ফেসবুকের যে বিষয়গুলো প্রতিদিন বিরক্তি সৃষ্টি করছে আমাদের জীবনে

0
358

ফেসবুক প্রতিদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গিয়েছে প্রায় প্রতিটি মানুষের। দিনের শুরুতে ঘুম থেকে উঠে একবার ফেসবুকের ওয়ালে চোখ না বুলালেই যেন নয়। বন্ধুদের আড্ডায় তো চেক ইন দেয়াই লাগে কয়েকটি। আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক ঘন্টা ফেসবুকিং না করলে যেন ঘুমই আসে না আজকাল। প্রতিদিনের অবিচ্ছেদ্য বন্ধু হয়ে গিয়েছে ফেসবুক। কিন্তু এত প্রিয় এই ফেসবুকেরও আছে কিছু বিরক্তিকর দিক। মিলিয়ে দেখুন তো এই ৫টি বিরক্তিকর বিষয় আপনাকেও বিরক্ত করছে কিনা?

ফেসবুকের যে বিষয়গুলো প্রতিদিন বিরক্তি সৃষ্টি করছে আমাদের জীবনে ফেসবুকের যে বিষয়গুলো প্রতিদিন বিরক্তি সৃষ্টি করছে আমাদের জীবনে

অপরিচিত পোক
চিনেন না জানেন না এমন মানুষ নিশ্চয়ই পোক দিয়েছেন আপনাকে অনেকবারই? বিশেষ করে আপনি যদি নারী হয়ে থাকেন তাহলে তো কথাই নেই। পরিচিতের চাইতে অপরিচিত মানুষের পোকের সংখ্যাই বেশি। পোক প্রাইভেসির ক্ষতি করে না কিংবা খুব বেশি চোখেও পড়ে না। কিন্তু কেন যেন অপরিচিত মানুষের পোক খুবই বিরক্তি সৃষ্টি করে।

অহেতুক ট্যাগ

আপনি নেই যেই ছবিতে সেই ছবিতে আপনাকে ট্যাগ করার মানে কি? নিশ্চয়ই কোনো মানে নেই তাই না? এমনই অনর্থক ছবিতে ট্যাগ করেন অনেকেই আমাদের কে। মানুষের খুবই বিরক্তিকর এই অভ্যাসটির কারণে অনেকেই বিব্রতবোধ করেন।

গেম রিকুয়েস্ট

ফার্ম ভিল, পোকার, ক্রিমিনাল কেস, ক্যান্ডি ক্র্যাশ সাগা ইত্যাদি গেমের রিকুয়েস্ট নিশ্চয়ই প্রতিদিনই আসে? কিছুক্ষন পর পর এসব গেমের রিকুয়েস্ট অতিষ্ট করে দেয় ফেসবুক ইউজারদেরকে। বিশেষ করে যারা এসব গেম খেলেন না তাদের জীবন দূর্বিসহ হয়ে যায় এসব গেম রিকুয়েস্টের যন্ত্রণায়।

যুগলদের অতিরিক্ত লোক দেখানো প্রেম
ফেসবুকের হোম পেজে নিশ্চয়ই কিছু অতিরিক্ত রোমান্টিক যুগলের ছবি আসে প্রায়ই? নিজেদের অন্তরঙ্গ নানান মূহূর্তের ছবি ক্ষণে ক্ষণে ফেসবুকের পাতায় দিতে থাকেন এধরণের যুগলরা। নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনে ব্যক্তিগত না রেখে ফেসবুকে অতিরিক্ত শো অফ করেন এধরণের যুগলরা। ফেসবুকের হোমপেজ খুলেই তাদের আহ্লাদী আচরণ দেখে কম বেশি সবাই খুব বিরক্ত হয়।

গ্রুপ ম্যাসেজ

অনেক সময়ে বন্ধুদের কিংবা পরিচিতদের খোলা গ্রুপ ম্যাসেজে আপনাকে অ্যাড করে নেয়া হয়। সেখানে ক্রমাগত চ্যাট হতে থাকে এবং একটু পর পর নোটিফিকেশন আসতে থাকে। রাত নেই দিন নেই ক্রমাগত আসতে থাকা এই ম্যাসেজ খুবই বিরক্তি সৃষ্টি করে। কিন্তু চক্ষু লজ্জায় গ্রুপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়াও যায় না। কনভারসেশন মিউট করে রাখা ছাড়া এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার আর কোনো উপায় নেই।

একটি উত্তর ত্যাগ