যেসব কারণে স্মার্টফোন কিনবেন

0
360

অপারেটিং সিস্টেম :
স্মার্টফোনের সবচেয়ে বড় সুবিধা সম্ভবত এর অপারেটিং সিস্টেম। গুগলের অ্যান্ড্রোয়িড ও অ্যাপলের আইওএসে চমৎকার গ্রাফিক্সের পাশাপাশি আছে চমৎকার পারফরম্যান্স। নতুন নতুন অ্যাপলিকেশন যেমন চালাতে পারবেন, তেমনি সাজিয়ে নিতে পারবেন নিজের মতো করে। এছাড়া আছে ব্ল্যাকবেরি ওএস, মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ফোন কিংবা এইচপির ওয়েব ওএস। সবগুলোই ব্যবহারকারীকে দেবে সর্বোৎকৃষ্ট অভিজ্ঞতা। সাথে হালনাগাদ করার সুবিধাও থাকছে।

অপারেটিং সিস্টেম যেসব কারণে স্মার্টফোন কিনবেনইন্টারনেট সংযোগ :
বর্তমানে মোটামুটি সব মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা থাকলেও স্মার্টফোনগুলোতে পাওয়া যাবে ভিন্ন মাত্রার অভিজ্ঞতা। উঁচুগতির সংযোগের সাথে থাকছে ওয়াইফাই এবং ৩এ-এর মতো প্রযুক্তি। কিছু কিছু স্মার্টফোনে এমনকি 4G পর্যন্ত যুক্ত হয়েছে।

সিনক্রোনাইজেশনের সুযোগ :
বেশিরভাগ স্মার্টফোনে সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা আছে যা আপনার বাসায় রাখা পিসি, ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট কমপিউটারটির সাথে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করে তথ্য হালনাগাদ করে নিতে পারে। ফলে আপনার অসমাপ্ত কাজটুকু রাস্তায় চলমান অবস্থায় সেরে নিতে পারবেন। আবার প্রয়োজনে বাসা বা অফিসের পিসি থেকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেখতে বা সম্পাদনা করতে পারবেন।

রিয়েল-টাইম ই-মেইল :
সব মোবাইল ফোনে এসএমএস সুবিধা রয়েছে। স্মার্টফোনেও রয়েছে। তবে স্মার্টফোনে বেশি সুবিধা পাবেন রিয়েল-টাইম ই-মেইল। অর্থাৎ এটি আপনার ই-মেইল ইনবক্সের সাথে প্রতিনিয়ত সংযোগ স্থাপন করবে। ফলে আপনার দরকারি ই-মেইলটি ঠিক তখনি পাবেন যখন সেটি ইনবক্সে এসে পৌঁছাবে।

বড় পর্দা :
স্মার্টফোনের আরেকটি বড় সুবিধা এর বড় স্পর্শকাতর পর্দা। যদিও স্মার্টফোন হওয়ার জন্য এটি জরুরি নয় এবং সব স্মার্টফোনে স্পর্শকাতর পর্দা থাকে না। তবে মানুষের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে বড় বড় স্মার্টফোন প্রস্ত্ততকারী কোম্পানি তাদের তৈরি ফোনে বড় পর্দা যোগ করার একটা প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

মাল্টিমিডিয়া :
কাজের চাপে ক্লান্ত মন যখন একটু মুক্তির স্বাদ পেতে চায় তখনও স্মার্টফোন দিতে পারে পছন্দমাফিক বিনোদন। অডিও গানসহ স্মার্টফোন চালাতে পারে হাই ডেফিনিশন ভিডিও। ভ্রাম্যমাণ অবস্থায় আপনি দেখে নিতে পারেন পছন্দের কোনো মুভি। আবার ছবি দেখে ফিরে যেতে পারেন পরিবারের সাথে কাটানো কোনো সুন্দর মুহূর্তে। আর এসব সুবিধা থাকছে আপনার পকেটেই।

থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন :
স্মার্টফোনগুলো এখন আর নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মোটামুটি সব স্মার্টফোনের সাথে থাকছে হাজার হাজার থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন, যা আপনাকে বিভিন্ন কাজে সহায়তা করবে। সব ধরনের কাজের অ্যাপ্লিকেশন পাবেন সেখানে। প্রয়োজন শুধু নির্দিষ্ট অ্যাপটি অ্যাপ স্টোর থেকে নামিয়ে নেয়া।

উঁচুমানের ক্যামেরা :
স্মার্টফোনের হাই ডেফিনিশন ক্যামেরা আপনাকে দেবে ফটোগ্রাফির স্বাদ। এ ছাড়া হাই ডেফিনিশন ভিডিও ধারণ করার সুবিধাও রয়েছে স্মার্টফোনে। সাথে রয়েছে বড় পর্দায় যেকোনো সময় তা দেখার।

কোয়ার্টি কিবোর্ড :
স্মার্টফোনে পাচ্ছেন পূর্ণ কিবোর্ড ব্যবহারের সুবিধা যা সাধারণত পিসি বা ল্যাপটপে থাকে। ফলে আপনি অনেক দ্রুতগতিতে রিপ্লাই করতে পারবেন কোনো ই-মেইল বা টাইপ করতে পারবেন কোনো দরকারি ডকুমেন্ট।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × two =