এবাদাতের মাসের শুরুতেই জেনেনিন কিভাবে সবচেয়ে সহজ ও অল্প সময়ে কুরআন খতম করবেন !

1
698
এবাদাতের মাসের শুরুতেই জেনেনিন কিভাবে সবচেয়ে সহজ ও অল্প সময়ে কুরআন খতম করবেন !

R!zwan B!n Sula!man

আমি সেই ছোট কাল থেকেই প্রযুক্তিকে ভালোবাসি। তাই আমি সব সময় প্রজুক্তির সাথে থাকি। নিজে খুবই সামান্য যা জানি তাই শেয়ার করি, এবং কিছু শেখার চেষ্টা করি।
এবাদাতের মাসের শুরুতেই জেনেনিন কিভাবে সবচেয়ে সহজ ও অল্প সময়ে কুরআন খতম করবেন !

আস-সালামু আলাইকুম

রমজান মাস হল এবাদাতের মাস, তাই আজ আপনাদের কে Science রিলেটেড কোন টিপস দিবনা ।আজ দিব আত্মা রিলেটেড টিপস । এই টিপস নিয়ে হয়ত আপনি আহামরি কিছু করতে পারবেন না বাট আত্মার শান্তি পাবেন। যারা আজো একবারও কুরআন খতম করতে পারেন নাই তারা হেলায় সুযোগ হারাবেন না । আমরা কতো টাইম ওয়াইস্ট করি হেলেয়-অবহেলায়। একটু টাইম সচেতন হলে এই টাইমই আমাকে অনেক কিছু দিতে পারবে । আজ দেখাব কিভাবে খুব সহজে-অল্প সময়ে কুরআন খতম করতে পারেন।

যা যা লাগবে

১. এক জিলদ কুরআন

২. ইচ্ছা শক্তি

এবাদাতের মাসের শুরুতেই জেনেনিন কিভাবে সবচেয়ে সহজ ও অল্প সময়ে কুরআন খতম করবেন !

যেভাবে শুরু করবেন।

প্রথমে অজু করে আসেন ।

তারপর টুপি/উড়না পরে সুন্দর করে কুরআন নিয়ে বসেন। “বিসমিল্লাহ” বলে শুরু করেন ।

ইয়া মালিক কিভাবে এই ৬১১ পৃষ্ঠা শেষ করবেন।

নো প্রবলেম । আমি টিপস দিচ্ছি । দাঁড়ান !

না , উঠে দাড়াতে হবে না !

আমরা ৬১১ পৃষ্ঠার যে হিসাব দিলাম এটা প্রায় সব কুরানের copyএর same নাও হতে পারে বাকি ৬০০ এর কম হবে না একটাও । তাই স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে ৬০০ পৃষ্ঠা নিলাম ।

এখন দেখেন এই ৬০০ পৃষ্ঠা আমার শেষ করতে ভয় লাগছে বাট যদি কিছু টিপস অবলম্বন করি তাইলে এটা অনেক সহজ । এই ৬০০ পৃষ্ঠাকে আমরা ৩০ দিয়ে ভাগ করি । কারন ৩০ দিনে রমজান মাস। তাইলে প্রতিদিনে কত আসে?

মাত্র ২০ পৃষ্ঠা তাই না !

এখন দেখেন এই ২০ পৃষ্ঠাটাও আমার জন্য কঠিন । এখন ভাগ করেন ৫ দিয়ে ।

৫ দিয়ে কেন ভাগ দিবো ? কারন রমজান মাসে সবাই মুটামুটি ৫ ওয়াক্তি নামাজ পড়ে । এই নামাজের ওয়াক্ত অনুযায়ী ৫ দিয়ে ভাগ দিলাম ।

উত্তর কি আসে ? ৪ তাই না !

এর মানে আপনি যদি প্রতি নামাজের আগে বা পরে  ৪ পৃষ্ঠা করে পড়েন তাইলে আপনার এক মাসে একবার কুরআন খতম করতে তেমন বেগ পোহাইতে হবে না । হিসাবটা দেখেন ২০*৫*৪=৬০০ পৃষ্ঠা ।

এর মানে আপনি Easily কুরআন খতম করতে পারছেন । আর যারা আমার মতো এত lazy না , যারা আরো  ফাস্ট,মানে “ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস” তারা প্রতি নামাজের আগে ৪ পৃষ্ঠা আর পরে ৪ পৃষ্ঠা করে পড়লে এক মাসে ২ বার খতম করতে পারেন । আর যারা তেরাবির নামজের এক রাকাতও মিস দেন না তারা তো ৩ বার খতম করতে পারেন {আমি প্রায় মিস দিয়ে দেই । pray for me , so that I can perform all the prayer}।

আর যারা আরো ভাল তারা ৪ বার পারেন। কিভাবে জানেন ?
তারা শেষের ১০ দিনে তাহাজ্জুদের নামেজ পড়ে আরো একবার খতম করতে পারেন । {বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা মসজিদে শেষের ১০ দিনে তাহাজ্জুদের সময় এক খতম করা হয় । আপনি সেখানে শরিক হতে পারেন }।

আর আমার একটা রিকুয়েস্ট । আপনারা সবাই , যারা যারা আমার এই পোস্টটা পড়ছেন তারা COPY করে তাদের ফেবুতে গিয়ে PAST করার অনুরোধ জানাচ্ছি।  এতে আপনার যেমন লাভ হবে আমারও । আপনার কারনে যারা যারা কুরআন খতম করবে তাদের সওাবের একটা অংশ আপনি পাবেন তার সাথে আমিও একটা ভাগ পাবো । আপনি বলবেন কিভাবে ?
আমি বলবো DESTINY-2000 limited যে সিস্টেমে MULTILEVEL ব্যবসা করেছে ঠিক সেই ভাবে ।  DESTINY-2000 limited  দুর্নিতি করেছে, বাট আমার আল্লাহ্‌ দুর্নিতিকে নিষেধ করেছেন। তাই এটা কল্পনাও করা যায় না ।  আশা করি সবাই আমার রিকুটা পালন করবেন । {আমার ধারনা টেক টিউন্সে এই রকম অনুরোধ আর কেউ করেনি}

আর যারা এই রিকু পালন করতে পারবেন না তারা অন্ততো এই সহজ টিপসটা আপনার বন্ধুকে জানান।

এবাদাতের মাসের শুরুতেই জেনেনিন কিভাবে সবচেয়ে সহজ ও অল্প সময়ে কুরআন খতম করবেন !

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ