মানবদেহের কৃত্রিম রক্ত

1
426

গবেষকরা ভ্রুণ কোষ থেকে কৃত্রিম রক্ত উদ্ভাবন করেছেন। যুক্তরাজ্যের হাসপাতাল এবং চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে আগামী ২ বছরের মধ্যেই এ কৃত্রিম রক্তের ব্যবহার শুরু হবে।

এদিকে এডিনবার্গ এবং ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ভ্রুণের অস্থিমজ্জা থেকে এ কৃত্রিম রক্ত উদ্ভাবন করেছেন। এ রক্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত বলেই গবেষকরা দাবী করেছেন। যে কোনো ধরনের অপারেশন বা অন্য কোনো প্রয়োজনে এ রক্ত ব্যবহার করা যাবে।

কৃত্রিম রক্ত উদ্ভাবন মানবদেহের কৃত্রিম রক্ত

গবেষকরা বলছেন, রক্তের জরুরী প্রয়োজনে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শুরু করে দুর্ঘটনা বা হার্ট প্রতিস্থাপন, বাইপাস সার্জারি এবং ক্যান্সার রোগীদের জন্য এ রক্ত ব্যবহার করা যাবে। গবেষকদের আশা, কৃত্রিম এ রক্ত অসংখ্য প্রাণ রক্ষা করতে সক্ষম হবে।

এখন পর্যন্ত এই কৃত্রিম রক্ত পরীক্ষাগারে ইঁদুরের দেহে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং তা ইঁদুরগুলোর উপর কোন ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নি। গবেষকরা আগামী এক থেকে দুই বছরের মাঝেই এই কৃত্রিম রক্ত মানুষের দেহে পরীক্ষামূলকভাবে সঞ্চালন করার আশা করছেন।এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্ক টার্নার ও-নেগেটিভ রক্তের সাথে প্রচুর রক্ত কণিকা তৈরির আশা করছেন।

নিরাপদ রক্তের সরবরাহ উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর জন্য বিরাট এক আশীর্বাদ হয়ে আসবে। কারণ এদেশগুলোতে প্রতি বছর শুধুমাত্র বিশুদ্ধ রক্তের অভাবে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়। ক্লিনিক্যাল টেস্ট শেষে এ রক্ত বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা যাবে বলেও গবেষকরা জানিয়েছেন।

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ