কোনটা সেরা? আইফোন না অ্যান্ড্রয়েড

0
457

স্মার্টফোনের বাজার প্রায় পুরোটাই দখল করে রেখেছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড এবং অ্যাপলের আইফোন। এ ফোনগুলোতে প্রাপ্ত সুবিধাগুলো প্রায় একই হলেও উভয়ের মাঝে স্পষ্ট কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। ব্যাপারটা অনেকটা অভিন্ন ক্ষেত্রে স্বকীয়তার গুণে শ্রেষ্ঠত্বের মতো।

তুলনামূলক বিচারে অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোনের বিশেষত্ব হল-

লগইন

আইফোনের টাচ আইডি ফিঙ্গারপ্রিন্ট অধিকতর সুবিধাজনক। অ্যান্ড্রয়েডে ফেসিয়াল রিকগনিশনের ব্যবস্থা থাকলেও তা অতটা নিরাপদ এবং কার্যকর নয়।

কল করা

এই ফিচারেও আইফোন এগিয়ে।

সময় দেখা

এবার অবশ্য অ্যান্ড্রয়েডকে বিজয়ী বলতে হয়। আইফোন সময় দেখতে হোম অথবা লক বাটন চাপতে হয়। অ্যান্ড্রয়েডে এই ঝামেলা নেই বললেই চলে।

ছবি তোলা

আইফোনের ক্যামেরা অ্যান্ড্রয়েডের চেয়ে ভালো। আর আইক্লাউড তো আছেই।

টাইপ

অ্যান্ড্রয়েডের কিপ্যাড আইফোনের চেয়েও সুবিধাজনক।

অ্যাপস

এবারও অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে।

নোটিফিকেশন

অ্যান্ড্রয়েডকেই বিজয়ী বলতে হয়। বিশেষ করে নোটিফিকেশন মুছে ফেলা এই ফোন আইফোনের চেয়ে সহজ।

গান শোনা

গুগলের মিউজিক প্লের চেয়ে আইটিউন বেশি সুবিধাজনক। এই বিচারে আইফোন এগিয়ে।

ইমেইল

এবারও আইফোনকে এগিয়ে রাখতে হয়।

পথ চেনা

সন্দেহাতীতভাবে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে।

কনটাক্ট

কেউ কারও চেয়ে কম না। এগিয়ে রাখাটা কষ্টকর।

সার্চ

গুগলের জন্য অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা থাকলেও এই ফিচারে উভয়ের মধ্যে টাই।

ভাইব্রেশন

এই ফিচারে আন্ড্রয়েড পিছিয়ে।

ফোনের সাথে কথা বলা

গুগলের সিরির চেয়ে অ্যাপলের নামহীন ভয়েস অ্যাসিসটেন্ট অধিকতর সহযোগিতাপূর্ণ।

ফ্লাশলাইট

অ্যান্ড্রয়েড এই সুবিধা উপভোগ করতে অ্যাপ ডাউনলোড করতে হয়। আইফোনে এ ঝামেলা নেই এবং সুবিধার বিচারে এগিয়ে।

একটি উত্তর ত্যাগ