে কমপিউটারের সার্বিক পারফরমেন্সও উন্নত হয়।

** ভালো মানের পাওয়ার সাপ্লাই না হলে মাদারবোর্ড নষ্ট হতে পারে। তাই এর প্রতি লক্ষ রাখুন।

** ডুয়াল বায়োস সমৃদ্ধ মাদারবোর্ড কিনুন। সেই সাথে ভালো মানের ব্র্যান্ড ও ফিচার দেখে নিন।

** মাদারবোর্ডে ডিডিআর র্যারম ব্যবহার করলে অধিক ফল আশা করা যায়।

** বিক্রয়োত্তর সেবাকে অধিক গুরুত্ব দিন।

বিক্রয়কর্মী হিসেবে আপনার করণীয়

কমপিউটারের সব যন্ত্রপাতির ধারক হলো মাদারবোর্ড। অন্যদিকে প্রসেসর কিনতে হয় মাদারবোর্ডের সাথে সমন্বয় করে। মাদারবোর্ড ও প্রসেসর সম্বন্ধে ক্রেতাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করাও একজন বিক্রয়কর্মীর দায়িত্ব। এসব বিবেচনায় একজন বিক্রয়কর্মী হিসেবে মাদারবোর্ড ক্রেতার সন্তুষ্টি অর্জন করে পণ্য বিক্রির জন্য করণীয় বা কিছু পরামর্শ এখানে উপস্থাপন করা হলো :

** প্রযুক্তিপণ্যের ক্ষেত্রে নিজেকে আপডেট রাখুন। একজন দক্ষ বিক্রয়কর্মী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনের জন্য মাদারবোর্ডসহ আইসিটি পণ্যসামগ্রীর সর্বশেষ প্রযুক্তি সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণাটুকু থাকা জরুরি।

** ক্রেতার চাহিদা মন দিয়ে শুনুন। ব্যবহারকারী কোনোভাবে যদি বুঝে ফেলে আপনি মাদারবোর্ড বা সামগ্রিক কমপিউটার প্রযুক্তি সম্পর্কে পুরোপুরি না জেনে শুধু পণ্যটি বিক্রির জন্যই ক্রেতাকে চাপিয়ে দিতে চাচ্ছেন, তাহলে আপনার কাছ থেকে সে পণ্য কেনার আগ্রহ হারিয়েও ফেলতে পারে।

** ব্যবহারই পণ্য বিক্রির মূল পুঁজি। আপনি যদি বোঝেন কোনো ক্রেতা শুধু দাম জানতে এসেছে, তার সাথে অতটা গদগদ ভালো ব্যবহার করার দরকার নেই- বলা দরকার এরকম ধারণাও সম্পূর্ণ ভুল। কারণ তিনি আপনার কাছ থেকে সুন্দর ব্যবহার পেলে অন্যদিন আসতে পারেন। এমনকি তার পরিচিতজনদেরও আপনার কাছ থেকে পণ্য কিনতে উৎসাহিত করবেন। তাছাড়া হয়তো তিনি পণ্যটি সম্পর্কে জানতে এসেছেন বা অন্য কোনো কাজে এসেছেন সাথে টাকা নেই; কিন্তু পণ্যটি তার দরকার, তাই দামটা জেনে নিতে চান। বিষয়গুলো নিয়ে ভাবুন।

** অনেক ক্ষেত্রে একটি মানসম্মত পরিচিত ও সর্বোৎকৃষ্ট মানের পণ্য বিক্রির জন্য আপনার আচার-ব্যবহার প্রধান ভূমিকা পালন করে না। আর সেটি যদি হয় মনোপলি, অর্থাৎ আপনি ছাড়া আর কেউই সে পণ্য বিক্রি করে না; তাহলে তো কথাই নেই!

তারপরও সুন্দর ও ভদ্রোচিত ব্যবহার করুন। কারণ বিপণন তো বটেই, জীবনের সব ক্ষেত্রে একমাত্র সুন্দর ব্যবহারই আপনার উন্নত জীবন তথা সামগ্রিক উন্নতির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।

ক্রেতার সাথে বিক্রয়কর্মীর নমুনা কথোপকথন

ধৈর্য নিয়ে বুদ্ধি খাটান : প্রথমেই জানা দরকার ক্রেতার বাজেট এবং তিনি কমপিউটারে কি কাজ করবেন। কারণ এন্ট্রি লেভেল, মিড রেঞ্জ ও হাই-এন্ড নানা দামের মাদারবোর্ড আছে। এই কথাগুলো সরাসরি প্রশ্ন না করে, যেভাবেই হোক কথাবার্তার মাধ্যমে জেনে নিতে হবে। সরাসরি জিজ্ঞেস করাটা ক্রেতা অপমানিত বোধ করতে পারেন।

ধৈর্য ও মেধা খাটাতে হবে : কমপিউটার কার জন্য, কতজন ব্যবহার করবেন। ক্রেতা যে কাজের জন্য কমপিউটার নিতে চাচ্ছেন সেটি ছাড়াও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি বা ভবিষ্যতে আরও কি কাজ করতে চান জানতে চেষ্টা করুন। অথবা তিনি ছাড়া কমপিউটারটি আর কারা ব্যবহার করতে পারেন, তাদের কাজের ধরন কি ইত্যাদি সার্বিক বিষয়ে ক্রেতার সাথে কথা বলুন। অবশ্যই বন্ধুসুলভ আচরণের মধ্য দিয়ে এসব বিষয় জানতে চেষ্টা করুন।

কিছুতেই ধৈর্য হারানো যাবে না : ক্রেতা ছেলেমানুষি প্রশ্ন করলেও আপনার আচরণে যেন বিরক্তিভাব প্রকাশ না পায়। একান্ত না পারলে প্রয়োজনে চুপচাপ থাকুন।

ক্রেতাকে সম্মান দেখান : ধৈর্য নিয়ে তার কথাগুলো শুনলে ক্রেতা আপনার প্রতি আস্থাশীল হবেন এবং নির্ভরতাও পাবেন। সব মিলিয়ে সৃষ্টি হবে বিশ্বস্ততা। তার কথা শেষ হলে এবার আপনার কথাগুলো তাকে বোঝাতে চেষ্টা করুন। ক্রেতার কাজের চাহিদা অনুযায়ী অন্যান্য সামগ্রীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে কোন ব্র্যান্ডের এবং কোন ধরনের মাদারবোর্ড ও প্রসেসর তার জন্য আদর্শ হবে এবং পারফরমেন্স কেমন হবে সেগুলো বিস্তারিত জানান।

ক্রেতাকে আপগ্রেড করুন: ভবিষ্যতে পিসি আপগ্রেড করতে মাদারবোর্ড ও প্রসেসর কতটুকু সহায়ক বুঝিয়ে বলুন। পাশাপাশি প্রযুক্তির সুবিধাগত দিকগুলোও তুলে ধরুন। বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আপগ্রেড করলে মাদারবোর্ডটি সাপোর্ট করবে কিনা সেসব নিয়েও কথা বলুন।

ক্রেতাকে সময় দিন এবং মাদারবোর্ড ও প্রসেসরের গুণাগুণ সম্পর্কে বলুন : মাদারবোর্ডটির পাওয়ার সাপ্লাই কেমন, জানিয়ে দিন, তার সাথে প্রসেসর কোনটা কেমন হবে জানান। সাধারণ ক্রেতা হলে, পাওয়ার সাপ্লাইয়ের কাজ সম্পর্কে না বুঝলে, ক্রেতা বুঝতে পারে সেরকম সহজ সাবলীলভাবে পাওয়ার সাপ্লাই সম্পর্কে বলুন। মোটামুটি একটা ধারণা পেতে পারেন সেরকম উদাহরণ সৃষ্টি করে বুঝিয়ে দিন। এসব আপনি বুঝবেন না, ভুলেও এমনটা বলবেন না।

গুণগত মানের ভালো মাদারবোর্ডের সুবিধাদি নিয়ে কথা বলুন : ভালো মানের পাওয়ার সাপ্লাইযুক্ত মাদারবোর্ড না হলে পুরো মাদারবোর্ডটিই নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে- সে বিষয়ে আস্থা ও দৃঢ়তা নিয়ে ক্রেতাকে তা ব্যক্ত করুন। এছাড়া কথার ফাঁকে ফাঁকে মাদারবোর্ডটির অত্যাধুনিক ফিচারগুলো আস্থার সাথে তুলে ধরতে পারেন। তার সাথে প্রসেসর কিভাবে সমর্থিত হয়ে কাজ করে কমপিউটারের গতিকে প্রভাবিত করে বুঝিয়ে বলুন।

মাদারবোর্ড সম্পর্কে বিশেষায়িত কিছু থাকলে জানিয়ে দিন : ক্রেতারা সাধারণত নামীদামী প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির নাম শুনলে আস্থা পান। কথার ফাঁকে ফাঁকে সেরকম মাদারবোর্ড সম্পর্কে কোনো অ্যাওয়ার্ড বা ইত্যাদি জানাতে পারেন। তাছাড়া দেশ-বিদেশের নামীদামী প্রতিষ্ঠান সেই মাদারবোর্ড কেন ব্যবহার করবে সেসব বিষয় উপস্থাপন করতে পারেন। এসবের ফলে ক্রেতার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, ক্রেতা পণ্য সম্পর্কে দৃঢ় আস্থা পান।

লুকোছাপা নয় : ওয়ারেন্টি এবং রিপ্লেসমেন্ট সম্পর্কে লুকোছাপা না করে ক্রেতাকে পরিষ্কার ধারণা দিন। বিক্রয়পরবর্তী বিড়ম্বনা এড়াতে এটি অত্যন্ত জরুরি।

কোনোভাবে অসততা উচিত নয় : এসব করলে দীর্ঘ মেয়াদে ওই পণ্য ও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ক্রেতাদের বিরূপ ধারণা জন্ম নেবে। ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানেরই ক্ষতি।

প্রতিটি ক্রেতাই মূল্যবান : উল্লিখিত বিষয়সমূহ মনে রেখে তা পালন করলে আশা করা যায় আপনার কাছে আসা প্রতিটি ক্রেতাই হবে আপনার।

লাস্যময়ী হাসিতে বিদায় জানান : নানা কারণ দেখিয়ে সে মুহূর্তে না কিনতে চাইলে তাকে আপনার যোগাযোগ নম্বরসহ ধন্যবাদের সাথে হাসিমুখে বিদায় জানান।

একটি উত্তর ত্যাগ