সাইন্স ফিকশন মুভির মত সত্যি কি কৃত্রিম বুদ্ধিমানরা বিপদ ডেকে আনবে… (বিজ্ঞানী হকিং)

0
317

প্রখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমান যন্ত্রের সাময়িক প্রভাব নির্ভর করে এর নিয়ন্ত্রণ কর্তার মর্জির ওপর কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে একে আদৌ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কী না সে বিষয়টি রীতিমতো অনিশ্চিত ও আশংকাজনক।

 1399394218_14 সাইন্স ফিকশন মুভির মত সত্যি কি কৃত্রিম বুদ্ধিমানরা বিপদ ডেকে আনবে... (বিজ্ঞানী হকিং)

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের ওপর মোটেও আস্থা নেই বিশ্বের পদার্থবিজ্ঞানের জীবন্ত কিংবদন্তির। এক খবরে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট।

হকিং অবশ্য পুরোপুরি নৈরাশ্যের কথাও বলেননি। তাঁর মতে, রোবট ও অন্যান্য কৃত্রিম বুদ্ধিমান যন্ত্র তৈরিতে সাফল্য আসলে মানুষের জন্য বিশাল সুবিধা হবে এবং মানব সভ্যতার জন্য বিশাল একটি ঘটনা হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, মানব সভ্যতার ইতিহাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমানদের আগমন হতে পারে শেষ ঘটনা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমান যন্ত্রের ঝুঁকি ও সুবিধা নিয়ে খুব কম গবেষণা হয়েছে বলেও মনে করেন স্টিফেন হকিং।

এর আগে এ বছরের মার্চে চাঁদে বসতি স্থাপনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ২১০০ সাল নাগাদ মানুষ মঙ্গলে থাকবে বলেও আশা করেন তিনি।

৭২ বছর বছর বয়সী এই বিজ্ঞানী বলেন, ‘আমাদের গ্রহ বুড়িয়ে গেছে। মানুষ বাড়ছে তো বাড়ছেই, সম্পদও সীমিত হয়ে এসেছে। এসব হুমকির বিষয়ে আমাদের নজর দিতে হবে এবং একটি বিকল্প পরিকল্পনা বেছে নিতে হবে।’

হকিং বলেন, ‘আমরা যদি নতুন গ্রহে বসতি স্থাপনে ব্যর্থ হই, তবে মানবজাতি বিলুপ্তির মুখোমুখি হবে। কারণ জনসংখ্যা বেড়ে যাবে। পৃথিবীর পক্ষে এই জনসংখ্যা ধারণ করা সম্ভব হবে না।’

হকিংয়ের মতে, দ্রুতই এমন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সাধিত হবে, যাতে মানুষ এই নতুন বিশ্বে খাপ খাওয়াতে পারে। তাঁর মতে, এই শতক হবে সত্যিকারের মহাকাশ যুগ। চলতি শতকের শেষ নাগাদ মানুষ মঙ্গলে বাস করবে বলে সত্যিকার অর্থেই বিশ্বাস করেন হকিং।

একটি উত্তর ত্যাগ