কেউ কি কম্পিউটারের ইনস্যুরেন্স করেছেন? না করে থাকলে ডিজিটাল তথ্যের ইনস্যুরেন্স করে নিন!

0
387
কেউ কি কম্পিউটারের ইনস্যুরেন্স করেছেন? না করে থাকলে ডিজিটাল তথ্যের ইনস্যুরেন্স করে নিন!

kafi

বড় একটি কোম্পানিতে ছোট একটি জব করছি :) দেখা হলে বিস্তারিত আড্ডা হবে। ধন্যবাদ
কেউ কি কম্পিউটারের ইনস্যুরেন্স করেছেন? না করে থাকলে ডিজিটাল তথ্যের ইনস্যুরেন্স করে নিন!
ইদানীং বাড়ি, গাড়ি থেকে শুরু করে নিজের জীবনেরও ইনস্যুরেন্স করার আগ্রহ দেখা যায়। সবাই যেন মৃত্যুর পরও নিশ্চিন্ত থাকতে চান।গাড়ির ক্ষতি হলে নতুন গাড়ির দরকার। বাড়ি ভূমিকম্পে ভেঙে পড়লে অর্থ দরকার। ভয়াবহ রকমের রোগে আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্য ইনস্যুরেন্স বা বীমা দরকার।

কিন্তু বর্তমান সময় তো ডিজিটাল পথে এগিয়ে যাওয়ার। এমন সময় কেউ কি কম্পিউটারের ইনস্যুরেন্স করেছেন? কিংবা আপনার কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ইনস্যুরেন্স কোনো প্রতিষ্ঠান দিতে পেরেছে? কেউ কি সাহস নিয়ে বলেছে, আপনার কম্পিউটারের যে কোনো তথ্য হারিয়ে গেলে ক্ষতিপূরণ আমরা দিব। ক্ষতিপূরণ দিলেও বা কি! দরকারি নথিটা তো আর পাওয়া যাচ্ছে না।

আপনার কম্পিউটারে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কোনো ফাইল, ফটো বা যে কোনো তথ্য হারিয়ে গেলেই শেষ! আর তা ফিরে পাবার সম্ভাবনা খুব কম। ভাগ্য ভালো থাকলে ফেরত পেতেও পারেন। এক জরিপে দেখা গেছে পৃথিবীর ৪৩ ভাগ কম্পিউটার ব্যবহারকারী বিভিন্ন কারণে তাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারিয়েছেন।

এ সংখ্যাটি আরও বাড়বে। কারণ বিশ্বব্যাপী মানুষ ডিজিটাল ডিভাইস নির্ভর হয়ে পড়ছেন। প্রত্যেকেই তাদের ডিভাইসে রাখছেন ফাইল, ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও সহ আরও কত কি।

আপনার এ হারিয়ে যাওয়ার ভোগান্তি থেকে বাঁচার উপায় আছে। এটাকে আপনি তথ্যের ইনস্যুরেন্স হিসেবেও ধরে নিতে পারেন। ব্রাউজারে গিয়ে লগ ইন করুন সাইটে। আপনার গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য রাখার সুবন্দোবস্ত করা আছে।

এটা কিভাবে কাজ করবে?

প্রথমে সাইটে লগইন করুন। তারপর মাইপিসি ব্যাকআপ সাইটে ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলুন। এরপর অ্যাপলিকেশনটি ডাউনলোড করুন। দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে সে কাজ শুরু করে দিয়েছে। সে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার কম্পিউটারের সব ফটো, মিউজিক, ডকুমেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য ইন্টারনেটে ব্যাকআপ সাইটে রেখে দিবে। এরপর আপনি যেই তথ্যই কম্পিউটারে রাখবেন সে তার কাজ নিজেই করে নেবে। আপনি ভুলে গেলেও সমস্যা নেই।

এটিকেই বলা হয় ক্লাউড সিস্টেম। ভবিষ্যতে সবাই ক্লাউডের মাধ্যমেই ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করবেন বলে নিশ্চিত। এ সেবাটি কিন্তু একদম ফ্রি না। প্রতি মাসে আপনাকে গুনতে হবে মাত্র ৫ মার্কিন ডলার। তবে ১৪ দিনের ফ্রি ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহারের সুযোগ আছে। এ ক’দিন ফ্রি ব্যবহার করেই দেখুন। মজাটা কোথায়!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × one =