বিশ্বে সফটওয়্যার পাইরেসিতে বাংলাদেশ ৩ নম্বরে!!!

2
414
বিশ্বে সফটওয়্যার পাইরেসিতে বাংলাদেশ ৩ নম্বরে!!!

বান্দা_ ইখতিয়!র

আসসালামু আলাইকুম। স্বাগতম আপনাকে। কেমন আছেন আপনি? আশা করি ভাল আছেন। আমি তথ্য প্রযুক্তিকে ভালবাসি। তাই দীর্ঘ
দিন যাবত এখানে আছি। https://www.facebook.com/amidorunto
বিশ্বে সফটওয়্যার পাইরেসিতে বাংলাদেশ ৩ নম্বরে!!!

সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩-এ। জানা গেছে, বাংলাদেশে যতো সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তার শতকরা ৯১ ভাগই পাইরেটেড। খবর বিবিসি অনলাইনের।

বিএসএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট জেফরি হার্ডি জানিয়েছেন, ‘এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে যদি শতকরা ১০ ভাগ পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার কম করা যায়, তবে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে সরাসরি ৪১ বিলিয়ন ডলার পরিমাণ অর্থের অবদান রাখা সম্ভব হবে। এছাড়াও ৪ লাখ ৩৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

বিজনেস সফটওয়্যার অ্যালায়েন্স (বিএসএ)-এর একটি গবেষণার বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, সারা বিশ্বেই সফটওয়্যার পাইরেসি বেড়ে গেছে। পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের কারণে ২০০৯ সালে সফটওয়্যার শিল্পের ক্ষতির পরিমাণ ছিলো- ৫১.৪ বিলিয়ন ডলার। আর পাইরেসির কারণে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলেই সবচে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে সফটওয়্যার শিল্প। অবশ্য এর ইতিবাচক দিকও দেখা গেছে। যেখানে ৫০ টিরও বেশি দেশে সফটওয়্যার পাইরেসি কমেছে সেখানে বেড়েছে মাত্র ১৯টি দেশে।
জানা গেছে, পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের দিক থেকে শীর্ষস্থানে আছে জর্জিয়া। জর্জিয়াতে যতো সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, তার শতকরা ৯৫ ভাগই পাইরেটেড। বৃটেনে ব্যবহার করা সফটওয়্যারের শতকরা ২৭ ভাগই পাইরেটেড। যুক্তরাষ্ট্রে এই হার শতকরা ২০ ভাগ। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে সবচে কম পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে সিঙ্গাপুর।
সফটওয়্যার পাইরেসির দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে জিম্বাবুয়ে। জিম্বাবুয়েতে পাইররেটেড সফটওয়্যারের হার ৯২ ভাগ। ৯১ ভাগ পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে বাংলাদেশের সঙ্গে যুগ্মভাবে ৩ এ অবস্থান মালডোভার। এরপরই ৯০ ভাগ পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারকারী আর্মেনিয়ার অবস্থান ৪-এ।
বিএসএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট জেফরি হার্ডি জানিয়েছেন, ‘এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে যদি শতকরা ১০ ভাগ পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার কম করা যায়, তবে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে সরাসরি ৪১ বিলিয়ন ডলার পরিমাণ অর্থের অবদান রাখা সম্ভব হবে। এছাড়াও ৪ লাখ ৩৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

সূত্র

2 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ